Space For Advertisement

আশুলিয়ায় গণধর্ষণের পর নারীর মৃত্য

আশুলিয়ায় গণধর্ষণের পর নারীর মৃত্য

ওবায়দুর রহমান লিটন :  ঢাকার অদূরে আশুলিয়ায় মাহফুজা আক্তার নাজমা (১৮) নামের এক নারী পোশাক শ্রমিককে গণধর্ষণের একদিন পর তার রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হতভাগিনী নাজমা পাবনা জেলার সাথিয়া থানার পূর্বভবানিপুর গ্রামের আবু হানিফের মেয়ে। সে ঢাকার আশুলিয়া থানাধীন জামগড়া রুপায়ন গেইট এলাকায় বাবা-মায়ের সাথে থেকে স্থানীয় একটি তৈরি পোশাক কাঁরখানায় সুইং অপারেটর হিসেবে কাজ করে আসছিলেন। এ ঘটনায় জড়িত থানার অভিযোগে পুলিশ আব্দুর রহিম নামের একজনকে আটক করেছে।  সোমবার (৭ জানুয়ারি) সকালে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার স্থানীয় নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতাল থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে আশুলিয়া থানা পুলিশ। এর আগে রবিবার দুপুরে আশুলিয়া থানায় ধর্ষণের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন নির্যাতনের শিকার ওই নারী। আটক আবদুর রহিম পাবনা জেলার সাথিয়া থানার পিপুলিয়া গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে।  নিহত নারীর লিখিত অভিযোগে দেখা যায়, আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার একটি পোশাক কারখানা থেকে সন্ধ্যায় ছুটি শেষে বের হয়ে যাওয়ার পথে শিপন ও রিপনসহ আরও দুই বখাটে তাদের গতিরোধ করে। পরে তাদের সহায়তায় রিপন তাকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে।  নিহত ওই নারীর মা আফরোজা বেগমের দাবি, গত শনিবার সন্ধ্যায় আশুলিয়ার গোরাট এলাকার পোশাক কারখানা থেকে ছুটি শেষে কথিত প্রেমিক রহিম তাকে কৌশলে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। পরে আরও দুইজন মিলে ওই নারীকে ধর্ষণ করে। এদিকে গতকাল সকালে নির্যাতনের শিকার ওই নারী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয় নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।  নিহতের বাবা আবু হানিফ জানান, শনিবার রাতে মেয়ে ফোন করে টাকা চায় ও বলে তাকে বাঁচাতে হলে দ্রুত যেন টাকা পাঠায়। পরে রাতে অপরাধীরা তার মেয়েকে বাসার সামনে ফেলে দিয়ে যায়। আমি এ ঘটনার উপযুক্ত বিচার চাই। অপরাধীদের ফাঁসি চাই। এদিকে ধর্ষণের ঘটনায় লিখিত অভিযোগের মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে যাই। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করি।  এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জাবেদ মাসুদ জানান, এ ঘটনায় ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে। তবে ধর্ষণের ঘটনা ও মৃত্যুর কারণ এখনো নিশ্চিত নয়। বিস্তারিত তদন্ত ও ময়নাতদন্ত শেষে বলা যাবে।

 


সংশ্লিষ্ট আরও খবর

সর্বশেষ খবর

Today's Visitor