শুক্রবার, ১৪ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং

রাজউকের নির্দেশনা উপেক্ষা করে ভবন নির্মান করছেন সিরাজ গার্ডেন

মুক্তখবর :
অক্টোবর ২৩, ২০১৯
news-image

ঢাকা, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯ (শিমুলী আক্তার নীলু)রাজউকের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ইমারত নির্মাণের ব্যত্যয় ঘটিয়ে ভবন নির্মাণ করছেন সিরাজ গার্ডেন ভবন মালিক আবু সাঈদ মিয়া। চালিয়ে যাচ্ছেন ভবন নির্মান কাজ। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(রাজউক) মহাখালী জোন-৪/৩ এর আওতাধীন দক্ষিণ খান থানাধীন, ওয়ার্ড নং-১, সিরাজ উদ্দিন গার্ডেন, হোল্ডিং নং ৭৪, প্লটের উপর ৭ কাঠার জমিতে ৮ তলা আবাসিক অনুমোদিত ভবনের নির্মাণ কাজ চলছে। রাজউকের নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে নির্মীতব্য ভবনের উত্তর পাশে ৭/৮ ফিট, পূর্ব পাশে ৭/৮ ফিট, দক্ষিন পাশে ৫/৬ফিট, পশ্চিম পাশে ও প্রায় ৫/৬ফিট ডেভিয়েশন করে ভবন নির্মানের কাজ সুকৌশলে দ্রুত গতিতে চালিয়ে যাচ্ছেন ভবন মালিক আবু সাঈদ। সর্বনি¤œ আড়াই ফিট দুরত্ব বজায় রেখে ভবন নির্মানের কথা থাকলেও এসবের কোন তোয়াক্কা না করে চালিয়ে যাচ্ছেন ভবন নির্মান কাজ। এ ভবন সর্ম্পকে বেশ কয়েকটি পত্রিকায় একাধিকবার সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। ভবনে নেই কোন তথ্য সম্বলিত সাইনবোড।ভবনের চতুর পাশে জনসাধারনের সুবিধার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে না সেফটিনেট। এই ভবন মালিক টাউন ইমপ্রুভমেন্ট অ্যাক্ট-১৯৫৩, বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন অ্যাক্ট-১৯৫২ ও ঢাকা মহানগর ইমারত (নির্মাণ, উন্নয়ন, সংরক্ষণ ও অপসারণ) বিধিমালা-২০০৮ মানিয়া ভবন নির্মাণ করছেন না। এতে ইমারত নির্মাণ আইনের স্পষ্ট ব্যত্যয় ঘটছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। সরেজমিনে অনুসন্ধানে বেড়িয়ে এসেছে এসব তথ্য। দেখা যাচ্ছে, অনেকের নকশার অনুমোদন আছে কিন্তু রাজউকের নির্দেশনা মানছেনা দক্ষিণখান থানা এলাকার বিভিন্ন প্লট মালিকরা। প্লট মালিকেরা রাজউকের প্রচলিত নিয়মের তোয়াক্কা না করেই ভবন নির্মাণ করছে। ইমারত নির্মাণ এর ব্যত্যয় ঘটিয়ে ভবনের চতুর পাশে ইচ্ছেমত ডেভিয়েশন করে ভবন নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। মানছেন না কোন নিয়ম কানুন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এলাকাবাসীরা জানান, সেভটিনেটবিহীন ও ডেভিয়েশন করে এভাবে ভবন নির্মানের কারনে যেকোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভবন মালিক আবু সাঈদ বলেন,আমি নিজেই সিরাজ গার্ডেন ডেভলপার কম্পানির মলিক ও কন্টেকটার। ইঞ্জিনিয়ার আমার ভাগীনা। আমরা নিজেরা প্লান তৈরি করে ভবন নির্মাণ করছি, এতে রাজউক বা সাংবাদিকদের কি এত প্রয়োজন। আমরা ভবন নির্মাণ করতে কারো তোয়াক্কা করি না। এ ভবনের বিষয়ে ইমারত নির্মান পরিদর্শক এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন সাবেক অথরাইজড অফিসার মাহাবুব মিয়া থাকাকালীন সময় পর পর তিন বার তারা এই ভবনে এসেছিলেন। বর্তমানে এই ভবনের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে কিনা, জবাবে তিনি বলেন আমি এ ব্যাপারে কিছুই বলতে পারব না। তবে ভবন মালিক আবু সাঈদ মিয়াকে ভবন নির্মাণ সংক্রান্ত কাগজপত্র নিয়ে অফিসে আসতে বলা হয়েছে কিন্তু তিনি আসেননি। উল্লেখ থাকে যে, এভবন নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পরও রাজউক কর্তৃপক্ষ তেমন কোন প্রদক্ষেপ গ্রহন করেননি।