মঙ্গলবার, ১৭ই জুন, ২০১৯ ইং

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা ঐহিত্যবাহী সদর বাজারের বেহাল দশা

মুক্তখবর :
মে ২৬, ২০১৯
news-image

 শেরপুর ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি: শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলা ঐতিহ্যবাহী বাজারটি থেকে প্রতি বছর প্রায় দেড় কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের বাজারটির বেহাল দশা। কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে ড্রেনেস ব্যবস্থা ভাল না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই বাজারের অবস্থা বেহাল হয়ে পড়ে। অলি-গলির পানি চলে আসে রাস্তায় জমা হয়। আর জমে থাকা পানি নামতে সময় লাগে অন্তত ৩/৪ ঘন্টা। আর পানি নেমে গেলেও থেকে যায় ড্রেনের ময়লা আর আবর্জনা। তাই চলাচলের রাস্তাটি কর্দমাক্ত হয়ে চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়ে। উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে বাজারের কিছু অংশে ড্রেনের সংস্কার কাজ করলেও দীর্ঘদিন যাবত ড্রেনগুলো পরিস্কার না করার ফলে পানি নিষ্কাষন হচ্ছে না। ফলে অলি-গলির পানি রাস্তার উপরে চলে আসে। এতে চরম ভোগান্তিতে রয়েছে ক্রেতা-বিক্রেতা। উল্লেখ্য, প্রতি বছর এই বাজারটি থেকে সরকার প্রায় দেড় কোটি টাকার উর্ধ্বে রাজস্ব আয় করে থাকে এবং ঝিনাইগাতী উপজেলার সবচাইতে ঐহিত্যবাহী গুরুত্বপূর্ণ ক্রয়-বিক্রয়ের স্থান। অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং রাস্তা-ঘাটগুলি পূন: মেরামত না করায় ক্রেতা-বিক্রেতাসহ সাধারণ মানুষের চরম দূর্ভোগের মধ্যে পড়তে হচ্ছে। হাজার হাজার ক্রেতা-বিক্রেতাসহ সাধারণ মানুষের পয় নিষ্কাষনের জন্য পর্যাপ্ত টয়লেট ব্যবস্থা নেই, একই সাথে খাবার পানির জন্য কোন টিউবওয়েল নেই। এছাড়া মাছ ও মাংস বাজারের আবর্জনা, মল-মূত্র, রক্ত জমাট পানি নিষ্কাষনের ব্যবস্থা না থাকায় দূর্গন্ধে দোকানীরা চরম দূর্ভোগে পড়েছে। এদিকে কর্তৃপক্ষের কোন নজর নেই। অবিলম্বে উক্ত ঐতিহ্যবাহী ঝিনাইগাতী সদর বাজারটির নানামুখি সমস্যাগুলির দাবী জানিয়েছে অত্র বাজারের স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ক্রেতা-বিক্রেতারা। প্রকাশ থাকে যে, ঝিনাইগাতী বাজারটি যে পরিমাণ রাজস্ব পাই তার প্রায় ৪৫% রাজস্ব গরুর বাজার থেকে আসে। অথচ এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ গুরুর বাজারে পানি নিষ্কাষনের কোন ব্যবস্থা নেই। সামান্য বৃষ্টিতেই হাটু পানি জমে থাকে। কর্তৃপক্ষের কোন নজর নেই। ফলে চরম দূর্ভোগে রয়েছে ক্রেতা-বিক্রেতা। এছাড়া ঝিনাইগাতী ব্রীজ রোডের ওই একই অবস্থা। নেই পানি নিষ্কাষন ব্যবস্থা। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই হাটু পানি জমে থাকে। আর পানি শুকাতে সময় লাগে ১০/১৫ দিন।