শিশুর সাংস্কৃতিক মূল্যবোধেই নির্মূল হবে জঙ্গিবাদ

শিশুর সাংস্কৃতিক মূল্যবোধেই নির্মূল হবে জঙ্গিবাদ

                                                                                              ॥ নূরুদ্দীন দরজী ॥
বাংলাদেশ একটি উজ্জ¦ল সংস্কৃতি ও কৃষ্টির দেশ। আমাদের রয়েছে দীর্ঘ দিনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। এ ঐতিহ্য বার বার বিভিন্ন  অপঘাত থেকে দেশকে রক্ষা করেছে। যখনই কোন আক্রমন ও উগ্রবাদ দেশ ও দেশের মানুষের জন্য হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে, সংস্কৃতির ঝান্ডা নিয়ে অসংখ্য সংস্কৃতিমনা মানুষ এবং দেশ প্রেমিক জনতা অকুতোভয়ে রাস্তায় নেমে এসেছে। তারা প্রতিবাদ করে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। স্বার্থবাদীদের হীন উদ্দেশ্য হাসিলে চরম আঘাত হেনেছে। 
এ কথা সর্বজন বিদিত যে, জাতীয় উন্নয়নের জন্য অনেকগুলো পূর্ব শর্ত কাজ করে। শর্তগুলোর অন্যতম হলো  সম্পদের প্রাচুর্যতা, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, দক্ষ জনশক্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং শিক্ষা ও সংস্কৃতি। আমাদের মাতৃভূমি বাংলাদেশ কোন তলাবিহীন ঝুড়ি নয়। আমরা দ্রুত উন্নয়নগামী এবং ইতিমধ্যে আমাদের উন্নয়নের সূচক গুলো অনেকের ঈর্ষার কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে। সূচকগুলোর মধ্যে কোন কোন বিচারে শিক্ষা ও সং¯ৃ‹কিতে আমাদের অবস্থান অনেক উর্ধ্বে। যে কোন প্রকার সন্ত্রাসী কর্মকান্ড এবং জঙ্গিবাদকে রুখতে আমরা সক্ষম। কোন এক দুর্দিনে বিশ্বখ্যাত সাংবাদিক অমিতাভ চৌধুরী বলেছিলেন, বাঙালী এবং বাংলাদেশের দু’টি রক্ষাকবচ রয়েছে- যার একটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও অপরটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সেক্যুলার সংস্কৃতিক এবং বঙ্গবন্ধু সেক্যুলার রাজনীতিক। তাঁরা আমাদের অতন্দ্র প্রহরী। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, এ কারণে তাঁেদর উপর বার বার মারাত্বক আঘাত এসেছে। উন্নত সংস্কৃতিক কর্মকান্ড একটি দেশের জন্য অবশ্যই রক্ষাকবচ হয়ে দাঁড়ায় কোন সন্দেহ নাই। উদাহরণ স্বরুপ মধ্য প্রাচ্যের কয়েকটি দেশের কথা বলা যায়- যাদের সম্পদ থাকা সত্বেও সংস্কৃতি ও কৃষ্টির অবনয়নে অস্থিত্ব বিপন্ন। আফগানিস্তানের কথা বললেই বুঝা যায়, একদিন তাদের মজবুত সংস্কৃতি থাকলেও এখন তার অভাবে সেখানে চলছে নির্মম বর্বরতা । কিন্তু বাংলাদেশে এ ভয় আমাদের নেই। আমাদের রয়েছে রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জীবনানন্দ ও শামসুর রাহমানের  মতো অসংখ্য সংস্কৃতির পথ প্রদর্শক। এছাড়াও রয়েছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও অনেক জাতীয় নেতৃবৃন্দ। এ দু’এর শক্তিতে আমরা বিদায় করেছি পাকিস্তানী শোষকদের এবং আরও অনেক অপশক্তিকে।
