বুধবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং

বাগেরহাট পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু

মুক্তখবর :
মে ২৩, ২০১৯
news-image

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০১৯ (নিজস্ব প্রতিনিধি) : বাগেরহাটের মোল্লাহাটে নবনির্মিত মধুমতি ১০০ মেগাওয়াট হেভি ফুয়েল অয়েল পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে এপ্রিলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন প্রকল্প পরিচালক। তবে স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পর জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন জনপ্রতিনিধিরা।ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেডের আওতায় ২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারি বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার মধুমতি নদী সংলগ্ন এলাকায় মধুমতি ১০০ মেগাওয়াট হেবি ফুয়েল অয়েল পাওয়ার প্ল্যান্টের জন্য জমি বরাদ্দ দেয় জেলা প্রশাসন। ভূমি উন্নয়ন শেষে একই বছরের ১০ মে চীনা ঠিকাদার কোম্পানি ‘সিএনসি’ এ প্রকল্পের কাজ শুরু করে।

এরই মধ্যে জাতীয় গ্রিডে সঞ্চালনের জন্য গোপালগঞ্জ গ্রিডের সাব-স্টেশন পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হয়েছে। ১০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে অতিরিক্ত আরো ৮ মেগাওয়াট জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করারও প্রক্রিয়া চলছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করতে পেরে সন্তুষ্ট সংশ্লিষ্টরা।

উপবিভাগীয় প্রকৌশলীরা জানান, এই প্রকল্পটির কাজ অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ করা হয়েছে। সেই সাথে শুরু থেকে পুরোপুরি লোডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে আসছি।

তবে স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পর জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিনুল আলম ছানা। তিনি বলেন, বাগেরহাটে সাধারণ মানুষের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করার পর জাতীয় গ্রিডে সেটি দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন মধুমতি ১০০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্টের প্রকল্প পরিচালক মো. তানবীর রহমান। তিনি বলেন, আমরা এই প্রকল্প থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছি। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্যাপাসিটি ১০৫ মেগাহার্টস হলেও আমরা ১০৮ মেগাহার্টস বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পেরেছি জাতীয় গ্রিডে। মোল্লাহাট উপজেলার প্রায় ১৬ একর জমির উপর নির্মিত হয়েছে ‘মধুমতি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি’। যার নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা।