সোমবার, ১৯শে আগস্ট, ২০১৯ ইং

মানবাধিকার কর্মীকে ধর্ষণকারী ও সহযোগীদের অবিলম্বে গ্রেফতার এবং ন্যায় বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

মুক্তখবর :
মে ১৩, ২০১৯
news-image

মোঃ আরিফুল ইসলাম : রবিবার সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা এলাকায় নারী  মানবাধিকার কর্মীকে ধর্ষণকারী ও সহযোগীদের অবিলম্বে গ্রেফতার এবং ন্যায় বিচারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন মোঃ আলমগীর সেলিম মহাসচিব (হিউম্যান রিসোর্স এন্ড হেল্থ ফাউন্ডেশন), মোঃ জাহাঙ্গীর আলম খান চেয়ারম্যান (বাংলাদেশ স্বাস্হ্য এন্ড পরিবেশ মানবাধিকার সাংবাদিক সোসাইটি), জেসাস তুহিন ( দপ্তর সম্পাদক – বাংলাদেশ রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন) সহ আরো অনেকে। কেরানীগঞ্জ মডেল থানা এলাকায় গত ২০/০৪/১৯ দুপুর ০১.০০ ঘটিকার সময় আরশীনগর এলাকায় স্যুয়ারেজের লাইনের কাজকে কেন্দ্র করে ঠিকাদার আমির হোসেনের কাছে স্থানীয় চাঁদাবাজরা ০৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। টাকা না পেয়ে ঠিকাদার আমির হোসেন ও মধু হাজীর ছেলে হাবিবের শ্রমিকদের মারধর করে কাজ বন্ধ করে দেয়। দুই পক্ষে উত্তেজনা বিরাজ মুহুর্তে পথচারী এক মানবাধিকার নারী কর্মী শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি কেরানীগঞ্জ মডেল থানাকে অবগত করে। তখন চাঁদাবাজদের ওৎপেতে থাকা লোকজন জেনে যায় পুলিশকে খবর দেয়ার কথা। ঐ মুহুর্তে চাঁদাবাজ হায়দার, হানিফ, ফারুক, ইকবাল, রফিক, শফিক, এনামুল ও বাবুলসহ ২০/৩০ জন পুনরায় হামলা করে শ্রমিকদের সহ মানবাধিকার নারী কর্মীকেও মারধর সহ শ্লীলতাহানি করে। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে আহত নারীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। পরবর্তীতে ঐ নারী থানায় মামলা করতে গেলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ শালিশ মিমাংসার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মামলা থেকে বিরত রাখে। এক পর্যায়ে তিনদিন পর গত ২৪/০৪/১৯ তাং রাতে তাহার বোনের বাসায় যাওয়ার পথে উক্ত মানবাধিকার কর্মীকে ঘাটারচর এলাকায় এক পেয়ে আটক করে নির্জন জায়গায় নিয়ে যায় এবং তাকে ধর্ষণ করে। পর দিন কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ ঘটনার বিষয় জানতে পেরে ভিকটিমকে বাদী করে থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করে। মামলা হওয়ার পরেও আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরাফেরা করে ভিকটিমকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়া আসছে। অজ্ঞাত কারণে পুলিশ আসামীদের গ্রেফতার করছে না বলে ভিকটিমের অভিযোগ। তবে ধর্ষক ও সহায়তাকারীরা কেউ গ্রেফতার না হলে ভিকটিম ও তাহার পরিবারের যে কাউকে হায়দার বাহিনী গং হত্যা সহ বড় ধরনের ক্ষতি সাধন করতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। কেরানীগঞ্জ থানার মামলা নং ৪৫, তাং ২৫/০৪/১৯ ইং, ধারা- ৩২৩/৩৫৪/৩৭৯/৫০৬ পেনাল কোড তৎসহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন/২০০০ (সংশোধনী-২০০৩) এর ৯(১)/৩০।