Space For Advertisement

রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে চ্যালেঞ্জের মুখে এনবিআর

রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে চ্যালেঞ্জের মুখে এনবিআর

ঢাকা, সোমবার, ০৫ নভেম্বর ২০১৮ (অর্থনৈতিক ডেস্ক) : অর্থ বছরের প্রথম প্রান্তিকে প্রায় সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকার বিশাল ঘাটতিতে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে এনবিআর। বিগত পাঁচ বছরে প্রথম তিনমাসে গড়ে প্রায় ১৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হলেও এ বছর প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫.২২ শতাংশ। এই প্রেক্ষাপটে রাজস্ব আয় কম হওয়ার কারণ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি ঘাটতি পূরণে তৎপরতা বাড়িয়েছে এনবিআর। বিশ্লেষকরা বলছেন, এডিপি বাস্তবায়ন না হওয়া এবং রাজস্ব ফাঁকি রোধ ও বকেয়া আদায়ে ব্যর্থতা ঘাটতির বড় কারণ।  

গেল দুই বছরে সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রাও অর্জন করতে পারেনি এনবিআর। এরপরেও চলতি অর্থ বছরেও ৩২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরে এনবিআরকে ২ লাখ ৯৬ হাজার ২০১ কোটি টাকার বিশাল রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা দেয় সরকার। এর মধ্যে অর্থ বছরের প্রথম তিন মাসে লক্ষ্য ছিল ৫৭ হাজার ২৪৮ কোটি টাকা আদায়ের। বিপরীতে আহরণ হয়েছে ৪৫ হাজার ৫৪৪ কোটি টাকা। প্রতি অর্থ বছরের শুরুতে স্বাভাবিকভাবেই রাজস্ব আদায় কম হয়। তবে এবার ব্যবধান বেশি হওয়ায় উদ্বিগ্ন এনবিআর।

রেজাউল হাসান, সদস্য, এনবিআর বলেন, যেগুলো প্রতিষ্ঠান ফাঁকি দেয় বলে সুনাম আছে সেখানে নজরদারি বৃদ্ধি করা উচিত। সিগারেট বিড়ির ক্ষেত্রে ব্যান্ড্রোড ফাঁকি পাওয়া যায়। উৎপাদন পর্যায়ে যেসব ট্যাক্স আছে সেখানে সঠিক মূল্যের ভিত্তিতে তারা পণ্য সরবারহ করছেন কিনা এগুলো তদারকি করতে হবে। 

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি থেকে কোন রাজস্ব না পাওয়া, কিছু ক্ষেত্রে কর ছাড় এবং তামাক খাত থেকে আদায় কম হওয়াকে রাজস্ব ঘাটতির কারণ বলে মনে করেন কর্মকর্তারা।


নির্বাচনী বছরে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কিছুটা প্রভাব ফেললেও বকেয়া আদায় ও শুল্ক ফাঁকি রোধে এনবিআরকে আরো তৎপর হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। তবে রাজস্ব আদায় বাড়াতে নানা পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানায় এনবিআর।


তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায় বিগত ৫ বছরে এ সময়ে গড়ে প্রায় ১৪ শতাংশ রাজস্ব আয় বাড়লেও এবার বেড়েছে মাত্র ৫ দশমিক দুই দুই শতাংশ। মূসক থেকে সবোর্চ্চ রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা দেয়া হলেও প্রথম প্রান্তিকে সবচেয়ে কম রাজস্ব এসেছে এই খাতে। প্রত্যাশিত রাজস্ব আসেনি কাস্টম হাউস থেকেও।  


সংশ্লিষ্ট আরও খবর

সর্বশেষ খবর

Today's Visitor