বুধবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং

শান্ত-রাাব্বির ব্যাটে সিরিজে ফিরলো স্বাগতিক ইমার্জিংরা

মুক্তখবর :
আগস্ট ২২, ২০১৯
news-image

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২২ আগষ্ট ২০১৯ (স্পোর্টস ডেস্ক): চামিন্দা ভাসের অনুমানই ঠিক হলো। প্রথম ম্যাচে ১৮৬ রানের বড় জয়ের পরও দ্বিতীয় খেলার আগে এ লঙ্কান গ্রেট বলেছিলেন, স্বাগতিক ইমার্জিং দল কিন্তু ঘুরে দাঁড়াতে পারে। আমি ও আমার দল আত্মতৃপ্তির ঢেঁকুর তুলছি না। বাংলাদেশ ইমার্জিং দল সিরিজে ফিরে আসতে পারে।

হলোও ঠিক তাই। এইচপির তরুণরা ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছে। প্রথম ম্যাচে বোলিং ও ব্যাটিং অনুজ্জ্বলতা-দুর্বলতা কাটিয়ে দ্বিতীয় খেলায় বল ও ব্যাট হাতে নিজেদের মেলে ধরে ২ উইকেটের দারুণ এক জয় নিয়ে মাঠে ছেড়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, ইয়াসির রাব্বি-আরাফাত মিশুরা।

অধিনায়ক শান্ত আর মিডল অর্ডার ইয়াসির রাব্বির চওড়া ব্যাটেই ধরা দিয়েছে কাঙ্খিত জয়। তাদের দুজনার এক পার্টনারশিপে জয়ের পথে বহুদূর এগিয়ে গেছে স্বাগতিক ইমার্জিংরা।

লক্ষ্য ছিল ২৭৪ রানের। তৃতীয় উইকেটে নাজমুল হোসেন শান্ত আর ইয়াসির রাব্বির ১২০ রানের পার্টনারশিপেই বাংলাদেশ ইমার্জিং দল পেয়েছে জয়ের ভীত। অধিনায়ক শান্ত ৮৮ বলে ৭৭ (নয় বাউন্ডারি ও এক ছক্কা) এবং ইয়াসির রাব্বি পাঁচ ছক্কা আর তিন বাউন্ডারিতে ৯৩ বলে ৮৫ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংস উপহার দিলে স্বাগতিকরা জয়ের পথে এগিয়ে যায়।

শেষ দিকে পেসার আরাফাত মিশু দুই ছক্কায় মাত্র তিন বলে ১২ রানের হার না মানা ইনিংস খেললে ২ উইকেট হাতে রেখে তিন বল আগেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় শান্তর বাহিনী।

এখন আগামী ২৪ আগস্ট খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি সিরিজ নির্ধারণী লড়াই হয়ে গেল। সিরিজে ১-১ এ সমতা। শেষ ম্যাচের জয়ীরাই হবে সিরিজ বিজয়ী।

আগের ম্যাচের আলগা ও লক্ষ্যহীন বোলিং বাদ দিয়ে এদিন বোলাররাও তুলনামূলক নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে লঙ্কানদের ২৭০‘র (২৭৩ অলআউট) বেঁধে রাখেন। সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন স্পিনার নাইম হাসান। বোলিংয়ের সূচনা করতে গিয়ে ১০ ওভারে ৩৫ রানে দুই উইকেট দখল করেন এ অফস্পিনার। অন্যদিকে পেসার শফিকুল ৫১ রানে পতন ঘটান তিন উইকেটের।

তাদের সাঁড়াশি বোলিংয়ের মুখেও লঙ্কান ওপেনার পাঠুম নিশাঙ্কা (৫৫), অধিনায়ক চারিথ আশালাঙ্কা (৪৫), মিডল অর্ডার কামিন্দু মেন্ডিস (৬৫) এবং ফাস্ট মিডিয়াম বোলার জেহান ড্যানিয়েল ৪২ রান করেন।

সে তুলনায় বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের ওপেনার সাইফ (২৭), নাইম শেখ (৫) ও আফিফ হোসেন ধ্রুব (১৮) তেমন কিছু করতে পারেননি। অধিনায়ক শান্ত আর ইয়াসির রাব্বি শক্ত হাতে হাল না ধরলে নির্ঘাত এ ম্যাচেও হারের তেঁতো স্বাদ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হতো স্বাগতিক তরুণদের।