Space For Advertisement

ঢাকা কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট অফিসে ঘুষ-দুর্নীতির মহোৎসব!

ব্যবসায়ীরা দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের হাতে জিম্মি

ঢাকা কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট অফিসে ঘুষ-দুর্নীতির মহোৎসব!

রোস্তম মল্লিক : একজন ব্যবসায়ী কোটি কোটি টাকা ব্যাংক ঋন নিয়েই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। তাছাড়া তৈরী পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য নেই কোন চলতি মূলধন, প্রতিটি শিল্প প্রতিষ্ঠান মালিক শ্রমিক মজুরী, বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিলসহ প্রয়োজনীয় চাহিদা মিঠানোর জন্য কমবেশী ক্যাশ এলসির কার্যক্রম করে থাকেন। কারন তারা সঠিক সময়ে এধরনের ফিক্সড খরচ বহন না করলে লেবার অসন্তোষ, ইউটিলিটি সেবা সহ সকল সেবা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়। এমনকি ফ্যাক্টরী ভাংচুরের মত ঘটনাও ঘটতে পারে। সাধারনত রপ্তানী এলসি এসে থাকে ৯০, ১২০ এবং ১৮০ দিনের জন্য। এসময়ের মধ্যে রপ্তানী প্রক্রিয়া শেষ করতে হয়। এর মধ্যে মাস্টার্স এলসির বিপরীতে খুলতে হয় ব্যাক টু ব্যাক এলসিসহ অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা। দেশের জাতীয় আয়ের সিংহভাগ যে তৈরী পোশাক রপ্তানী খাত থেকে আসছে তা আজ সেগুনবাগিচাস্থ কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট দপ্তর কর্তৃক আক্রান্ত। ঘুষ ব্যতিরেকে কেউ কোন কাজ করতে পেরেছে এ ঘটনা এদপ্তরের ইতিহাসে নেই। এধরনের অভিযোগ পাওয়া গেলে অন্যান্য দপ্তরগুলোতে বিভাগীয় মামলা থেকে শুরু করে সকল ধরনের আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ দপ্তরে উল্টোটা। এরা হিং¯্র প্রানীর থেকেও খারাপ। টাকা না পেলে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কারন দর্শানো নোটিশ, ইউপি নিয়ে ঝামেলা সৃষ্টি, লাইসেন্স নবায়ন বন্ধ, প্রাপ্যতা কমিয়ে দেওয়া, নিরীক্ষা আপত্তিসহ নানান অভিযোগ দাঁড় করানো এদপ্তরের কর্মকর্তাদের চিরাচরিত স্বভাব। দাপ্তরিক কর্মকান্ড স্বাভাবিকভাবে পরিচালনার নিমিত্তে প্রতি ০৬ মাস পর পর নথি নং ২ (৭)৮২/ বন্ড কমি:/ আদেশ/২০০১ /পাট-০১/২০০৯/২৭৯৬ তারিখ: ২৯-০৩-২০১৭ ইং এর মাধ্যমে কমিশনার দায়িত্ব বন্টন করে থাকেন। এখানে অনেক চৌকশ ও মেধাবী কর্মকর্তা রয়েছে যাদের সেবা পেয়ে ব্যবসায়ীরা একসময় খুশী হয়েছিল। ভেবেছিল এরা ব্যবসা বান্ধব। অথচ  প্রধান মন্ত্রী ব্যবসায়ীদের ডিজিটাল সেবা দেওয়ার জন্য ওয়ানস্টপ সার্ভিস চালূ করার জন্য বারবার তাগিদ দিলেও এই দপ্তর সেটা পালন করেনি।