শুক্রবার, ২১শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং

ছয় রান দিয়ে আম্পায়ার বিচারে ভুল করেছেন: টাফেল

মুক্তখবর :
জুলাই ১৬, ২০১৯
news-image

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯ (স্পোর্টস ডেস্ক): বিশ্বকাপ ইতিহাসের ফাইনাল তো বটে, ওয়ানডে ইতিহাসের সেরা ম্যাচ উপহার দিয়েছে লর্ডসের ফাইনাল। মাঠে রোমাঞ্চ ও নাটকীয়তার অভাব ছিল না। পরতে পরতে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের হৃদয় ভেঙে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জিতেছে ইংল্যান্ড। কিন্তু এতসবের পরেও বিতর্কিত হয়ে থাকল ২০১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালটি! ১০০ ওভার ও সুপার ওভার শেষেও ফল না হওয়ায় বাউন্ডারির হিসেবে এগিয়ে থাকায় শিরোপা জিতেছে স্বাগতিক ইংলিশরা। সেই বিতর্ক তো আছেই, সঙ্গে যোগ হয়েছে শেষ ওভারে ওভার থ্রো থেকে পাওয়া ইংল্যান্ডের অতিরিক্ত চার রান।

কিউইদের দেওয়া ২৪২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ ওভারে ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ১৫ রান। ট্রেন্ট বোল্টের করা ওভারটির চতুর্থ বলে দৌড়ে দুই রান নেন বেন স্টোকস ও আদিল রশিদ। কিন্তু ডিপ মিড উইকেট থেকে মার্টিন গাপটিলের থ্রো করা বলটি স্টোকসের ব্যাটে লেগে সীমানা পার করে। আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা ২+৪ মিলিয়ে ৬ রান দেন ইংল্যান্ডকে। আর তাতেই বড় বাঁচা বেঁচে যায় স্বাগতিকরা। অবশ্য স্টোকসের এখানে দায় ছিল না। কেননা তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যাট লাগাননি।

এই ওভার থ্রো’র রান নিয়েই বিতর্ক চলছে ক্রিকেট বিশ্বে। সাবেক অস্ট্রেলিয়ান আম্পায়ার সাইমন টাফেল জানালেন, ৫ রানের পরিবর্তে ৬ রান দিয়ে আম্পায়ার ‘বিচারে ভুল করেছেন’। দ্য এ্যজ এবং সিডনি মর্নিং হেরাল্ডকে টাফেল বলেন, ‘এটা পরিস্কার ভুল… এটা বিচারের ভুল। তাদেরকে (ইংল্যান্ড) ছয় রান নয়, পাঁচ রান দেওয়া উচিত ছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘রান নেওয়ার সময় ব্যাটসম্যানরা কিভাবে ছিল তা আম্পায়াররা দেখেছেন। কিন্তু বল থ্রো করার সময় ব্যাটসম্যানরা কোন অবস্থায় ছিল তাদের এটাও দেখার দরকার ছিল। আম্পায়ারদের সিদ্ধান্ত ভুল ছিল।’

‘ওভার থ্রো বা ফিল্ডারদের ইচ্ছাকৃত কাজ’ নিয়ে এমসিসি’র ১৯.৮ অনুচ্ছেদে আছে, ফিল্ডারদের ইচ্ছাকৃত কোনোকিছু বা ওভার থ্রো বাউন্ডারি পার হলে তা বাউন্ডারির হিসেবে সেই রান যোগ করা হবে। সঙ্গে যোগ করা হবে ব্যাটসম্যানরা কত রান নিয়েছেন। এক্ষেত্রে অবশ্যই ব্যাটসম্যানদেরকে একে অপরকে পার হয়ে যেতে হবে।

এই আইন নিয়েই বেধেছে বিপত্তি। রিপ্লেতে দেখা যায়, দ্বিতীয় রানটি নেওয়ার সময় স্টোকস ও আদিল একে অপরকে পার করেননি। গাপটিল যখন বল থ্রো করছিলেন তখন আদিল স্ট্রাইকে এবং স্টোকস নন স্ট্রাইকে ছিলেন। আইনের দৃষ্টিতে বিচার করলে ২ রানের পরিবর্তে ১ রান দিতে হবে। কিন্তু ম্যাচ আম্পায়াররা তৃতীয় ও টিভি আম্পায়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ইংল্যান্ডকে ২ রান দেন।