মঙ্গলবার, ১৯শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং

পরীক্ষার হলে ২০ ছাত্রের চুলকাটার ঘটনা তদন্তের নির্দেশ

মুক্তখবর :
অক্টোবর ২৭, ২০১৯
news-image

ঢাকা, রোববার, ২৭ অক্টোবর ২০১৯ (নিজস্ব প্রতিনিধি) : গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় পরীক্ষা চলাকালীন ২০ ছাত্রের চুলকাটার ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। রোববার সকালে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মো. জসীম উদ্দীন শেখ বলেন, গত বুধবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম মাহফুজুর রহমান এ ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের কথাও বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৬ অক্টোবর কোটালীপাড়া উপজেলার কুশলা নেছারিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার দাখিল শ্রেণির পরীক্ষা চলাকালীন অধ্যক্ষ মো. বাকের হোসাইন কাঁচি (কেচি) দিয়ে ২০ ছাত্রের চুল কেটে দেন।

এ ঘটনায় এলাকায় আলোচনার ঝড় ওঠে। ঘটনাটি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের পর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম মাহফুজুর রহমান এক সদস্যবিশিষ্ট ওই তদন্ত কমিটি গঠন করেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ছাত্র জানায়, বাংলা পরীক্ষার প্রথম ঘণ্টা পড়ার পর হঠাৎ করে হুজুর আমাদের হলে ঢুকে সব ছাত্রের চুল কেটে দেয়। এ ঘটনার পর আমরা পরীক্ষা না দিয়ে বেরিয়ে আসার পর আমাদের দাখিল পরীক্ষার ফরম পূরণ করতে দেয়া হবে না বলে হুমকি দেয়া হয়।

এর পর আমরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি। এ বিষয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ ছাপা হওয়ার পর হুজুর সবাইকে ডেকে আমাদের কোনো অভিযোগ নেই মর্মে লিখিত নেয়।

তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. জসীম উদ্দীন শেখ বলেন, আমি ট্রেনিংয়ে থাকার কারণে এখনও মাদ্রাসাটিতে তদন্তে যেতে পারিনি। তবে দুই-একদিনের মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেন।

অধ্যক্ষ মো. বাকের হোসাইনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি চুল কেটেছি। তবে কাউকে চাপ দিয়ে মুচলেখা নিইনি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম মাহফুজুর রহমান বলেন, চুলকাটার ঘটনার বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে অধ্যক্ষ দোষী হলে তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।