এরা  বাংলাদেশে অন্য কোন অফিসে ঘুষ প্রদান করেও আপনি এভাবে ভোগান্তিতে  থাকবেন এঘটনা বিরল। আচার ব্যবহার এবং ভদ্রতার ছোঁয়া এদের মধ্যে নেই বললেই চলে। শুধুই একটাই স্লোগান দিয়ে উর্ধŸতন কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে থাকে, “বন্ডের কাপড় ঢাকার ইসলামপুরে পাওয়া যায়”। সেটা প্রতিরোধ করার জন্য কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পন্থা অবলম্বন করতে হবে। ইউপি ইস্যুতে ঘুষ, বন্ড লাইসেন্স ইস্যুতে দুর্ভোগ, নবায়নে হয়রানী, প্রাপ্যতা নিয়ে টানাপোড়ন, নিরীক্ষা করাতে প্রতি ইউডি হিসাবে ঘুষ দাবীসহ আরো নানাবিধ বিড়ম্বনাকে আড়াল করার জন্য এবং নিজেদেরকে অতি দায়িত্বশীল হিসেবে জাহির করাটাই এদের একমাত্র কাজ। তাহলে ঘুষের পরিমানও বেড়ে যাবে। বলার কেউ নেই, দেখার কেউ নেই এবং শোনারও কেউ নেই। কারন, যার কাছে বলবেন সেই কমিশনারই একেই পথের পথিক। সাবেক কমিশনার ফৌজিয়া ম্যাডামের সময়কালীন এই দপ্তরের কর্মকর্তাদের কোন নির্দেশ দেওয়া মাএই হুকুমের তালিম করতে ব্যস্ত হয়ে যেতেন। এখন দেখি সেটা চোখে পড়ার মত না। বর্তমান কমিশনারের আদেশ নির্দেশ অনেক অধস্তন: তোয়াক্কা করছেন না। যেখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ব্যবস্থা এবং ওয়ানস্টপ সার্ভিসসহ সূখী সম্বৃদ্ধ দেশ গঠনে মরিয়া, সেখানে হয়রানী এবং খোলামেলা ঘুষের মহোৎসব চলছে এই অফিসে।  প্রজাতন্তের কর্মচারী হয়ে অশালীন আচরণ, হয়রানী, ফাইল নিয়ে সময় ক্ষেপন, রাজস্ব আদায়ের গতি মন্থর, রপ্তানী বাণিজ্যকে নিরুৎসাহিত করে বৈদেশিক মুদ্রা আহরনে বাঁধা প্রদানসহ আরো অজানা অনেক বিড়ম্বনা, যা দেখে একজন সচেতন নাগরিকও চুপ থাকতে পারবেনা। এই অফিসে যারা চাকুরী করেন তাদের বেতনের টাকা  মোটেই খরচ হয় না। কেননা প্রতিদিন যে পরিমান টাকা ঘুষ পান তা দিয়েই এদের সকল বিলাসিতা সমাপ্ত হয়ে যায়। একমাত্র এদের কারণেই ব্যবসায়ীরা দিন দিন ঋনগ্রস্ত হচ্ছেন। অন্যদিকে এরা দিন দিন বিশাল অর্থেও পাহাড় গড়ছেন। এর ফলে সমাজে ক্রমান্বয়ে সৃষ্টি হচ্ছে শ্রেণী বৈষম্য। অথচ রাজস্ব বোর্ডসহ সংশ্লিষ্টদের এই ব্যাপারে কোন ধরনের ভূমিকা এবং পদক্ষেপ চোখে পড়ার মত নেই বললেই চলে। 
যাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ : এই অফিসের যে সব কর্মকর্তা ও কর্মচারী  বেপরোয়া ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত তারা হলেন: যুগ্ম কমিশনার, মোঃ খায়রুল কবির মিয়া-(মাথায় হাত-দায়িত্ব থেকে কিছুটা ছিটকে পড়েছেন) শুধু খাই খাই স্বভাব, -এস আলী উইভিং (এক্সেসরিজ) নামে এক প্রতিষ্ঠানের নবায়ন এবং প্রাপ্যতা নিয়ে দীর্ঘ ৫ মাস কালক্ষেপন করেন)। মোঃ সামছাদ হোসেন,রাজস্ব কর্মকর্তা-(অতিজ্ঞানী-এজেন্ট হিসেবে কাজকরা স্বভাব)- এস আলী উইভিং (এক্সেসরিজ) নামে প্রতিষ্ঠানটিতে প্যাচ লাগিয়ে উর্ধ্বতনদের প্রিয় হয়েছেন) উপ-কমিশনার (সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত), ইমাম গাজ্জালী-বন্ড লাইসেন্স শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত (নারায়নগঞ্জ সহ ঢাকার দক্ষিনাঞ্চল-ঢাকা কাস্টমস হাউস থেকে প্রচুর অর্থ হাতরিয়ে নিয়ে এখন ভাবেসপ্তমী-নীরব কৌশল অবলম্বন করেন, ব্যবহার খুবই খারাপ। ঢাকা কাষ্টমস হাউজের