বৃহস্পতিবার, ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং

নকশার বিচ্যুতি করে ভবন নির্মাণকরছেন দক্ষিনখানের মোস্তাফিজ

মুক্তখবর :
সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৯
news-image

বেইজমেন্ট ব্যতীত ৬তলার স্থলে ৭তলা
শিমুলী ইসলাম নীলু: রাজউকের আইন অমান্য করে নকশার বিচ্যুতি করে বেইজমেন্ট ব্যতিত ৬ তলার স্থলে ৭ তলা করে ভবন নির্মাণ করছেন দক্ষিনখান থানা রোডের মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউক মহাখালী জোন-৪/৩ এর আওতাধীন দক্ষিনখান থানাধীন, নদ্দাপাড়া ক্লাব মোড়ের দক্ষিন পাশে, দক্ষিনখান থানা রোড, দক্ষিনখান মৌজাস্থ, সি এস দাগ নং-২৭২৬ (অংশ),আর এস দাগনং-৬৫৪৪,৬৫৪৫(অংশ)এম এস.দাগ নং-১৪৮৪৫(অংশ) এর ৩ কাঠা জমির উপর বেইজমেন্ট ব্যতীত মোট ৬ তলা আবাসিক ভবনের নকশার অনুমোদন নিয়ে ৭ তলা ভবন নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন দক্ষিনখান থানা রোডের মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান। রাজউকের নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে ও নির্মীতব্য ভবনের সামনে তথা দক্ষিনপাশে প্রায় ৩/৪ফিট, পূর্ব পাশে ৩/৪ ফিট,পশ্চিমে ২/৩ফিট, উত্তরে
পাশে ১/১.৫ফিট ডেভিয়েশন করে নিজেদের ইচ্ছেমত ভবন নির্মানের কাজ সুকৌশলে দ্রুত গতিতে চালিয়ে যাচ্ছেন দক্ষিনখান থানা রোডের মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান । সরেজমিনে অনুসন্ধানে বেড়িয়ে এসেছে নানা তথ্য। রাজউকের অনুমোদন নিয়ে ইতিমধ্যে নির্মান কাজ প্রায় শেষ করে চলেছেন ভবন মালিক। আইন অনুযায়ী ঢাকা শহরের প্রায় ১৫২৮ বর্গকিলোমিটারের মধ্যে ইমারত নির্মাণের জন্য নকশা অনুমোদন প্রয়োজন। অনেকের নকশার অনুমোদন আছে। কিন্তু রাজউকের নির্দেশনা মানছেনা দক্ষিনখান এলাকার বিভিন্ন প্লট মালিকরা। প্লট মালিকেরা রাজউকের প্রচলিত নিয়মের তোয়াক্কা না করেই ভবন নির্মাণ করছে। এতে ইমারত নির্মাণ আইনের স্পষ্ট ব্যত্যয় ঘটছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। দেখা যাচ্ছে, অধিকাংশ বাড়ির নকশা থাকলেও টাউন ইমপ্রুভমেন্ট অ্যাক্ট-১৯৫৩, বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন অ্যাক্ট-১৯৫২ ও ঢাকা মহানগর ইমারত (নির্মাণ, উন্নয়ন, সংরক্ষণ ও অপসারণ) বিধিমালা-২০০৮ অনুসারে ভবন নির্মান করছেন না অনেকেই। ইমারত নির্মান এর ব্যত্যয় ঘটিয়ে ভবনের চতুর পাশে ডেভিয়েশন করে ৬ তলার স্থলে ৭ তলা করে ভবন নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। মানছেন না কোন নিয়ম কানুন। ’নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন পথচারীরা জানান, ডেভিয়েশন করে এভাবে ৬তলার স্থলে৭ তলা করে ভবন নির্মানের কারনে যেকোন সময় রানা প্লাজার মত বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে,এমনকি বনানীর ১৭ নং রোডের এফ আর টাওয়ারের মত ঘটনাও ঘটতে পারে। এ বিষয়ে ভবন মালিকের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন এখানে রাজউক থেকে প্রধান ইমারত পরিদর্শক কাউসার ৪/৫বার এসেছেন। কিন্তু তিনি আমাদের নকশা দেখেছেন তবে নকশার বিচ্যুতি সর্ম্পকে আমাদেরকে কখনো কিছুই বলেননি। আমরা রাজউকের সাথে কথা বলে আমাদের ব্যাপারটা মিটিয়ে নিয়েছি। ভবনের তথ্য সংগ্রহ করে আসার পর সন্ধ্যার দিকে এ প্রতিবেদকের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে হুমকির স্বরে কোন একজন ডিআইজির ছোট ভাইয়ের পরিচয়ে ফোন করে বলে আপনি এ ভবনে কেন আসছেন? আপনি আর কখনো এ ভবনের সর্ম্পকে জানতে আসবেন না এবং আপনি কোন সংবাদ প্রকাশ করবেন না। সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে দেশ জাতি ও উক্ত দপ্তরের সকলের নজরে আসবে ৬ তলার স্থলে রাজউকের নিয়ম বহির্ভূতভাবে ৭ তলা করা হয়েছে। রাজউক মহাখালী জোন-৪/৩ এর দায়িত্বে নিয়োজিত অর্থোরাইজড অফিসারের ব্যবহৃত মোবাইলে বারবার ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভড করেননি।