বুধবার, ২০শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং

রেলপথেই ঢাকা-টু-দার্জিলিং

মুক্তখবর :
অক্টোবর ৮, ২০১৯
news-image

পার্বতীপুর থেকে মোঃ মোক্তারুজ্জামান মোক্তার: সরকারের উন্নয়নের রেলপথ একধাপ এগিয়ে ৫২ বছর পর ফের সরাসরি ঢাকা থেকে র্দাজলিংি, নউিজলপাইগুড়ি (শলিগিুড়)ি ট্রনে চলাচল করব।ে নীলফামারী জলোর চলিাহাটি হয়ে ভারতরে পশ্চমিবঙ্গরে কুচবহিার জলোর হলদবিাড়ী স্টশেন পর্যন্ত রলেলাইন যাবে । রলেওয়ে সূত্র জানা গেছে , ইতমিধ্যে বাংলাদশে অংশে রলেলাইন স্থাপনরে কাজ অনেকাংশ শেষ হয়েছে। গত ২১ সপ্টেম্বের রলেলাইন নর্মিাণ কাজ উদ্বোধন করেন রলেমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। রলে রুটটি চালু হলে বাংলাদশে থকেে সরাসরি ট্রনেে করে র্দাজলিংি ও শলিগিুড়ি পর্যন্ত যাওয়া যাব।ে, গত ৪ সপ্টেম্বের নীলফামারীর ডোমার উপজলোর চলিাহাটি রলেঘুন্টি এলাকার তনিটি রলে সংযোগ লাইনরে জন্য মাটি ফলেে লবেলে করে রলেলাইন স্থাপনরে কাজ শুরু হয়ছে।ে উভয় দশেরে ১১ দশমকি ৩৪ কলিোমটিার রলেলাইনরে মধ্যে বাংলাদশে অংশরে প্রায় সাড়ে সাত কলিোমটিার রলেলাইন পড়ছে।ে বাংলাদশে রলেওয়রে রলেলাইন নর্মিাণরে কাজ করছে ঠকিাদারি প্রতষ্ঠিান ম্যাক্স ইন্টারন্যাশনাল। ২০২১ সালরে জানুয়াররি মধ্যে রলেলাইন স্থাপনরে কাজ শষে হবে বলে কর্তৃপক্ষ আশা করছে। ব্রটিশি সময়কালে উপমহাদশেে রলেলাইন স্থাপনরে চন্তিার প্রাথমকি পর্যায়েই আসে পার্বতীপুরের নাম। ব্রটিশি রাজধানী কলকাতার রলে রুটরে সঙ্গে বাংলাদশেরে যে ক’টি রলেস্টশেনরে নাম উল্লখে ছলি, তার মধ্যে গুরুত্বর্পূণ ছলি পার্বতীপুর । কলকাতা থকেে শলিগিুড়ি রলেপথ স্থাপনরে জন্য বাংলাদশেরে র্দশনা, সান্তাহার, পার্বতীপুর ও চলিাহাটকিে সংযোগ করা হয়েছে। ১৮৭৬ সালে কলকাতা থকেে পার্বতীপুর হয়ে সরাসরি শলিগিুড়ি যাওয়া যতে। পরর্বতীতে ভারতরে কোচবহিাররে সঙ্গে রলেসংযোগ স্থাপনরে জন্য পার্বতীপুরকে বছেে নযে়া হয়।এরপর, ১৮৭০ সালে ব্রটিশিরা সয়ৈদপুর শহরে ১১০ একর জমরি ওপর রলেওয়ে কারখানা প্রতষ্ঠিা কর।ে এই দশেরে সম্পদ আহরণ ও যোগাযোগরে র্স্বাথে র্সববৃহৎ রলেওয়ে কারখানা নর্মিাণ করনে । ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগরে পরও তৎকালীন পূর্ব পাকস্তিানরে নীলফামারী, পার্বতীপুর, চলিাহাটি ও হলদবিাড়ীর মধ্যে ট্রনে যোগাযোগ ছলি। ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত ভারতরে হলদবিাড়ীর সঙ্গে পাকস্তিানরে রলে যোগাযোগ ও ছলি। সে সময় র্দাজলিংি মইেল ট্রনেটি এই পথে বাংলাদশেরে র্দশনা হয়ে ইশ^রদী,আদ্বুলপুর নাটোর, সান্তাহার, আক্কেলপুর, জয়পুরহাট, ফুলবাড়ী, পার্বতীপুর,সৈয়দপুর, চলিাহাট-িহলদবিাড়ীর ট্রনে যোগাযোগরে কথা এখনও মানুষরে মুখে মুখে রয়ছে।ে রলে সূত্র জানা গেছে, গত ২০১০ সালে প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনিা ভারত সফররে সময় এই পরত্যিক্ত রলেপথটি চালুর উদ্যোগ ও পুনঃস্থাপনরে সদ্ধিান্ত ননে এবং ২০১৬ সালে ৮ মে থকেে সপ্তাহব্যাপী নীলফামারীর চলিাহাটরি অংশে ও ২০১৭ সালরে গোড়ার দকিে ভারতরে অংশরে জরপি কাজ হয়। ভারতরে সঙ্গে রলে যোগাযোগ স্থাপনরে লক্ষ্যে প্রকল্পরে বরাদ্দ ধরা হয়ছেে ৮০ কোটি ১৭ লাখ টাকা। যা ২০১৮ সালরে একনকেরে সভায় বরাদ্দ দওেয়া হয়। এর মধ্যে সাড়ে সাত কলিোমটিার রলেপথ, ছয়টি ব্রজি ও চলিাহাটি রলেস্টশেনকে আর্ন্তজাতকি মানরে স্টশেনে রূপান্তরে কাজ করা হব।ে এখন ঢাকা থকেে নীলসাগর এক্সপ্রসে ট্রনেটি সরাসরি চলিাহাটি পর্যন্ত চলাচল করছে। নতুন রলেপথ নর্মিাণ কাজ সম্পন্ন হলে ভারতরে হলদবিাড়ী হয়ে জলপাইগুড়ি নউিজলপাইগুড়ি ও শলিগিুড়রি সঙ্গে ফরে সরাসরি ট্রনে চলাচল শুরু হব।ে সইে সঙ্গে ঢাকা নউিজলপাইগুড়ি (শলিগিুড়)ি ট্রনে চলাচল করবে । পশ্চমিাঞ্চল রলেওয়রে চফি ইঞ্জনিয়িার আল ফাত্তা মো. মাসুদুর রহমান জানান, ৮০ কোটি ১৭ লাখ টাকা ব্যয়ে চলিাহাট-িহলদবিাড়ীর রলে সংযোগরে কাজ অনেকাংশ শেষ হয়ছে।ে ২০২১ সালরে মধ্যইে শষে হবে বলে আশা করছ।ি ইতিমধ্যে ভারতরে হলদবিাড়ীর ৩৪ কলিোমটিার রলেপথ স্থাপনরে কাজ ২০১৮ সালরে ১৪ র্মাচ শষে হয়ছে।ে এখন ভারতরে হলদবিাড়ী রলেস্টশেনটকিে আর্ন্তজাতকি মানসম্পন্ন করার কাজ চলছে । এতে ভারতরে কন্দ্রেীয় সরকার ৩১ কোটি রুপি বরাদ্দ দয়িছে।ে রেলপথ চালু হলে দু’দেশের মাঝে যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রসার ঘটবে বলে রেল কর্তৃপক্ষ আশা করছেন।