বৃহস্পতিবার, ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং

রাজউকের অনুমোদনের তোয়াক্কা না করেই নির্মিত হচ্ছে মাতুয়াইলের সাউথ প্লাজা

মুক্তখবর :
সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৯
news-image

শিমুলী ইসলাম নীলু: রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ “রাজউক” মতিঝিল জোন-৬ এর আওতাধীন ডেমরা থানাস্থ মাতুয়াইল, নিউটাউন এলাকার ব্লক-বি, রোড় নং-১ এর (হাজী বাদশামিয়া রোড) রাশেদিয়া জামে মসজিদ ও মাদ্রাসা সলগ্ন পশ্চিম পাশের ১৪ কাঠা জমির উপর অবৈধ ভাবে ১১তলা ও বেইজমেন্ট সহ মোট ১২ তলা করে সাউথ প্লাজা নামক একটি আবাসিক ভবনের নির্মাণ কাজ চলমান রেখেছেন ভবন মালিক সিরাজ ও কাদের গংরা। রাজউকের নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে নির্মিতব্য ভবনের দক্ষিনপাশের সরকারী রাস্তা দখল ও রাজউকের নিয়ম অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্থ হিসেবে যে ৬/৭ ফিট জায়গা ছাড়ার কথাছিল তা না ছেড়ে প্রায় ১০/১১ফিট রাস্তা দখল করে রেখেছেন এই ভবন মালিকগন। তা ছাড়াও পশ্চিম পাশে পরিমান মত জায়গা না ছেড়ে উল্টো প্রায় ৩/৪ফিট, পূর্ব পাশেও প্রায় ৩/৪ ফিট, উত্তরে ও দক্ষিনপাশেও প্রায় ৪/৫ ফিট ডেভিয়েশন করে ভবন নির্মানের কাজ সুকৌশলে দ্রুত গতিতে চালিয়ে যাচ্ছেন সাউথ প্লাজা নামক বহুতল ভবনের মালিক সিরাজ ও কাদের গংরা। সরেজমিন অনুসন্ধানে বেড়িয়ে এসেছে এসব তথ্য। রাজউকের নিয়ম অনুযায়ী ঢাকা শহরের প্রায় ১৫২৮ বর্গকিলোমিটারের মধ্যে ইমারত নির্মাণের জন্য নকশা অনুমোদন প্রয়োজন। নকশার অনুমোদন থাকা সত্বেও রাজউকের নির্দেশনা মানছেনা ডেমরা থানাস্থ মাতুয়াইল, নিউটাউন এলাকার বিভিন্ন প্লট মালিকরা। প্লট মালিকেরা রাজউকের প্রচলিত নিয়মের তোয়াক্কা না করেই ভবন নির্মাণ করছে। এতে ইমারত নির্মাণ আইনের স্পষ্ট ব্যত্যয় ঘটছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। রাজউকের আইন অনুযায়ী বৃহত্তর ঢাকা শহরের প্রায় ১৫২৮ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ইমারতের নকশা অনুমোদনের জন্য (টাউন ইমপ্রুভমেন্ট অ্যাক্ট-১৯৫৩, বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন অ্যাক্ট-১৯৫২ ও ঢাকা মহানগর ইমারত (নির্মাণ, উন্নয়ন, সংরক্ষণ ও অপসারণ) বিধিমালা-২০০৮ অনুসারে উপযুক্ত এলাকাগুলোতে নকশা অনুমোদনের জন্য “রাজউক” ক্ষমতাপ্রাপ্ত। দেখা যাচ্ছে, এ এলাকাতে অধিকাংশ বাড়ির মালিক নকশা ছাড়াই ভবন নির্মান করছেন।  ইমারত নির্মান এর ব্যত্যয় ঘটিয়ে ভবনের পাশে ইচ্ছে মত ডেভিয়েশন করে, নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। মানছেন না কোন নিয়ম কানুন। ভবনটিতে নেই কোন তথ্য সম্বলিত সাইনর্বোড।  নাম প্রকাশ না করা শর্তে স্থানীয় পথচারীরা ও এলাকাবাসীরা জানান, এভাবে ডেভিয়েশন করে রাজউকের অনুমোদন ছাড়া ভবন নির্মানের কারনে যেকোন সময় রানা প্লাজার মত এবং বনানীর ১৭ নং রোড়ের এফ আর টাওয়ারের মত বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ বিষয়ে ভবনের মালিক সিরাজ এ প্রতিবেদককে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানান তারা ৭২ জন মিলে এই ভবন নির্মাণ করছেন। ভবন নির্মানের নকশা অনুমোদনের জন্য রাজউকে গেলে রাজউক কর্তৃপক্ষ তাদেরকে ভবন নির্মাণের জন্য কোন নকশা দেননি। কারন জানতে চাইলে তিনি বলতে পারবেনা বলে ফোন কেটে দেন। কিছু সময় পর নির্মীতব্য ভবনের পার্টনার পরিচয়ে প্রতিবেদকের মোবাইলে ফোন করে তাকে বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি ও হুমকি দেন। চলমান