বঙ্গবন্ধু আমাদের দিয়েছেন জাতীয় স্বাধীনতা ও স্বাধীন পতাকা এবং কবিগুরু দিয়েছের জাতীয় সঙ্গীত। জাতির পিতার ঐতিহাসিক ভাষণ “এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম-এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম ”- একটি মহাকাব্য। এ কাব্যের  মর্মবাণী প্রতিটি বাঙ্গালী প্রাণে নব তরঙ্গের সৃষ্টি করে। মানুষ মুগ্ধমন্ত্রে দীক্ষিত হয়। এ যুগল ব্যক্তিত্বের  কারণে বাংলার মাটিতে কখনো কোন চক্রান্ত্র সফল হয়নি এবং হবে না কোন দিন। ঘরের শক্র বিভীষণরুপে যারা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে তারা কোনদিনই বঙ্গবন্ধুর রক্তে ভেজা মাটিতে ডানা মেলতে পারবে না। স্বাধীন পতাকা সৃষ্টির পায়রা উড়াবে অবিরত। 
বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা বিষয়ে চিন্তা করলে দেখা যায়, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে তাঁরই সুযোগ্য কণ্যা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা অনেক পথ হেঁটে এসেছি বহুদূর। পাশ্ববর্তী দেশগুলো থেকেও অনেকাংশে অগ্রগামী। এটি কিভাবে সম্ভব হলো তার বিচার বিশ্লেষণ সচেতন ও বিবেকবান মানুষ অবশ্যই করতে পারেন। ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু বিপুল সংখ্যক প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারিকরণ করেই ক্ষান্ত হননি, তিনি শ্ক্ষিকগণকে দিয়েছেন সরকারী মর্যাদা। একটি দেশে স্বাধীনতা লাভের পর এত অ্ল্প সময়ে এমন বিরাট কর্মযজ্ঞ পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল ঘটনা। তখন পাকিস্তানী হানাদার ও তাদের এ দেশীয় দোসরদের অত্যাচারে বাংলার মাটি ছিল বিরানভূমি। এ মাটিতে দাঁড়িয়ে হাজারো বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা ভেবেছিলেন, সমস্ত শিক্ষার ভিত প্রাথমিক শিক্ষাকে মজবুত ভিত্তির উপর দাঁড় করাতে পারলে এবং সম্মানিত শিক্ষকগণের মর্যাদা বৃদ্ধি পেলে অবশ্যই দেশের সমগ্র শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আসবে। তাঁর একটি মাত্র ঘোষণায় দীর্ঘ দিনের অবহেলিত প্রাথমিক শিক্ষা পূর্ণ জীবন ফিরে পায় । এর ফলশ্রুতিতেই সংশ্লিষ্ট সকলে বিশেষ করে পাঠদানরত শিক্ষক মহোদয়গণ  সর্বাপেক্ষা প্রচেষ্টা চালিয়ে প্রাথমিক শিক্ষার  চিত্র পাল্টে দেন। অল্প সময়ের ব্যবধানে আমাদের শিক্ষার হার অনেক উপড়ে উঠে আসে। এখানে অত্যন্ত দুঃখজনক যে,দেশ যখন দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে এবং তার সাথে কাধেঁ কাধঁ মিলিয়ে আমরাও যখন সঠিক পরিচর্যা দিয়ে অকøান্ত পরিশ্রম করে প্রাথমিক শিক্ষা স্তরের প্রতিকূলতা অতিক্রম করছি, যখন সকল আগাছা দূর পূর্বক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের চেষ্টা করা হচ্ছে ঠিক সে মূহুর্তে জঙ্গিরা তাদের থাবা মেলে জাতীয় উন্নয়নকে বাঁধাগ্রস্থ করার অপচেষ্টা চালায়। তারা জাতিকে বিভ্রান্তিতে ফেলে বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র করতে চায়। কিন্তু তারা সফল হতে পারেনি এবং পারবেও না কোন দিন। 
