Space For Advertisement

কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা প্রকল্প (৩য় পর্যায়ের)আওতায় জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা প্রকল্প (৩য় পর্যায়ের)আওতায় জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সজল বরন সসেন, বিশেষ প্রতিনিধি : খাগড়াছড়ি জেলায় কৃষির মাধ্যেমে খাদ্য নিরাপত্তা শতভাগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ ও এসআইডি সিএইচটি-ইউএনডিপি’র যৌথ বাস্তবায়নাধীন কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা প্রকল্প (৩য় পর্যায়) আওতায় জেলা পর্যায়ের সরকারি বিভাগের কর্মর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা পরিষদ সদস্য এডভোকেট আশুতোষ চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যন বাবু কংজরী চৌধুরী, বিশেষ অতিথি হিসেবে জেলা পরিষদ সদস্য বাবুখগেশ্বর ত্রিপুরা,শতরুপা চাকমা,নিগার সুলতানা, পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা টিটন খীসা, ইউএনডিপির জেলা ব্যবস্থাপক প্রিয়তর চাকমা ও প্রকল্পের জেলা কর্মকর্তা শাহজাহান আলী উপস্থিত ছিলেন।

স্বাগত বক্তব্যে নির্বাহী কর্মকর্তা টিটন খীসা বলেন পার্বত্য এলাকার লোকজন শিক্ষা ও দারিদ্রতার কারনে সরকারি বিভাগের সেবা সমূহ সঠিক ভাবে পায় না। কৃষকরা যেন যথাযথ ভাবে সরকারি/বেসরকারি সেবা সমূহ পায় সে লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। কৃষকরা যেন তাদের উৎপাদিত পন্যের ন্যয্য মূল্য পায়, সে বিষয়ে কাজ করতে হবে তাহলেই কৃষকরা তাদের কৃষি পন্যের উৎপাদন বৃদ্ধি ও বাজারজাত করনের মাধ্যমে আর্থিক ভাবে লাভবান হতে পারবে।

সভায় প্রধান অতিথি কংজরী চৌধুরী বলেন, শান্তি চুক্তি মোতাবেক সকল উন্নয়ন কর্মকান্ড পার্বত্য জেলা পরিষদের মাধ্যেমে বাস্তবায়িত হবে। সে অনুযায়ী এ এলাকার প্রান্তিক কৃষকরা যেন তাদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে এবং খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ন হতে পারে সে লক্ষ্যে কাজ করতে হবে।তাহলেই এই এলাকার পিছিয়ে পরা লোকজন তাদের অবস্থার পরিবর্তন করতে পারবে। এ প্রকল্পের ৩য় পর্যায়ের কার্যক্রমের মাধ্যেমে খাগড়াছড়ির ৯টি উপজেলার সকল ইউনিয়নের সর্বমোট ৪০২টি পাড়ার প্রায় ১০,০০০ (দশ হাজার) ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক (নারী-পুরুষ) পরিবারের সার্বিক কৃষিজ উৎপাদন বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃস্টি হবে সেই সাথে খাদ্য নিরাপত্তা অবস্থার উন্নয়ন হবে। এছাড়া কৃষি,মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ বিভাগের পাশাপাশি এ প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকরা বিভিন্ন সুবিধা পাবে, যার ফলে কৃষরা আর্থিক ভাবে লাভবান হবে।

সভাপতির বক্তব্যে এডভোকেট আশুতোষ চাকমা বলেন, প্রান্তিক কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে এবং সরকারি/বেসরকারি সেবা কৃষকদের দোর গোড়ায় পৌছে দিতে হবে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সরকারি বিভাগ (কৃষি ,প্রাণি সম্পদ,মৎস্য) ,উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদ, কৃষি গবেষনা সহ পাড়া পর্যায়ে হেডম্যান, কার্বারী বৃন্দ সহ সকলের অংশগ্রহন থাকবে। তাই তিনি সংশ্লিস্ট সকলকে প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ জানান।

অনুষ্ঠানে কৃষি, মৎস্য, প্রাণি সম্পদ, তুলা উন্নয়ন বোর্ড, হর্টিকালচার, বিএডিসি, কৃষি গবেষনা,আলো, তৃনমূল ,জাবারাং কল্যান সমিতির প্রধানগন উপস্থিত থেকে বিভিন্ন মতামত প্রকাশ করেন এবং প্রকল্পের কার্যক্রমের ভুয়শী প্রশংসা করেন।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের জনসংযোগ কর্মকর্তা চিংলামং মারমা, প্রকল্পের মাস্টার ট্রেইনার-অতিশ চাকমা,জোসী চাকমা,মার্কেট ডেভেলপমেন্ট ফেসিলিটেটর- হ্লাচিংমং মারমা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী মোঃ রবিউল ইসলাম।


সংশ্লিষ্ট আরও খবর

সর্বশেষ খবর

Today's Visitor