বৃহস্পতিবার, ২১শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিবাসন নীতিতে আতঙ্কে প্রবাসী বাংলাদেশিরা

মুক্তখবর :
সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯
news-image

আতঙ্কে প্রবাসী বাংলাদেশিরা

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি অভিবাসীর সংখ্যা আনুমানিক ৬ লাখ। এদের ৩ লাখই থাকেন নিউইয়র্কে। কেউ কেউ এই সংখ্যা ১০ লাখ বা তারও বেশি দাবি করেন। যদিও কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নেই। আর এখন বৈধ কাগজপত্র ছাড়া কতজন বাংলাদেশি বসবাস করছেন জানা নেই তার সংখ্যাও। সঠিক হিসাব নেই কোনো দপ্তরের কাছেই।

২০২০ সালের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুসারে নতুন আবাসন নীতি চালু করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে যে সব গরিব অভিবাসী খাবার, আবাসন এবং মেডিকেইডের মত সরকারি সাহায্য নিয়ে একবছরের বেশি সময় ধরে দেশটিতে টিকে আছেন, তাদের ওপর আরোপ করা হচ্ছে নানা বিধিনিষেধ। পাশপাশি অনেকরকম পরীক্ষার মধ্য দিতে যেতে হচ্ছে তাদের।

এ বিষয়ে সংবাদিক মনজুর আহমদ বলেন, যারা ইতিমধ্যে ইমিগ্রেশন পেয়ে গেছে, ভিসার অপেক্ষায় আছে তাদের সময় পার হয়ে গেলেও ভিসা পাচ্ছে না। অভিবাসীদের দেশে এ রকম বিরুদ্ধাচরন আগে কখনও হয়নি, শেতাঙ্গরা তাদের প্রতিনিধি খুঁজছিল, তা তারা পেয়ে গেছে।

সাপ্তাহিক পরিচয়ের সম্পাদক নাজমুল আহসান বলেন, এই নীতির ফলে বৈধ অবৈধ সবারই ক্ষতি হবে। এছাড়া যারা স্থায়ী বাসিন্দা আছেন তারাও ভবিষ্যতে একটা সমস্যায় পড়বে। এ নীতির ফলে বৈধ উপায়ে আসলেও গ্রীনকার্ড পাবে না।

১৫ই অক্টোবর থেকে নতুন নিয়ম কার্যকর হবে। এর আওতায় যে অভিবাসীরা পর্যাপ্ত আয় দেখাতে পারবেন না কিংবা সরকারি সাহায্যর ওপর নির্ভর করবেন। তাদের সাময়িক কিংবা স্থায়ী ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ট্রাম্পের নতুন এই নীতি বাংলাদেশিদের জন্য ক্ষতিকর হবে। কারণ এই দেশটি হচ্ছে ‘কান্ট্রি অফ ইমিগ্র্যান্ট’। আগে নীতি ছিল, যত বেশি লোক এ দেশে থাকা যায়, এখন তা এখন উল্টে হয়ে গেছে।

আইনটি পাশ হয়ে গেলে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা কমে যাবে, সে ক্ষেত্রে অর্থনৈতিকভাবেও মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে জানান আজকালের সম্পাদক জাকারিয়া মাসুদ।

প্রতিবছর হাজার হাজার অভিবাসী বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন, পরে স্থায়ীভাবে বসবাসের আবেদন করেন, নতুন আইনে তাদের আটকানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।