Space For Advertisement

টাঙ্গাইল শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতির অভিযোগ

টাঙ্গাইল শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতির অভিযোগ

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : শিক্ষা প্রকৌশলীর অধিদপ্তরের আওতায় টাঙ্গাইল জোনের সহকারী প্রকৌশলী মীর মুহাম্মদ হোসেন (চুন্নু) এর বিরুদ্ধে একই কর্মস্থলে প্রায় ১৫ বৎসর কাল বহাল তবিয়তে থেকে পছন্দের ঠিকাদারদের সাথে আতাত করে নানা অনিয়ম দূর্নীতি করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। যা দুদকের তদন্ত দাবী করেছেন সচেতন মহল। তার অনিয়ম দূর্নীতি স্বেচ্ছাচারিতা মাধ্যমে পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ বন্টনের নামে লাখ লাখ টাকা ঘুষ দূর্নীতি করছেন বলে জানা গেছে। ২০০২ সাল থেকে কালিহাতীতে উপসহকারী প্রকৌশলী হিসাবে যোগদান করে অদ্যবধি টাঙ্গাইল জোনে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ ও তদবির তোষামোদ করে রাজার হালে চাকুরী করছে। টাঙ্গাইলের পেশাদার ঠিকাদারদের কাজ না দিয়ে আত্মীয়দের নামে কাজ বাগিয়ে নিয়ে নিজেই কাজ করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিজ জেলার স্থানীয় বাসিন্দার আকুরটাকুর পাড়ার বাসা থেকে রাজার হালে ১৫ বৎসরের অধিক কাল বহাল তবিয়তে চাকুরি করা বেআইনী ও বিধিবহির্ভুত কাজ বটে। যদিও তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও ঘুষ দূর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ রয়েছে তথাপিও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসন নীরব। কোন রকম প্রতিকারমুলক ব্যবস্থা নিচ্ছেন না কেহ। নির্বাহী প্রকৌশলী জামালপুর থেকে টাঙ্গাইল জোনে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকায় তিনিই টেন্ডার থেকে শুরু করে সর্ব প্রকার দায়িত্ববান কাজে খবরদারী করিয়া নানা অপকৌশলে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। তিনি তিন বছরের অধিককাল একই কর্মস্থলে চাকুরি করার সুবাদে সরকারী সকল উন্নয়নমুলক কর্মকান্ড স্থবির হয়ে পড়েছে। 
সরকারী অনুদান ও বরাদ্ধ যথাযথ বাস্তবায়ন না হওয়ায় কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ এর খবর তদন্ত প্রয়োজন। তার অনিয়ম দূর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতা কর্মকান্ডে ঠিকাদার মহল ও সিনিয়র প্রকৌশলীদের মধ্যে নানা ক্ষোভ বিরাজ করছে। তিনি তৎকালীন দূর্নীতিবাজ নির্বাহী প্রকৌশলী জসিম উদ্দিনের সাথে আতাত করে সিনিয়র প্রকৌশলীদের ডিঙ্গিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীর অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন কালিন সময়ে টেন্ডার না করেই কোটি কোটি টাকা ভাগিয়ে নিয়েছেন। নিবার্হী প্রকৌশলীর পরিবারবর্গ টাঙ্গাইলে অবস্থান না করায় তাকে নিজ বাসা থেকে ৩ বেলা খাবার সরবরাহ. মোবাইল খরচ, জুয়া খেলা, নিরাপত্তা ও যাতায়াত সহ সকল কাজে সহযোগিতা করে আর্শিবাদ তুষ্ট হয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা নানা অনিয়ম করে লুটপাট করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ঠিকাদারদের তথ্য মতে আরো জানা যায়, নির্বাহী প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন বদলীর পর নির্বাহী প্রকৌশলী জিয়াউল হক দায়িত্ব নেওয়ার পর তার ও পরিবারবর্গ না থাকায় একই কৌশলে তাকেও নানা ভাবে খেদমত করে ম্যানেজ করে নানা কৌশলে বিভিন্ন কাজে অনিয়ম করে কোটি কোটি ভাগিয়ে নেয় । তিনি এক সময় অনেক সিনিয়র প্রকৌশলীকে ডিঙ্গিয়ে পর পর তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব একাধারে পালন করে নানা অনিয়ম দূর্নীতি করেন। গোপন টেন্ডারসহ স্কুলের নিম্নমানে ফার্নিচার ক্রয়, বিনা টেন্ডারে কাজ বন্টন করে বিভিন্ন ইউনিয়নের বিভিন্ন স্কুল থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা কমিশন গ্রহন করার অভিযোগ রহিয়াছে। রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ঠিকাদার সহ অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীদের তটস্থ করে অনিয়ম দূর্নীতির ও অর্থ আত্মসাৎ করে থাকলে তদন্ত প্রয়োজন। ঠিকাদারদের বিল দিতে গড়িমসি হয়রানী ও কমিশন গ্রহণে লক্ষ লক্ষ টাকা অবৈধ উপার্জনেরও তদন্ত প্রয়োজন। উপার্জিত অর্থ ও স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ নামে, বেনামে ব্যাংক ব্যালেন্স করেছেন বলে জানা গেছে। দুদকের তদন্ত প্রয়োজন। ঐ অফিসের পিয়ন থেকে শুরু করে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীগন ও ঠিকাদার মহল তার উগ্র আচারণ ও অসৎ কর্মকান্ডে অতিষ্ট সবাই। তিনি সরকারী অর্থ নানাভাবে ভূয়া বিল ভাউচার ও জাল-জালিয়াতি করিয়া তছরূপ করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে । ঠিকাদারদের লাইসেন্স নবায়ন, বিল-ভাতা পরিশোধের অজুহাতে কমিশন এবং উপঢৌকন হিসাবে হাতিয়ে নিচ্ছে অবৈধ টাকা। এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষা প্রকৌশলী মীর মুহাম্মদ হোসেন (চুন্নু) জানায় আমার বিরুদ্ধে এসব অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ এনে প্রচার করে লাভ নেই। আমি ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতির একজন নেতা, আমার বিরুদ্ধে কোন রকম কথা বলে লাভ হবে না, আমার হাত বহুত লম্বা। প্রধান প্রকৌশলীর সাথে আমার সম্পর্ক ভাল। টাকা খরচ করে আমি সব ম্যানেজ করে ফেলব।


সংশ্লিষ্ট আরও খবর

সর্বশেষ খবর

Today's Visitor