শুক্রবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং

রুপগঞ্জে দলের নাম ভাঙ্গিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের অভিযোগ

মুক্তখবর :
আগস্ট ১৭, ২০১৯
news-image
ঢাকা, শনিবার, ১৭ আগষ্ট ২০১৯ (নিজস্ব প্রতিবেদক):

রুপগঞ্জের গাউছিয়া গোলাকান্দাইল নাগেরবাগ বউ বাজার এলাকায় সন্ত্রাসীদের তান্ডব চলছে। সন্ত্রাসীরা এলাকার সাধারন জনগনের কাছ থেকে চাঁদাবাজিসহ নানান অপকর্ম চালিয়ে আসছে। এছাড়া হুমকীর মুখে জনগনকে হয়রানী করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বর্তমান সরকার দলীয় নাম ভাঙ্গিয়ে একের পর এক অপরাধ কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে মো: ইকরাম (২৪), পিতা: মো: মফিজ, মো: অলি (৩০), পিতা: মো: খবির, মো: বিদ্যুৎ (২৪), পিতা: মনসুর, মো: হাসিফ (২৩), পিতা: মো: আইয়ুব আলী, মো: রানা (২০), পিতা: মো: খবির। এদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে অনুসন্ধানে জান যায়। আর এলাকায় দিনের পর দিন ঊঠতি বয়সের ছেলেদের হাতে তুলে দিচ্ছে ভয়ঙ্কর মাদক। এদের সেল্টারদাতা হিসেবে হীরার নাম বলেছে এলাকাবাসী। এদিকে গত ২৫/০৬/১৯ ইং তারিখে মসজিদের ইমাম মো: শফিকুল ইসলাম তাদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে বাধা দেওয়ায় তার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তিনি আহত হন। এছাড়া নিরহ মানুষের বসত ভিটা অস্ত্রের মূখে চাাঁদা আদায় করছে প্রতিনিয়ত। এমন অপকর্মের স্বাক্ষী প্রতক্ষ্যদর্শী ও এলাকাবাসী। এ বিষয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতিক (এম.পি) নিকট এলাকাবাসির ২৩০ জন ভূক্তভোগী স্বাক্ষর দিয়ে গত ২৮/০৬/১৯ ইং তারিখে মো: শফিকুর ইসলাম একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এবিষয়ে হিরা বলেন, আমি মন্ত্রী মহোদয়ের অফিসে চাকরী করি। আপনার যদি কিছু করার থাকে করেন। তিনি আরো বলেন, তিনি সব জানেন। তবে উপরোক্ত নামধারী ব্যক্তিদের সম্পর্কে আপনারা যতটুকু জেনেছেন তা অনেকটাই সত্যি। তবে তাদেরকে আমি কোন সেল্টার দেই না। কারন তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। অথচ এলাকাবাসি বলেন, হিরার সেল্টারেই সব কিছু হচ্ছে। তা না হলে তাদের এমন কোন সাহস নেই যে, মাদক কিংবা সাধারন মানুষের সম্পত্তি দখল বা চাঁদা তুলতে পারে। কারন যখন সন্ত্রাসী বাহিনী এলাকায় চাঁদা তুলতে আসেন তখন তার নামটি আগে প্রকাশ করেন এবং বলেন, আমরা আওয়ামী লীগের লোক। তাদের তাড়নায় এলাকাবাসী আজ অনেকটাই অসহায়। এদিকে মাননীয় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতিক (এমপি) বলেন, অপরাধী যেই হোক না কেন বা আমার নাম ভাঙ্গিয়ে যারা এসব করছে তাতে আমার জনপ্রিয়তার মান ক্ষুন্ন হচ্ছে। অভিযোগ পেলে হিরাকেও ছাড় দেওয়া হবে না। তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে। আমি আমার এলাকার প্রশাসনকে বলে দিয়েছি আমার নির্বাচনী এলাকায় যারা দলীয় নাম ভাঙ্গিয়ে বা আমার নাম ব্যবহার করে থাকে তাৎক্ষনিক তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিবেন। এলাকায় কোন মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যুদের স্থান নেই। রুপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মাহামুদুল হাসান বলেন, এধরনের অপরাধীরা কোনভাবেই ছাড় পাবে না। সে যেই হোক না কেন। আমি জানি রুপগঞ্জে বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকান্ড হচ্ছে। তাই আমি আমার পুলিশ বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছি কোন অপরাধীকে ছাড় দিবেন না। আমাকে না পেলে প্রয়োজনে এসপি মহোদয়কে জানাবেন। তবে কারো নাম ভাঙ্গিয়ে অপরাধ করলে তাকেও ক্ষমা করা হবে না। আইনের মাধ্যমে তাদের শাস্তি পেতে হবে। তাই আমার থানার পুলিশ বাহিনীকে ঢেলে সাজানো হয়েছে অপরাধ দমনে।