সোমবার, ২৬শে মে, ২০১৯ ইং

দুর্গাপুরে কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ, ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা

মুক্তখবর :
এপ্রিল ২৩, ২০১৯
news-image

দুর্গাপুর(নেত্রকোনা)প্রতিনিধি : জেলার দুর্গাপুরে কাজের মেয়েকে দুই সন্তানের পিতা মোস্তফা(৩৫) কর্তৃক জোরপূর্বক এক কিশোরী(১৮) ধর্ষণের ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষিত কিশোরী এখন ৬মাসের অন্তঃসত্ত্বা । ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান ভিকটিমের অভিভাবক সবুজ মিয়া। অভিভাবক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গাওঁকান্দিয়া ইউনিয়নের কানাইল গ্রামের মৃতঃ ইউসুফ আলীর পুত্র কানাইল সরকারী স্কুেলর সহকারী শিক্ষক মর্জিনা খাতুনের স্বামী, দুই সন্তানের জনক মোস্তফা ওই কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে,কিশোরী এখন ৬মাসের অন্তঃসত্ত্বা। ভিকটিমের পরিবার একই গ্রামের অত্যন্ত দরিদ্র হওয়ার সুবাধে ঐ মোস্তফার বাড়ীতে ঝি-এর কাজ করতো কিশোরীটি। সেই সুবাধে বিয়ে করবে বলে নানান প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করে মোস্তফা। ধর্ষণের বিষয়টি গতকাল রোববার জানাজানি হলে এলাকায় ধ্রুমজাল সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নানা উপায়ে মিমাংসার চেষ্টা করে কথিপয় ব্যক্তিরা। কিশোরীর গর্ভে আসা শিশুটিকে মেরে ফেলার জন্যে নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করে ধর্ষকের পরিবার ও স্থানীয় একটি প্রভাবশালীমহল। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন একটি চক্র। কোন সুরাহা না পেয়ে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দুর্গাপুর থানায় সোমবার সন্ধ্যায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন বলে জানা গেছে। ভিকটিমের বাবা প্রতিনিধিকে জানান,আমি নদীতে মাছ ধরে সংসার চালাই। আমার মেয়ের এরকম সর্বনাশ করলো ওই মোস্তফা।আমি তার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকী দিচ্ছে ওর হাত নাকী অনেক লম্বা। আমার বিরুদ্ধে মামলা করে যা করতে পারস কর গিয়ে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মোতালেব বলেন,ধর্ষণের ঘটনার সত্যতা রয়েছে।আমিই থানায় ভিকটিমকে পাটিয়েছি।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত মোস্তাফার নিকট মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি এ ঘটনার সাথে জড়িত নই। আপনারা যা পারেন লিখেন গিয়ে মিয়া। দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান বলেন ঘটনার কথা শুনেছি। অভিযোগ পেলেই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।