Space For Advertisement

আইপিএইচ স্কুল এন্ড কলেজের অভিভাবক প্রতিনিধি সেলিম আহমেদ রাজু

আইপিএইচ স্কুল এন্ড কলেজের অভিভাবক প্রতিনিধি সেলিম আহমেদ রাজু

--মানব সেবায় নিয়োজিত থেকে জীবনের শেষ দিনটি পর্যন্ত কাটিয়ে দিতে চাই--
বেলায়েত হোসেন : মোঃ সেলিম আহম্মেদ রাজু, সমাজ সেবক, শিক্ষানুরাগী ও একজন সফল ব্যবসায়ী (নিয়মিত আয়কর প্রদানকারী), সমাজ সেবা ও অধিকার বঞ্চিত মানুষের অভিভাবক ও গরিবের বন্ধু। ২০১৪ সালে অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচনে প্রথম নির্বাচিত সদস্য হিসেবে স্কুলের বিভিন্ন প্রকার উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করি। আমার সময়ে আমি চেষ্টা করেছি স্কুলের সমস্ত ভালো কাজ করার। শিক্ষক ও অভিভাবকসহ অন্যান্য সদস্যদের সহযোগিতা ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন সময়ে নিজস্ব অর্থায়নে বৃত্তি প্রদান করেছি। ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করা চেষ্টা করেছি। যেহেতু এলাকায় আমার যথেষ্ট সুনাম আছে, আমার উপর আস্থা ও ভালোবাসা থাকায় আমি নিজ থেকে সবার সহযোগিতায় এগিয়ে আসি। দেখা গেছে কোন কোন গরিব মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের বই কেনার টাকা নেই,  তাদের স্কুল ডেস কেনারমত টাকা নেই। আমি নিজ খরচে তাদেরকে বই খাতাপত্র, বিনা পয়সায় সবরাহ করেছি। স্কুলের প্রতিটি ভালো কাজে আমার অংশগ্রহণমূলক অবস্থান আছে। আমি সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর দুইশত টাকা সদস্য ফ্রি ও হাফ ফ্রি  ফুল ফ্রি ফরম ছিল। সেটাকে কমিয়ে আমি একশত টাকায় আনি। এতে গরিব মেধাবী ছাত্ররা অনেক উপকৃত হয়। প্রথম পর্যায়ে স্কুলের শিক্ষকদেরও বিভিন্ন ভাবে উৎসাহিত করার জন্য সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করি যার কারণে শিক্ষকরাও স্কুলে পাঠদানে উৎসাহ পায়। একারণে ছাত্র-ছাত্রীরা পরীক্ষা ভালো ফলাফল করে। ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় শিশু শ্রেণী থেকে ১০ শ্রেণী পর্যন্ত সম্মলিত মেধা তালিকায় প্রথম থেকে তৃতীয় ছাত্র-ছাত্রীদেরকে সম্মাননা প্রদান করি। এ থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা পড়াশোনায় আরও উৎসাহ পায়।  পরবর্তীতে ২০১৬ সালের নির্বাচনে আমি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় গর্ভনিং বডির সদস্য (প্রাথমিক) নির্বাচিত হই। আমার প্রতি আস্থা ও ভালোবাসা থাকায় আমার প্রতিপক্ষ আর কেউ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে নাই। নির্বাচিত হওয়ার পর আমি নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা চাকরী ছাড়ার পর স্কুল থেকে কোন প্রকার সম্মানী স্বরূপ কোন টাকা পয়সা পেত না। এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা সরকারের থেকেও টাকা পেত আবার স্কুল থেকে ২ লক্ষ করে টাকা পেত। আমি কয়েকটি ক্র্যাটাগরিতে ননএমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ১ লক্ষ টাকা পাওয়ার জন্য অভিভাবক প্রতিনিধি সদস্যদের সাথে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে দেওয়ার প্রস্তাব করেছিলাম, কিন্তু কিছু কিছু সদস্যদের সদয় সম্মতি থাকলেও বাকি যত সামান্য অসাধু সদস্যদের কারণে তার করা সম্ভব হয়নি। আমাকে অর্থ কমিটির সদস্য সচিব করা হয়েছে, কিন্তু অর্থ কমিটির সভায় আমার মতামত নেওয়া হয়নি। বাজেট কমিটির আহ্বায়ক থাকলেও আমাকে বাজেট করতে দেওয়া হয় না। নিয়ম আছে যে, অর্থ কমিটি মাসে অনন্ত একটি অভিভাবক প্রতিনিধি সভা করবে এবং সে সভায় আয় ব্যয়ের হিসাব নিকাশ হবে। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোন মিটিং ডাকা হয়নি। কোন প্রকার বোর্ড মিটিং ছাড়াই উপর মহলের ইশারায় আয় ব্যয়ের হিসাব দেখানো হয়। উন্নয়নমূলক কাজে অনিয়ম দেখা গেলে আমি প্রতিবাদ করায় আমাকে বলা হয় এ বিষয়ে তোমার জানার দরকার নেই। আমাকে অভিভাবকবৃন্দ নির্বাচিত করেছে স্কুলের উন্নয়নের জন্য। আমার কাছে তাদের অনেক প্রত্যাশা, তাই আমি উন্নয়ন মূলক কোন কাজে অনিয়ম-দুর্নীতি দেখলে এর প্রতিবাদ করি। প্রতিবাদ করতে গিয়ে কোন কোন সদস্যদের গলার কাটা হয়েছি। এখন তারা আমার বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। আমাকে সামাজিকভাবে হেয়পতিপন্ন করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। আল্লাহর উপর ও আমার অভিভাবকবৃন্দের উপর আস্থা রাখি তারা যদি আমায় ভবিষ্যতে সহযোগিতা করে আমি সকল ষড়যন্ত্র মুকাবিলা করে আইপিএইচ স্কুল এন্ড কলেজের ও অভিভাবকবৃন্দের আশা পুরণ করতে পরবো। মুক্তখবরের সাথে সাক্ষাতকালে নাম প্রকাশে অনিচ্ছু ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকরা প্রতিনিধিকে জানান, স্কুলে এ ধরনের নৈরাজ্য চলতে থাকলে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনায় ব্যঘাত ঘটবে, বছর শেষে ভালো ফলাফল আশা করা কঠিন হবে। আমরা চাই এ সমস্যার দ্রুত সমাধান হোক, শিক্ষকরা তাদের স্ব-স্ব পাঠদানে মনোযোগি হয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের ভালোভাবে পাঠদান করুন।

 


সংশ্লিষ্ট আরও খবর

সর্বশেষ খবর

Today's Visitor