শুক্রবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং

উত্তরখানে রাজউকের নিয়মবহির্ভূত ভবন নির্মান

মুক্তখবর :
সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৯
news-image

শিমুলি আক্তার নীলু: দেশে কয়েক বছরে একাধিক ভবন ধসের পর বর্তমান সরকারের নির্দেশে রাজধানীর প্রতিটি এলাকায় অবৈধ ভবনের বিরুদ্ধে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এর সাঁড়াশি অভিযান অব্যহত থাকলেও নিয়ম নীতির তোয়াক্কা করছেন না সচিবের স্ত্রী কামরুন নাহার। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউক উত্তরা জোন ২এর আওতাধীন উত্তরখান গাজিপাড়া বালুর মাঠ চৌরাস্তা এলাকায় ৩কাঠার একটি প্লটের উপর রাজউকের অনুমোদনের তোয়াক্কা না করে মনগড়া একটি বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন। রাজউকের নকশার বিচ্যুতি করে নির্মীতব্য ভবনের সামনের রাস্তাটি (বালুর মাট হতে মাষ্টার পাড়া পর্যন্ত) সিটি কর্পোরেশন ও ডেভএর নক্সা অনুযায়ী ৩০ফিট থাকলেও এ ভবনের সামনে রাস্তাটি বর্তমানে রয়েছে ২০/২৫ ফিট। তবে বাকী ৫ফিট দখল করে রেখেছেন সচিবের স্ত্রী। রাজউকের নিয়ম অনুযায়ী ৮/১০ ফিট সরকারি রাস্তা দখলসহ চতুরপাশে পরিমান মত জায়গা না ছেড়ে ইচ্ছেমত ডেভিয়েশন করে সুকৌশলে দ্রুত গতিতে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন ভবন মালিক কামরুন নাহার। ভবনের পশ্চিম পাশে প্রায় ৩/৪ ফিট দক্ষিনে ২/৩ ফিট, উত্তরে ২/৩ফিট পূর্ব পাশে ৪/৫ফিট ডেভিয়েশন করে ভবন নির্মাণ করেছেন ভবন মালিক। রাজউকের প্রচলিত নিয়মের তোয়াক্কা না করে ভবন নির্মাণের যে ১৪ টি শর্ত রয়েছে তা নিখুতভাবে অমান্য করে ভবনের চতুর দিকে পরিমান মত জায়গা না ছেড়ে সম্পূর্ন জায়গা দখল করে ভবন নির্মান করে চলেছেন এই ভবন মালিক। জনসাধারনের সুবিদ্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছেনা সেফটিনেট ও ভবনে নেই কোন তথ্য সম্বলিত সাইন বোর্ড। নকশার অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও রাজউকের নির্দেশনা মানছেন না উত্তরখান এলাকার বিভিন্ন প্লট মালিকরা। প্লট মালিকরা রাজউকের প্রচলিত নিয়মের তোয়াক্কা না করে নকশার বিচ্যুতি করে ভবন নির্মাণ করেছেন। এতে ইমারত নির্মাণ আইনের স্পষ্ট ব্যত্যয় ঘটেছে বলে জানান সংশ্লিষ্টজনেরা। উক্ত ভবন সর্ম্পকে জানতে কামরুন নাহারের স্বামী সচিব ডঃ আবুল হোসেন জানান, আমি এই ভবনের মালিক নই ভবনের মালিক আমার স্ত্রী কামরুন নাহার। আমরা ভবন নির্মাণের জন্য ২০১৩ সালে উত্তরখান ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আবাসিক ভাবে ৫তলা ভবন নির্মাণের জন্য নক্সার অনুমোদন নেই। পর দিন সন্ধায় এলাকার অনেক রাজনৈতিক লোকজন নিয়ে বিভিন্ন রকম হুমকি ও ভয়ভিতি দেখান যাতে করে কোন সংবাদ প্রকাশ না করা হয়। ভবনের সামনে একটি প্রধান সড়ক থাকা সত্ত্বেও ব্যবহার করা হচ্ছেনা সেফটিনেট। নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নির্মানাধীন এই ভবনের কারনে যেকোন সময় এখানে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ বিষয়ে রাজউকের উত্তরা জোন ২ এর দায়িত্বে নিয়োজিত পরিচালক এর নিকট জানতে চাইলে তিনি মুক্ত খবরকে বলেন বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।