Space For Advertisement

ভবন রক্ষনা-বেক্ষন কমিটির সভাপতি ও উন্নয়ন কর্মকর্তার পোঁয়াবারো!

ভবন রক্ষনা-বেক্ষন কমিটির সভাপতি ও উন্নয়ন কর্মকর্তার পোঁয়াবারো!

ঢাকা, সোমবার, ১৭ জুলাই ২০১৭ (বিশেষ প্রতিনিধি) : ঢাকা শিশু হাসপাতালের সি ব্লকে ১৪ তলা ভবন নির্মানে নিয়োজিত ঠিকাদারের সাথে গোপন আঁতাত করে মোটা অংকের টাকা ও উপঢৌকনের নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঢাকা শিশু হাসপাতালের ভবন রক্ষনা বেক্ষন কমিটির সভাপতি ডা: প্রফেসর  আব্দুল আজিজ ও উন্নয়ন কর্মকর্তা নেসার উদ্দিনের বিরুদ্ধে।  তারা ঠিকাদারের কাছে বিক্রি হয়ে যাওয়ায় এই ভবন নির্মাণে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান অতি নিন্মমানের কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। এতে করে সরকারী টাকার ব্যপক অপচয় হয়েছে। অন্য দিকে ভবনটিও ঝুঁকিপূর্ণ থেকে যাচ্ছে। সুত্রমতে নির্মাণাধীন এই ভবনের ৪র্থতলা পর্যন্ত নির্মাণকালে ঠিকাদার অতি নিন্মমানের ইট,বালু,সিমেন্ট,পাথর , টাইলস,ইলেকট্রিক কেবল ,ফ্যান এসি ও বাথরুম ফিটিংস সামগ্রী ব্যবহার করেছেন যা সিডিউল কণ্ট্রাক্ট বর্হিভূত। অতি নিন্মমানের সামগ্রী ব্যবহারের ফলে ভবনটি ঝুঁকিপুর্ণ থেকে যাচ্ছে। জাপানের জেনারেল কোম্পানীর এসির স্থলে দেওয়া হয়েছে চীনা কোম্পানীর নিন্ম দরের এসি। অন্য দিকে ৫০০ কেভির যে জেনারেটর লাগানো হয়েছে তাতে দেওয়া হয়েছে শুভংকরের ফাঁকি। অভিযোগ উঠেছে যে, পুরাতন জেনারেটরে নতুন কভার লাগিয়ে সরবরাহ করা হয়েছে। ফলে মাত্র কয়েক মাস ব্যবহারেই সেটি বিকল হয়ে পড়ে আছে।  প্রধম দিন যখন জেনারেটরটি চালু করা হয় সেদিনই প্যাথলজি ভবনে আগুন ধরে সমস্ত এসি পুড়ে যায়।  আরো জানাগেছে, ভবন নির্মাণ কালে আন্ডারগ্রাউন্ডে যে উচ্চতায় গাড়ী পার্কিং এর  ব্যবস্থা রাখার কথা তা রাখা হয়নি। ফলে  এই পার্কিং এ কোন গাড়ীই প্রবেশ করতে পারছেনা। নির্মাণ ত্রুটির কারণে ভবনের ভীমে গাড়ীর বডি আটকে যায়। এতত্রুিট থাকা সত্বেও ভবন রক্ষনা বেক্ষন কমিটির সভাপতি ডা: প্রফেসর  আব্দুল আজিজ ও উন্নয়ন কর্মকর্তা নেসার উদ্দিন ভবনটি ঠিকাদারের কাছ থেকে বুঝে নেন। অভিযোগ আছে যে, ঠিকাদারের কাছ থেকে মোটা অংকের উৎকোচ নিয়েই তারা ত্রুটিপূর্ণ ৪তলা ভবন বুঝে নিয়েছেন। এ খাতে ওই ২ কর্মকর্তা  মালামাল হয়েগেছেন। ৫ তলা বাড়ী নির্মাণ ছাড়াও নতুন গাড়ী কিনেছেন। নেসার উদ্দিন ছিলেন সামান্য একজন টাইপিষ্ট সেখান থেকে তাকে পদোন্নতি দিয়ে উন্নয়ন কর্মকর্তা বানিয়েছেন তার ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য এমন গুন্জন শোনা যায়।  সম্প্রতি নাকি নেসার উদ্দিন এমবিএ পাশ করা এক যুবককে ৭ লাখ টাকা উৎকোচ নিয়ে ড্রাইভার পদে চাকুরী দিয়েছেন। এই যুবক ড্রাইভিং জানে না এবং তার কোন ড্রাইভিং লাইসেন্সও নেই বলে জানাগেছে। ৪র্থতলা ভবন নির্মাণের এসব অনিয়ম-দুর্নীতি উদঘাটনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি গঠনের দাবী তুলেছেন এই হাসপাতালের দেশ প্রেমিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। (চলবে)

 


সংশ্লিষ্ট আরও খবর

সর্বশেষ খবর

Today's Visitor