শনিবার, ২৪শে আগস্ট, ২০১৯ ইং

সেহরিতে খাবারদাবার

মুক্তখবর :
মে ১৩, ২০১৯
news-image

ঢাকা, সোমবার, ১৩ মে ২০১৯ (লাইফস্টাইল ডেস্ক) :  রমজানে সেহরির খাবারের গুরুত্ব অনেক বেশি। অনেকেই মনে করেন, সারাদিন রোজা থাকতে হবে যেহেতু, সেহেতু এ সময়ে পরিমাণের চেয়ে একটু বেশিই খেয়ে নেওয়া উচিত। অন্যদিকে কেউ কেউ আবার একেবারেই খেতে চান না।

আসলে সেহরি খাওয়ার ক্ষেত্রে এ দুটো কাজই ক্ষতিকর। কারণ অতিভোজনে পেটে হতে পারে গ্যাস বা ডায়রিয়া। আবার একদম না খেয়ে রোজা রাখার ফলে রোজাদার ব্যক্তির শরীর ক্রমে দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়াও শরীরে সোডিয়াম ও পটাশিয়াম কমে ইলেকট্রেলাইটস ইমব্যালান্স হওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে। এদিকে যাদের ডায়াবেটিস আছে, তাদের রক্তে চিনির পরিমাণ কমে গিয়ে হাইপোগ্লাইসেমিয়া হওয়ার আশঙ্কা প্রবল থাকে।

অর্থাৎ সুদীর্ঘ উপবাস দেহের বিপাকক্রিয়ায় বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। দেহের গ্লুকোজ ক্ষয় হয় বলে সহজেই ক্লান্তি আসে। এতে দিনের স্বাভাবিক কাজকর্ম যথাযথভাবে সম্পন্ন করা যায় না। তাই সেহরির খাবার হবে অন্যান্য দিনে দুপুরে যে পরিমাণ খাবার খাওয়া হয়, ঠিক ততটুকুই।

এ সময় এক কাপ দুধ খেতে পারলে সবচেয়ে ভালো হয়। ইফতারিতে তেলের পরিমাণ বেশি থাকে বলে রাতের খাবার ও সেহরিতে কম তেলের রান্না করা খাবার খাওয়া উচিত। সবশেষে বলা যায়, রমজানে অত্যন্ত গুরুপাক ও দামি খাবারের বদলে সহজলভ্য, সহজপাচ্য, পুষ্টিকর, রুচিকর ও জলীয় খাবার খেলে পুরো রমজান সুন্দর এবং সুস্থভাবে কাটানো সম্ভব।

লেখক : চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ ও ফ্যাকো সার্জন; সাবেক বিভাগীয় প্রধান চক্ষুরোগ বিভাগ, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল চেম্বার : আল-রাজী হাসপাতাল, ফার্মগেট, ঢাকা ০১৫৫২৪০৯০২৬, ০১৭১০৭৩৬০০৮