শনিবার, ২৪শে আগস্ট, ২০১৯ ইং

কাপাসিয়ায় সাংবাদিকদের সাথে মৎস্য অফিসের মতবিনিময় সভা

মুক্তখবর :
জুলাই ১৭, ২০১৯
news-image

কাপাসিয়া (গাজীপুর ) প্রতিনিধি: মাছ চাষে গড়বো দেশ বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ১৭ – ২৩ জুলাই ২০১৯ মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে গাজীপুরের কাপাসিয়া সংবাদ সম্মেলন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাস্তবায়নে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা দপ্তরে ১৭ জুলাই বুধবার সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ অনুষ্ঠান হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসা: ইসমত আরা, আরো অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কাপাসিয়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার মোঃ আশরাফুল্লাহ, সহকারী মৎস্য অফিসার জহিরুল আলম, সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আবু সাঈদ, ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট মজিবুর রহমান, অফিস সহকারি হামিদা আক্তার, দৈনিক আমার সংবাদের প্রতিনিধি সঞ্জীব কুমার দাস, দৈনিক ভোরের কাগজের প্রতিনিধি নুরুল আমীন সিকদার,দৈনিক যায়যায়দিনের প্রতিনিধি শাকিল হাসান, দৈনিক ভোরের পাতার প্রতিনিধি আসাদুল্লাহ মাসুম, দৈনিক খোলা কাগজের প্রতিনিধি শরিফ সিকদার, দৈনিক মুক্ত খবরের স্টাফ রিপোর্টার মোঃ আকরাম হোসাইন হিরন, দৈনিক আলোকিত সকালের প্রতিনিধি শামীম শিকদার প্রমুখ। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসমত আরা বলেন মৎস্য সেক্টরে সম্বৃদ্ধি সুনীল অর্থনীতির অগ্রগতি। মৎস্য সম্পদের স্বয়ং সম্পূর্ণতা অর্জনের মাধ্যমে মাছ এখন বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে দেশের জিডিপিতে মৎস্য খাতের অবদান মোট জিডিপির ৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ হয়েছে।১৯৮৩- ৮৪ অর্থবছরে যেখানে মাছের মোট উৎপাদন ছিল ৭ দশমিক ৫৪ লক্ষ মেট্রিক টন, ৩৫ বছরের তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে বর্তমানে ৪২ দশমিক ৭৭ লক্ষ মেট্রিক টন। বর্তমান সরকারের অব্যাহত প্রচেষ্টা মৎস্য সম্পদ বর্তমানে হয়ে উঠেছে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনেরও অন্যতম হাতিয়ার। মৎস্য এবং প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে বিশ্বের ৫০টি দেশে মৎস্য ও মৎস্য জাতীয় পণ্য রপ্তানি করে চলতি২০১৮- ১৯ অর্থবছরে প্রথম ১১ মাসে বাংলাদেশ আয় করেছে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা।
গাজীপুর জেলার আয়তন ১৭৭০.৫ বর্গ কি.মি. জনসংখ্যা ৩৪.০৪ লক্ষ, পুকুর দীঘী১৫০০১টি, (আয়তন ৪০০২ দশমিক ৯৮ হেক্টর) প্লাবন ভূমি(২৩২১৫.৪৮ হেক্টর) নদী ১০টি( ১৭৫৩ হেক্টর) খাল বরোপিট ১১৩টি( ৩৫৬ হেক্টর,) বিল ৩৬৮টি( ১৭১৭ হেক্টর) ধান ক্ষেতে মাছ চাষ সামাজভিত্তিক সহ ৫৭৩ টি (৩১৯৭ হেক্টর)পেন কালচার ৮৭ টি( ৫৮৮ হেক্টর)বেসরকারি হ্যাচারী ৩টি, বেসরকারি নার্সারি ১০৩টি, মৎস্য খাদ্য উৎপাদন কারখানা ৩৯টি, মৎস্য খাদ্য আমদানী-রপ্তানী কারক ২০ টি, মৎস্য খাদ্য বিক্রেতা খুচরা ও পাইকারী ১২৩ টি জেলের সংখ্যা ৭১২২ জন, মৎস্য বাজার ১৫৬টি, মৎস আড়ত ১০৩ টি,। মাছের চাহিদা৬০,৩১২.৬০ মেট্রিক টন, মোট উৎপাদন ৫১৪৩৪ মেট্রিক টন, ঘাটতি ৮৮৭৮ মেট্রিক টন।  গাজীপুর জেলার মাছের ঘাটতি প্রধান কারণ হলো অপরিকল্পিত শিল্পায়ন ও শিল্প বজ্র রাসায়নিক কেমিক্যাল জেলার নদ নদী সহ প্রাকৃতিক জলাশায় পানি সাথে মিশে যাওয়ায় এবং নদী খাল ভরাট ও দূষণে ফলে মাছ চাষের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।ফলে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও বিচরণ ক্ষেত্রে দিন দিন কমে যাওয়ায় প্রাকৃতিক মাছ উৎপাদন কমে যাচ্ছে।