উপ-কমিশনার, আব্দুল আলীমসহ দু-জনে আম্বার ডেনিমের ফাইল আটকিয়ে টাকা হাতানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে পরে সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠান মেসার্স সাহাবুদ্দিন এন্টারপ্রাইজ এর স্বস্তাধিকারী থেকে নগদে ১ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহন করেন। সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) লাইসেন্স শাখার মাহবুব আলমভাবেই অন্যরকম-ঘুষ খাওয়ার জম।সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) লাইসেন্স শাখার আল আমিন-এক প্রতিষ্ঠানের বন্ড লাইসেন্স পাইয়ে দিবে বলে ২-৩ লাখ টাকা নিয়েছেন।  যোগাযোগ না করলে ফাইল এগোয় না, তার বক্তব্য।সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) লাইসেন্স শাখায় মোঃ জয়েন উদ্দিন, সদ্য যোগদানকৃত, না আসতে খাই খাই। এছাড়া প্রায় সকলেই একই রকম। কয় জনের কথা লিখব? প্রবাদ রয়েছে,“সকল শরীরে ক্ষত, ঔষধ দিব কত”? অন্য শাখার সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও)-মৌসুমী আকতার-বেতন পান প্রায় ৩০,০০০/-টাকা । অথচ বন্ড অফিস সংলগ্ন ইষ্টার্ন হাউজিং এর এ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া নিয়েছে ৩০,০০০/-টাকার উর্ধেŸ।  তাহলে সংসার খরচসহ অন্যান্য ব্যয়ের অর্থ কোন উৎস হতে আসে? তাছাড়া প্রতিদিন নতুন নতুন পোশাক পরে অফিসে আসেন। সেই টাকাইবা পান কোথায়? সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) রাবেয়া-বনশ্রী থাকেন মাথায় হেজাব পরেন অথচ ঘুষ ছাড়া কিছুই বুঝেন না।  বদলীকৃত রাজস্ব কর্মকর্তা ইয়াজদানীসহ প্রাপ্যতার নামে অনেক টাকা হাতিয়েছেন। একই অবস্থা সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) নুসরাত কবির, ফারজানা জামান, লিলি বিশ্বাসদেরও। সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) সালাউদ্দিন সরকার-শুক্রবার বন্ধের দিন পরিদর্শন দেখিয়ে এবং ০৩ লাখ টাকা ঘুষ প্রদান করে নাই বিধায় ডায়মন্ড কার্টুন ফ্যাক্টরী নামে এক প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করে ব্যবসা বন্ধ করে দিয়েছেন। অতিরিক্ত কমিশনার মিয়া মোঃ আবু ওবায়দার পিএ, সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) হিমেল যে কোন ফাইল আসলে টাকা না দিলে আপনাকে বিভিন্ন অশালীন কথা বলে নাজেহাল করেন। এছাড়া যুগ্ম-কমিশনারের পিএ রবিউল এবং সাদা পোশাকধারী সিপাহী মাথায় সার্বক্ষনিক টুপি দিয়ে থাকেন ।তার থ্যাই গ্লাসকৃত রুমে নিয়ে ঘুষ নেওয়ার দৃশ্য চোখে পড়ার মত। মাস্টার রোলে লাইসেন্স শাখায় কম্পিউটার কম্পোজে অর্থাৎ নোটশীট প্রস্তত করে, মোঃ নাসির-লাইসেন্স নিতে হলে তাকে মোটা অংকের অর্থ প্রদান করতে হবে। তার প্রতিদিন রোজগার কমপক্ষে ২০,০০০/-টাকা। জানা যায়, ঢাকা শহরে নিজস্ব আবাস স্থলের ব্যবস্থা হয়ে গেছে তার। সে বিভিন্ন কর্মকর্তাদের এজেন্ট হয়ে কাজ করে এবং তাদের সাথে নিবীড় সম্পর্ক রয়েছে। গত ০৬-০৫-২০১৮ইং তারিখে অত্যন্ত চৌকশ এবং বিচক্ষন চেয়ারম্যান আকস্মিকভাবে বন্ড কাষ্টমস অফিস পরিদর্শন কালে দু:খের সাথে বললেন, এই দপ্তরের সিপাহী থেকে শুরু করে সকলেরই বাড়ী গাড়ীসহ প্রচুর অর্থভিত্ত রয়েছে, যা আমি এত উচ্চপদে চাকুরী করেও কিছু করতে পারিনি।