বৃহস্পতিবার, ২১শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং

মঠবাড়িয়ায় নলকূপের পাইপ দিয়ে গ্যাস উদগিরন

মুক্তখবর :
এপ্রিল ১১, ২০১৯
news-image

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি :  পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার গুলিসাখালী ইউনিয়নের হোতখালী গ্রামের এক গৃহস্থ বাড়ির গভীর নলকূলের পাইপ দিয়ে গ্যাস উদগিরন হচ্ছে। হস্তচালিত গভীর নলকূপের পাইপের এ গ্যাস দিয়ে সংশ্লিষ্ট পরিবারের রান্না-বান্নার কাজ চলে আসছে। অনুসন্ধানের অভাবে গত ১৮ বছর ধরে গ্যাসের সম্ভাবনাও চাপা পড়ে রয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে জানাগেছে, উপজেলার হোতখালী গ্রামের হাজী বন্দে আলী পহলানের মেয়ে রেনু পহলান গত ১৮ বছর আগে বসতবাড়ির উঠানে সুপেয় পানির জন্য একটি গভীর নলকূল স্থাপন করেন। মাটির গভীরে পানির পাইপ বসানোর সময় পাইপ ফেঁটে শো শো শব্দে উদগিরনসহ বুদবুদ উঠতে থাকে। পরে মাটির নিচে গ্যাসের অস্তিত্ব টের পেয়ে ওই গৃহস্থ পাইপের মুখে আগুন ধরলে গ্যাসে আগুন জ¦লে ওঠে। এরপর গৃহকর্তৃ বুদ্ধি খাটিয়ে টিউবওয়েলের গোড়ায় পাইপ লাগিয়ে মাটির তলা থেকে বসতঘরের রান্নার চূলায় সংযোগ দেন। এভাবে প্রায় আড়াই বছর পরিবারের দৈনন্দিন রান্নার কাজ চলে প্রাকৃতিক গ্যাসে। ঘটনা জানাজানি হলে গ্রামবাসি রেনু পহলানের বাড়ি ভীর করেন। গ্রামের অনেকেই ভয়ভীতি দেন গ্যাসের আগুনে এলাকায় বড় ধরনের অগ্নিকান্ডে ঘটনা ঘটতে পারে এমন ভয়ে রেনু পহলান গাসের পাইপ বন্ধ করে দেন। গৃহকর্তৃ রেনু পহলান বলেন, ১৮ বছর আগে নলকূপ বসাতে গিয়ে এ গ্যাসের সন্ধান পাই। পরে প্রায় আড়াই বছর নিয়মিত রান্না বান্না করি। গ্রামের মানুষের ভয়ভীতিতে আগুন জ¦ালানোর কাজ বন্ধ করি। এতবছর ধরে এখানে অনবরত গ্যাস বের হচ্ছে সরকারিভাবে পরীক্ষা করলে মানুষ ও দেশের কাজে লাগতেও পারে। স্থানীয় ইউপি সদস্য ফারুক ফরাজি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ১৮ বছর ধরে আজ অবধি এ গ্যাস বের হচ্ছে। সরকার অনুসন্ধান করে দেখলে গ্যাসের সন্ধান মিলতে পারে। মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জি. এম. সরফরাজ বলেন, গ্যাস উদগিরণের বিষয়টি জানা নেই। তবে বিষয়টি যেহেতু জনগুরুত্বপূর্ণ খোঁজ খবর নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।