শুক্রবার, ১৪ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং

রোহিঙ্গাদের কারণে হুমকির মুখে স্থানীয় শ্রমবাজার

মুক্তখবর :
জুলাই ১১, ২০১৯
news-image

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০১৯ (নিজস্ব প্রতিনিধি): মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গার কারণে হুমকির মুখে স্থানীয় শ্রমবাজার। নানা উপায় অবলম্বন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেকপোস্ট ফাঁকি দিয়ে ক্যাম্প থেকে পালিয়ে স্বল্পমূল্যে শ্রমের কাজ করছে রোহিঙ্গারা।

সব ধরণের শ্রমের কাজে রোহিঙ্গারা ঢুকে পড়ায় বেকার হয়ে পড়ছে স্থানীয় শ্রমিকরা। এ অবস্থায় রোহিঙ্গাদের নির্ধারিত স্থানে রাখা ও চেকপোস্টগুলোর নজরদারি বাড়ানোর দাবি সংশ্লিষ্টদের। ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের নির্দিষ্ট সেইফটি জোনে রাখার জন্য সরকারকে চিঠি দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সংযোগ সড়কের নির্মাণ কাজ করছেন কিছু শ্রমিক। তবে তারা কেউ কক্সবাজারের স্থানীয় নয়, সবাই রোহিঙ্গা শ্রমিক। উখিয়া ও টেকনাফের ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে চেকপোস্ট ফাঁকি দিয়ে স্বল্পমূল্যে শ্রমের কাজ করছেন তারা।

শুধুমাত্র মেরিন ড্রাইভ সংযোগ সড়কের নির্মাণ কাজে নয়; শুটকি মহাল, চায়ের দোকান, গ্যারেজ, রিক্সা কিংবা ইজিবাইক চালক প্রায় সব ধরণের শ্রমের কাজে জায়গা করছে নিচ্ছে রোহিঙ্গারা। ফলে বেকার হয়ে পড়ছেন স্থানীয় শ্রমিকরা।

তাই চেকপোস্টগুলোর নজরদারি বাড়ানো ও রোহিঙ্গাদের নির্ধারিত স্থানে রাখার দাবি জানালেন এ শ্রমিক নেতা। ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র কলিম উল্লাহ, যুগ্ম আহ্বায়ক বলেন, সরকারী যেসব চেকপোস্ট রয়েছে সেগুলোতে আরো কঠোর অবস্থানে নিয়ে যেতে হবে। এছাড়া রোহিঙ্গাদের নির্দিষ্ট একটি জায়গায় রাখতে হবে।

অবশ্য জেলা প্রশাসক জানালেন, ক্যাম্প ছেড়ে পালাতে না পারে সে জন্য ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের নির্দিষ্ট সেইফটি জোনে রাখতে সরকারকে চিঠি দেয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, আইনশৃঙ্গলাবাহিনী চেষ্টা করছে, যে রাস্তা দিয়ে আসছে সেখানে বাঁধা দেয়ার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।জেলার শ্রমিক সংগঠনগুলো দেয়া তথ্য মতে, কক্সবাজারের ৮টি উপজেলায় প্রায় ৮ লাখের বেশি শ্রমজীবী মানুষ রয়েছেন।

সূত্র : সময় সংবাদ