এ দপ্তরে নামে মাত্র নাগরিক সেবার একটি চিত্র প্রদান করা হয়েছে, যা অদ্যাবধি বাস্তবায়ন হয়নি। যা নিম্নরূপ : ০১ বন্ড লাইসেন্স প্রদান ১০-১৫দিন (পূর্ণাঙ্গ দলিলাদি প্রাপ্তি সাপেক্ষে) কমিশনার ০২ বন্ড লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানের অডিট ০৫-১০দিন (পূর্ণাঙ্গ দলিলাদি প্রাপ্তি সাপেক্ষে) অতি:/যুগ্ম কমিশনা০৩ বার্ষিক আমদানী প্রাপ্যতা ০৫-১০দিন (পূর্ণাঙ্গ দলিলাদি প্রাপ্তি সাপেক্ষে অতি:/যুগ্ম কমিশনা ০৪ মালিকানা পরিবর্তন অনুমোদন ০৩-০৫ দিন (পূর্ণাঙ্গ দলিলাদি প্রাপ্তি সাপেক্ষে) অতি:/যুগ্ম কমিশনার ০৫ কারখানার ঠিকানা পরিবর্তন ০৭-১০দিন (পূর্ণাঙ্গ দলিলাদি প্রাপ্তি সাপেক্ষে) অতি:/যুগ্ম কমিশনার ০৬ লিয়েন ব্যাংক সংযোজন/পরিবর্তন ০১-০২ দিন বিভাগীয় কর্মকর্তা ০৭ ব্যাংক গ্যারান্টি অবমুক্তকরণের লক্ষ্যে প্রত্যয়নপত্র ইস্যুকরণ ০২-০৩ দিন অতি:/যুগ্ম কমিশনার ০৮ ইনডেমনিটি বন্ড অবমুক্তির লক্ষ্যে প্রত্যয়নপত্র ইস্যুকরণ ০৫-০৭দিন বিভাগীয় কর্মকর্তা ০৯ ইউপি ইস্যুকরণ ০১-০২দিন সহকারী/উপকমিশনার ১০ বিদ্যমান বন্ড লাইসেন্সে নতুন মেশিনারিজ ও কাচামাল সংযোজন এবং এর বিপরীতে আমদানী/স্থানীয় ক্রয় এর প্রাপ্যতা নির্ধারণ ০৩-০৫দিন কমিশনার/অতিরিক্ত কমি:/যুগ্ম কমি: ১১ জেনারেল বন্ড সম্পাদন/নমুনা স্বাক্ষর সত্যায়নকরণ ০১-০৩ দিন বিভাগীয় কর্মকর্তা ১২ সি এন্ড এফ লাইসেন্স প্রদান (ইপিজেড এলাকার জন্য) ১৫-২০(পূর্ণাঙ্গ দলিলাদি প্রাপ্তি সাপেক্ষে) অতিরিক্ত কমিশনার ১৩ সি এন্ড এফ লাইসেন্স নবায়ন ০৩-০৫ দিন অতিরিক্ত কমিশনার । এই ধরনের সেবা আদৌ কোন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান পেয়েছে কিনা আমাদের জানা নেই  এটা শুধুমাত্র লোক দেখানো সেবার চার্ট বলে মনে করা হচ্ছে।আপনি যদি কোন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের একজন প্রতিনিধি হয়ে থাকেন, তাহলে বিষয়টি কতযে অমানবিক তা সহজে বুঝতে পারবেন। কারন প্রতিষ্ঠানের একজন কমার্শিয়াল প্রতিনিধি বন্ডে সারাদিন বসে থাকে, তার কাঙ্খিত কার্যক্রম সম্পন্ন করে প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে খুশী করবে, আর এখানে উল্টোটা। জানা যায়, অনেকে চাকুরী হারিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে গ্রামের বাড়ীতে চলে গিয়েছেন। কারণ যথাসময়ে কাস্টমস বন্ড থেকে কাজ করিয়ে আনতে না পারায় তার চাকুরী চলে যায়। সকালে এ দপ্তরের কর্মকর্তা এবং কর্মচারীরা অফিসে আসে শুধুমাত্র গাড়ী ভাড়া নিয়ে, আর বিকেলে বাসায় ফিরে পকেট ভর্তি অবৈধ অর্থ নিয়ে।(চলবে


সংশ্লিষ্ট আরও খবর

সর্বশেষ খবর

Today's Visitor