শুক্রবার, ১৫ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং

ব্লু-ফ্লিম স্টাইলে সোনারগাঁওয়ে পোশাক শ্রমিককে ‘গণধর্ষণ, গ্রেফতার- ৫

মুক্তখবর :
অক্টোবর ৮, ২০১৯
news-image

আনোয়ার হোসেন (সোনারগাঁ) থেকে : নারয়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে দুই সন্তানের জননী ২৪ বছর বয়সী এক নারী পোশাক শ্রমিককে তুলে নিয়ে ‘গণধর্ষণের’ অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার রাতে উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের ব্রাহ্মনগাঁও এলাকায়। এ ঘটনায় ধর্ষিতা বাদী হয়ে ৭ জনকে আসামী করে আজ মঙ্গলবার দুপুরে সোনারগাঁও থানায় ধর্ষণের মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত ৫ ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে।
আটককৃতরা হলেন- সোনারগাঁও উপজেলার ব্রাহ্মনগাঁও গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে আবু সাইদ( (২৫), রেহাজ উদ্দিনের ছেলে ইমরান(২৩), নবী হোসেনের ছেলে রনি মিয়া(২০), আবু সিদ্দিকের ছেলে আবুল হোসেন(৩২), বাগবাড়ি গ্রামের ভুট্রু মিয়ার ছেলে মাসুম(২২)কে গ্রেফতার করেছে তালতলা বাজার তদন্ত কেন্দ্র পুলিশ। এছাড়া আরিফ ও জাহাঙ্গীর নামের দুই ধর্ষক পলাতক রয়েছে।
ধর্ষিতা ও মামালার এজাহার সুত্রে জানা গেছে, ধর্ষিতকা নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত রবিন ট্রেক্স গার্মেন্টর্সে ফোন্ডিং ম্যান হিসেবে প্রতিদিন বাড়ি থেকে আসা যাওয়া করে কাজ করেন। গত সোমবার সন্ধ্যায় গার্মেন্টস ছুটি হলে বাড়ি(গাউছিয়া) যাওয়ার জন্য একটি সিএনজিতে উঠেন। সিএনজিটি গাউছিয়া পৌছলে সে গাড়ি থেকে নামতে চাইলে ধর্ষক জাহাঙ্গীর বাধা দিয়ে সিএনজির ড্রাইভারকে সোনারগাঁওয়ের তালতলার দিকে আসতে বলে। এসময় ধর্ষক জাহাঙ্গীর (ধর্ষিতার) মুখে স্কচটেপ দিয়ে মুখ বন্ধ করে রাত সাড়ে ৭ টার দিকে ব্রাহ্মনগাঁও গ্রামের জনৈক আব্দুল হালিম মিয়ার দোচালা টিনের ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে ৭ জন মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
ধর্ষিতা বলেন, প্রথম আবু সাইদ ও পর্যায়ক্রমে ইমরান, রনি মিয়া, আবুল হোসেন, আরিফ, মাসুম ও জাহাঙ্গীর আমার যৌনাঙ্গে, প্রশ্রাবের রাস্তা ও পায়ুপথে পালাক্রমে একাধীকরার ধর্ষণ করে। এক প্রর্যায়ে ধর্ষকরা আমার মুখ থেকে স্কচটেপ খুলে মুখের ভেতর পুরুষাঙ্গ ঢুকিয়ে উল্লাস করতে থাকে। পরে রাত ৩ টার দিকে বাড়ি মালিক হালিম বাহির থেকে ঘরে এসে ঘটনাটি দেখে বাধা দিলে ধর্ষকরা জোর করে আমাকে অন্য স্থানে নিয়ে যেতে চেষ্ঠা করে। এসময় আশেপাশের লোক জন তালতলা ফাড়ি পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনার স্থল থেকে আমাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
তালতলা বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আহসান উল্লাহ জানান, পোশাক শ্রমিককে পালাক্রমে ধর্ষণের খবর পেয়ে ঘটনা স্থল থেকে ধর্ষিতাকেত উদ্ধার করেছি। ঘটনার সাথে জড়িত ৫ জনকে গ্রেফতার করেছি। বাকী দুই ধর্ষককে গ্রেফতার করতে অভিযান চলছে।