একারণে আবারও আমাদের প্রাথমিক শিক্ষকগণের বলিষ্ঠ ভূমিকার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। তাদের কর্মের পরিধি বেড় গেছে। জঙ্গিবাদের মূলচ্ছেদ করার জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকেই কাজ শুরু করতে হবে। দৈনিক পাঠদানের পাশাপাশি শিশুদের সহপাঠক্রমিক কার্যক্রম জোরদার করা আবশ্যক। তাদেরকে সংস্কৃতি চেতনায় উদ্ধুদ্ধ করা একান্ত প্রয়োজন। কোমলমতি কচিকাঁচা শিশুদের চিন্তা-চেতনায় পরিবর্তন আনয়ন জরুরী হয়ে পড়েছে। এ শিশুদের আগামী দিনের সুনাগরিক হিসেবে তৈরি করতে হবে। তারা সঠিক পথে হাঁটতে না পারলে বিপদ অবশ্যম্ভাবী। বিশ্বে সমসাময়িক ঘটনা চিত্রে দেখা যায়, জঙ্গি গোষ্ঠী তাদের উদ্দেশ্য হাসিল এবং ভবিষ্যতেও থাবা বিস্তারের জন্য জঙ্গি লালন করে। এ জন্য ছোট ছোট মেধাবী শিশুদের উপর দৃষ্টি দেয়। প্রাথমিক বিদ্যালয়গামী বিভিন্ন শ্রেনির শিশুদের ভুলিয়ে ভালিয়ে নিজেদের দলে টেনে আনে। যেখানে শিশুদের যাতায়ত, বিশেষ করে বিদ্যালয়ে, খেলার মাঠ, মামাবাড়ি ও বন্ধুর বাড়ি যাওয়া আসার সময় নানা রকম প্রলোভন দেখায়। আইসক্রীমসহ মজাদার খাবার কিনে দেয়। খেলাধুলার আয়োজন করাসহ শিশুদের নিয়ে গোপন বৈঠক পযর্ন্ত করে । মার্শাল আর্ট ও নানা রকম কুপ্রশিক্ষণ প্রদান করে তাদের বিপদগ্রস্ত করে। আবার ধর্মীয় আলোচনা করে শিশুদের জান্নাতের পুরস্কারের লোভ দেখায় ও সুন্দর এ পৃথিবীকে তাদের নিকট মূল্যহীন করে তোলে। তাদের কল্পনার জগতকে পরকালের ধ্যান ধারনায় গভীরতর করে। আমরা জানি, ধর্মের অপব্যাখ্যাই জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করে। ধর্ম সর্বজনীন মঙ্গলের জন্য। মানুষকে ধার্মিক হতে হবে ধর্মান্ধ নয়। রাব্বুল আলামিন সমস্ত বিশ্ব জগতের মালিক। জঙ্গিদের ভুল ব্যাখ্যার কারণে শিশুরা তা বুঝতে পারে না। অনেক সময় মায়ের জাতি কোন কোন নারীদেরও প্ররোচনায় ফেলে জঙ্গিরা নিজেদের দলে ভিড়ায় এবং তাদের দ্বারা শিশুদের কৌশলগত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে। সকল ধর্ম বিশেষ করে শান্তির ধর্ম ইসলামের মতে ষড়যন্ত্র ও হত্যার সাথে যারা জড়িত তাদের পরিণাম কখনো ভাল হয় না এবং হত্যাকারীরা অভিশপ্ত। বাস্তবে হহ্যাকারীদের পরিণতি দেখেই তা বুঝা যায়। সুকুমার কার্যাবলীর মাধ্যমে শিশুদের সংস্কৃতি চর্চার পরিধি বাড়াতে পারলে জঙ্গিবাদের হাত থেকে তাদের রক্ষা করা সহজ হবে। সংস্কৃতি হচ্ছে জীবন চলার সঠিক পথ নির্দেশক। সংস্কৃতি হলো সাধারণত: কতগুলো প্রথা,নীতিবোধ,আইন,দর্শন গুণ,যোগ্যতাও বিশ্বাসের মতো সুন্দর সুন্দর দিক। এগুলো আবহমান কাল থেকেই আমাদের পূর্ব সুরিগণ রেখে গেছেন। মানবতাবাদীরদের চিন্তা চেতনাকে লালন করাও সংস্কৃতির কাজ। 
সংস্কৃতি মানুষকে অন্যান্য প্রাণী থেকে পৃথক করেছে। সংস্কৃতি মানুষের মনকে পবিত্র ও সুন্দর করে। শিশুরা যদি জন্মের পর একটি সুষ্ঠ সংস্কৃতির মধ্যে বড় হয় তাহলে তাদের জীবন সুন্দর হয় এবং আদর্শ মানুষ রুপে গড়ে উঠে। জঙ্গিবাদ মুক্ত একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য আমাদের  শিশুদের মাঝে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের ব্যাপক বিস্তার ঘটাতে হবে। আমরা জানি সংস্কৃতির বিকাশের জন্য জাতীয়ভাবে বিদ্যালয়সমূহের জন্য যে শিক্ষাক্রম গ্রহণ করা হয়েছে তা অবশ্যই সময়োপযোগি। এসমস্ত শিক্ষাক্রমকে বাস্তবায়নের জন্য বিশেষভাবে নি¤œ পদক্ষেপ সমূহ গ্রহণ করা একান্ত দরকার । যেমন-  ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন, গান, নৃত্য,নাটক, বির্তক ও আলোচনার  জোরালো আয়োজন করা। শিশুদের উপযোগী বিভিন্ন মনীষী, জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও কবি লেখকগণের অগ্রাধিকার করে বঙ্গবন্ধু,ভাসানী, সোহরাওয়াদী, শেরেবাঙলা, রবিঠাকুর,কাজী নজরুল সম্পর্কে ধারনা প্রদান। বাংলার লোকসঙ্গীত- বাউল, জারি, সারিগান, পালাগান, ভাটিয়ালী, ভাওয়াইয়া, মুর্শিদী ও কবি গান এবং বাঁশি ও ঢোল সম্পর্কে অবহিত করা সহ আমাদের লোকসঙ্গীত শিল্পী হাসান রাজা, লালন শাহ, আঃ করিম ও রাধারমন দত্তের মতো  শিল্পীদের বিষয়ে জ্ঞান দান । বিদ্যালয়ে অবশ্যই পাঠাগার স্থাপন করতে হবে।  দেশপ্রেমও  সামাজিক কর্তব্য ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করা । প্রতিযোগিতামূলক খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন ও আকর্ষণীয় পুরস্কারের ব্যবস্থা করা । কাব দলকে নিয়মিত চর্চায় আনয়ন । ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে দেয়াল পত্রিকা বেরকরা। প্রতিটি বিদ্যালয়ে স্টুডেন্টস কাউন্সিল গঠন করে নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধিদের দায়িত্ব পালনের সুযোগ তৈরী । বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে উৎসাহিত করে  বিশ্বের সাথে প্রতিযোগীতার সুযোগ সৃষ্টি। বিশেষ  করে ধর্ম ও নৈতিকতার বিষয়ে বাঞ্চণীয় জ্ঞানে  উদ্ধুদ্ব করা । ইসলামি সংস্কৃতির বিভিন্ন দিক, যেমন হামদ, নাত ইসলামী গজল ইত্যাদিসহ অন্যান্য ধর্মীয় প্রার্থনা, সঙ্গীত ও স্তুতির চর্চার ব্যবস্থা করে ধর্মের সাথে নৈতিকতার সেতু বন্ধন রচনা করা । সাংস্কৃতির কার্যক্রমের মূল্যায়ন ও ছাত্রছাত্রীদের পিতামাতা অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সম্পৃক্ত করে  সর্বজনীন একতার সৃষ্টি করা । মনে রাখতে হবে শিক্ষাথী শিক্ষক ও অভিভাবকের মধ্যে ত্রিভূজ সম্পর্ক বজায় থাকলে শিশু তথা ছাত্র/ছাত্রীদেরকে বিপথগামীতা স্পর্শ করতে পারবে না।
আলোচনার শেষ প্রান্তে এসে পূনর্ব্যক্ত করা যায় যে, সংস্কৃতির আভিধানিক অর্থ হচ্ছে, চিত্ত প্রর্কষ যা মানবীয় গুণাবলীর উৎকর্ষ সাধন। এ উৎকর্ষতা যতটা বৃদ্ধি পাবে জাতীয় উন্নতির ভিত তত মজবুত হবে। সুষ্ঠু সংস্কৃতির সহিত সংঘর্ষে জঙ্গিবাদের অপমৃত্যু হবে। নিরীহ মানুষসহ শিশুঘাতী ও নারীঘাতী নিষ্ঠুর জঙ্গি বর্বরতা আর থাকবে না। আজকের নবীন শিশু ছাত্রছাত্রীদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করে সংস্কৃতি মনা সুনাগরিকে পরিণত করতে পারলে সকল জঙ্গি তৎপরতা বাংলার মাটি হতে  পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, ,ধলেশ্বরী, শীতলক্ষা ও বুড়িগঙ্গাসহ অন্যান্য নদী বহন করে বঙ্গোপসাগরে নিক্ষেপ করবে। আমাদের প্রাণের চেয়েও প্রিয় স্বর্গীয় জননী বাংলাদেশ অবশ্যই উন্নত দেশে পরিণত হয়ে হবে এক বাসযোগ্য নিরাপদ ভূমি। বাংলাদেশ হবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর স¦প্নের সোনার বাংলা।
 লেখক ঃ গল্প ও প্রবন্ধকার (সাবেক শিক্ষা অফিসার)


সংশ্লিষ্ট আরও খবর

সর্বশেষ খবর

Today's Visitor