শুক্রবার, ১৪ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং

ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন, প্রধান ও সহকারী শিক্ষককে গণধোলাই

মুক্তখবর :
অক্টোবর ১৬, ২০১৯
news-image

ঢাকা, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯ (নিজস্ব প্রতিনিধি) : রাজশাহীর পুঠিয়ায় পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের মীমাংসায় গিয়ে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষককে গণধোলাই দিয়েছে এলাকাবাসী। রাজশাহীর পুঠিয়ায় মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষক মাজেদুর রহমানকে গ্রেফতার করে। মাজেদুর রহমান উপজেলার রঘুরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গণিত বিষয়ের শিক্ষক।

বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। ওই মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষককে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, গত ৬ অক্টোবর বিকালে স্কুল ছুটির পর বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণী কক্ষে ওই ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। এনিয়ে মঙ্গলবার রাতে ঘরোয়া ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চালানোর সময় শিক্ষককে গণধোলাই দেয় স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।

ভুক্তভোগী ছাত্রীর বরাত দিয়ে ওসি রেজাউল ইসলাম জানান, স্কুল ছুটির পর তাকে আলাদাভাবে গণিত দেখিয়ে দেওয়ার কথা বলে শ্রেণী কক্ষে ডেকে নেন। পরে স্কুলের জানালা দরজা বন্ধ করে তাকে পরীক্ষার খাতায় বেশি নাম্বার দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করেন। ঘটনার পর ভয়ে স্কুলছাত্রী স্কুলে আসা বন্ধ করে দেয়। পরে পরিবারের লোকজন তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে বিষয়টি খুলে বলে।

ওসি আরও জানান, বিষয়টি মীমাংসার জন্য স্কুলের প্রধান শিক্ষকের উপস্থিতিতে স্কুলছাত্রীর বাবাকে নিয়ে ওই শিক্ষকের মামা শফিকের বাড়িতে বসা হয়। এলাকাবাসী টের পেয়ে তাতে বাঁধা দেন। পরে প্রধান শিক্ষকসহ অভিযুক্ত শিক্ষক মাজেদুর রহমানকে গণধোলাই দিয়ে পুুলিশে খবর দেন। পুুুলিশ গিয়ে প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ ও মাজেদুর রহমানকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।

ওসি রেজাউল বলেন, স্কুলছাত্রীকে শ্লীলতাহানীর অভিযোগের মামলায় শিক্ষক মাজেদুর রহমানকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।