বুধবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং

ভোলায় একাধিক মিথ্যা মামলায় ব্যবসায়ীকে হয়রাণীর অভিযোগ

মুক্তখবর :
আগস্ট ৩১, ২০১৯
news-image

নুরে আলম ফয়জুল্লাহ : ভোলা সদর উপজেলায় ক্রয়কৃত জমি দখল করতে ইট ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে হয়রাণী করে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে শাহে আলম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। ইতোমধ্যে শাহে আলমদের দায়েরকৃত একাধিক মামলা আদালতে মিথ্যা প্রমানিত হওয়ায় মামলা খারিজ করে দিয়েছেন বিচারক। এর পরও ওই ভূমিদস্যু গ্রুপ ইট ব্যবসায়ী আমির হোসেনকে জমি ছেড়ে না দিলে হত্যা মামলা দেয়ার হুমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আমির হোসেন অভিযোগ করে বলেন, একই ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের রুস্তম আলীর ছেলে শাহে আলম ও কাশেম আলীর ছেলে আকবর হোসেন তার ক্রয়কৃত দখলীয় ২.৭৬ শতাংশ জমি দখল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ মিমাংশা হলেও তারা কোনো ওই জমির বৈধ কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে এই গ্রুপটি আমার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলায় আমাকে জেলে পাঠিয়েছে। এসকল মামলা স্থানীয় অনেক লোককেও জেল খাটিয়েছে তারা।  আমির আরো বলেন, শাহে আলম তার স্ত্রী ও মেয়েকে দিয়ে এলাকার মানুষকে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা দিয়ে হয়রাণী করে আসছে। এছাড়াও শাহে আলম কিছু মামলায় ভূয়া বাদি সাজিয়ে মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রাণী করেন বলে জানিয়েছেন একাধিক ভুক্তভোগী।
এ সকল মামলার মধ্যে ভোলা থানার ২০১৬ সালের জিআর ২১৫/১৬ নং মামলাটি বিগত ০২ মার্চ ২০১৭ইং সালে আদালতে মিথ্যা প্রমানিত হওয়ায় ১১জন আসামীকে মামলা থেকে অব্যহতি দিয়েছে বিচারক। ২০১৬ সালের ভোলা থানার জিআর ২২০/১৬, জিআর ৩২৩/১৬, জিআর ৩১৬/১৬ নং মামলাটিও আদালতে মিথ্যা প্রামানিত হয়। শাহে আলম গংদের দায়েরকৃত মামলার মধ্যে ২০১৬ সালের ভোলার থানার জিআর ৪০৪/১৬ নং মামলাটি ভোলা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।  আমির হোসেন জানান, শাহে আলম গংদের এ সকল মামলা মিথ্যা প্রমানিত হওয়ায় তারা নতুন করে মামলা দেয়ার ষড়যন্ত্র করে আসছে।  এমনটি তারা আবারও নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মিথ্যা মামলা দায়ের করবে বলেও হুমকি দিয়ে আসছে। তাতেও কাজ না হলেও পরিবারের কোনো সদস্যকে জবাই করে হত্যা মামলার আসামী করে জেল খাটানোর কথা বলে আসছে। এব্যাপারে অভিযুক্ত শাহে আলমের মোবাইলে একাধিকবার চেষ্টা করেও বন্ধ পাওয়া যায়। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ফারুক জানান, আমির হোসেন ও শাহে আলম গংদের সাথে দীর্ঘ দিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এটি নিয়ে বেশ কয়েকবার সালিশ বৈঠক হয়েছে। উভয় পক্ষের কাগজপত্র একজন আইনজীবীর মাধ্যমে যাচাই বাচাই করে আমির হোসেনের কাগজপত্র সত্য বলে প্রমানিত হয়েছে।