সোমবার, ১৯শে আগস্ট, ২০১৯ ইং

জাল নোট শনাক্তে পশুর হাটে বিশেষ কন্ট্রোল বুথ

মুক্তখবর :
আগস্ট ৬, ২০১৯
news-image

ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৬ আগষ্ট ২০১৯ (নিজস্ব প্রতিনিধি) : জমে উঠেছে লালমনিরহাটের কোরবানির পশুরহাটগুলো। অর্থ লেনদেনের সময় যাতে কেউ প্রতারণার শিকার না হন সেজন্য জাল নোট শনাক্তে হাটগুলোতে বসানো হয়েছে বিশেষ কন্ট্রোল বুথ। কন্ট্রোল বুথে পুলিশের পাশাপাশি রয়েছে ব্যাংকের কর্মকর্তা ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা। নিরাপদ কেনাকাটায় জেলার ছোট-বড় প্রায় সব হাটে নেওয়া হয়েছে পর্যাপ্ত পুলিশি ব্যবস্থা। নিরাপত্তা জোরদার করায় জেলার হাটগুলোতে ভিড়ছেন সারা দেশের পাইকাররা। তারা এসব হাট থেকে পশু কিনে ট্রাকে করে নিয়ে যাচ্ছে দেশের বড় বড় পশুর হাটগুলোতে। তবে জেলার অধিকাংশ পশুর হাটে লাগামহীনভাবে বেড়েছে ইজারা মূল্য। ফলে অনেক খামারি তাদের পশু হাটে না নিয়ে পাইকারদের কাছে কম দামে বিক্রি করছে বলে অনেকের দাবি। জানা যায়, শুধুমাত্র ক্রেতার কাছে গরু-মহিষ প্রতি ৩০০ টাকা এবং ছাগল-ভেড়া প্রতি ৬০ টাকা রশিদ মূল্যে ইজারা আদায় করবে জেলার সব হাটের ইজারাদাররা। কোনোভাবেই ইজারা ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের কাছে আদায় করা যাবে না। তবে সরকারি এই বিধি কাগজ কলমেই সীমাবদ্ধ। ঈদকে পুঁজি করে জেলার সব পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের কাছ থেকে গরু-মহিষ প্রতি ৫-৬শ’ টাকা এবং ছাগল প্রতি দুই থেকে ২৫০ টাকা আদায় করা হচ্ছে বলে ক্রেতা-বিক্রেতাদের অভিযোগ। এদিকে, অতিরিক্ত ইজারা বন্ধে কিছু কিছু পশুর হাটে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে জরিমানা আদায় করছেন জেলা প্রশাসন। তবে সেটা লোক দেখানো বলেও মন্তব্য করেছেন অনেকে। তাদের দাবি ভ্রাম্যমাণ আদালত যতটুকু সময় থাকেন শুধুমাত্র সেই সময় নির্ধারিত মূল্যে ইজারা আদায় হয়। আবার ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করে চলে গেলে ইজারা মূল্য আরও বেড়ে যায়। সম্প্রতি জেলার বড় পশুর হাট তিস্তা ও দুরাকুটি হাটে অভিযান চালিয়ে অতিরিক্ত ইজারা আদায়ের অপরাধে দুই হাটের ইজারাদারের কাছে ২৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জি আর সরোয়ার। তবে শুধু জরিমানা না করে অতিরিক্ত ইজারা আদায়কারীর ইজারা বাতিল করার দাবি স্থানীয়দের। লালমনিরহাট পুলিশ সুপার এসএম রশিদুল হক  বলেন, ঈদে পশুর হাটে চুরি, ছিনতাই, অজ্ঞান পার্টির খপ্পর রোধে ও জাল নোট শনাক্তে জেলার প্রতিটি হাটে কন্ট্রোল রুথ বসানো হয়েছে। হাটে যতক্ষণ ক্রয়-বিক্রয় চলে ততক্ষণে চালু থাকে পুলিশ কন্ট্রোল বুথ। এছাড়াও ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ করতে সড়ক মহাসড়ক ও স্টেশনগুলোতে রয়েছে ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ বুথ।