বুধবার, ১৩ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং

রাজউকের নোটিশের পরও নির্মাণ চালিয়ে যাচ্ছেন আমজাদ হোসেন

মুক্তখবর :
নভেম্বর ৪, ২০১৯
news-image
ঢাকা, সোমবার, ০৪ নভেম্বর ২০১৯  (বিশেষ প্রতিনিধি) : রাজউক মহাখালি জোন ৪/১ এর আওতাধীণ দক্ষিনখান মৌজাস্থ দক্ষিনখান থানাধীন আশকোনা আমতলা সিএস দাগ নং-২৪৭৯(পি) আর এস দাগ নং-৫৯৩১ অংশ এর ভবন মালিক আমজাদ হোসেন। গত ০৪-১০-২০১৮ সালে রাজউক থেকে ২৫.৩৯.০০০০.১০৮.৩৩.২০৬. ১৮.২৩৪ স্বারকে নকশার অনুমোদন নিয়ে নিজ ক্ষমতার দাপটে রাজউকের নোটিশের পরেও ভবন নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। ৪কাঠা জমির উপর অবৈধ ভাবে বেজমেন্ট সংখ্যা (১) বেজমেন্ট ব্যতীত মোট ৭তলার অনুমোদন নিয়ে বর্তমানে প্রায় ৬ষ্ঠ তলার কাজ চলমান রয়েছে। রাজউকের আইন অমান্য করে রাজউককে বৃধাঙ্গুলী দেখিয়ে নিজেদের ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ভবনের চতুর পাশে জায়গা না ছেড়ে নির্মীতব্য ভবনের সম্মুখে প্রায় ৭/৮ ফিট, পিচনে প্রায় ৫/৬ ফিট, পূর্বে ৫/৬ফিট, পশ্চিমেও প্রায় ৪/৫ফিট ডেভিয়েশন করে সু-কৌশলে ভবন নির্মাণ কাজ চাািলয়ে যাচ্ছেন। সুত্র মতে জানা যায় আমজাদ হোসেন এর গ্রামের বাড়ি গুল্লাখালি, সূর্যমূখী, হাতিয়া নোয়াখালী তবে তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ প্রবাসে থাকায় তারই শ্যলক ফখরুল নিজে দায়িত্ব নিয়ে ভবন নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। মানছেনা রাজউকের কোন নিয়ম কানুন, রাজউকের নকশা অনুমোদনে যে ১৪টি শর্ত রয়েছে ফখরুল তা সু-স্পষ্ট ভবে অমান্য করেছেন। তাছাড়াও নকশার অনুমোদন অনুযায়ী বেজমেন্ট সংখ্যা ১ থাকলেও তিনি বেজমেন্ট ব্যতীত ভবন নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।যাহাতে ইমারত নির্মাণ আইনের সু-স্পষ্ট বিধি লংঙ্গন ও আইন অবমাননার শামিল। এতে ইমারত নির্মাণ আইনের স্পষ্ট ব্যত্যয় ঘটছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। রাজউকের আইন অনুযায়ী টাউন ইমপ্রুভমেন্ট অ্যাক্ট-১৯৫৩, বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন অ্যাক্ট-১৯৫২ ও ঢাকা মহানগর ইমারত (নির্মাণ, উন্নয়ন, সংরক্ষণ ও অপসারণ) বিধিমালা-২০০৮ অনুসারে ভবন নির্মাণ করছেন না মোঃ আমজাদ হোসেন।রাজউকের নকশা অনুমোদনে যে১৪ টি র্শত রয়েছে তা সু-পরিকল্পিত ভাবে অমান্য করা হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার র্শতে স্থানীয় এলাকাবাসী জানান,ডেভিয়েশন করে নকশার বিচ্যুতি করে ভবন নির্মাণ কারায় উক্ত ভবনটি রানা প্লাজার মত ঝুকিপুন্য এবং যেকোন সময় বড় ধরনের র্দুঘটনা ঘটতে পারে।এভবন সর্ম্পকে এলাকাবাসীরা আরো বলেন রাজউক থেকে এই ভবনে বেশ কয়েকবার পরিদর্শনে এসেছেন ।তারা কাজ বন্ধ করে দিয়ে যাওয়ার প্রায় ঘন্টা খানেক পর এই ভবনের কাজ পুনরায় আরম্ব করান ফখরুল।আমাদের জানা মতে রাজউক থেকে এই ভবনের বিরুদ্ধে কারন দর্শানো নোটিশ করা হয়েছে ।এই নোটিশের পরও তারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।তারা আরো বলেন গত কিছুদিন পূর্বে আমজাদ হোসেন প্রবাশ থেকে দেশে আসেন এবং তার ভবনের বাকি কাজ করান। প্রবাশে তিনি কি কর্ম করেন প্রশ্নের জবাবে বলেন আমাদের জানা মতে আমজাদ একটি সোনা কারবারি চক্রের গডপাদার এবং অনেক কালো টাকার মালিক।আমজাদ সোনা কারবারের জন্য দেশের প্রায় একাধিক লোকের মাধ্যমে বিদেশ থেকে সোনা পাঠাতেন এমন কি নিজেও বহন করতেন।অনুসন্ধানে আরো জানাযায় এই আমজাদ চোরাই পথে সোনা কারবারের জন্য গত কয়েক বছর পূর্বে তার নামে একটি মামলা ও হয় ।কালো টাকার ক্ষমতার কারনে কয়েকদিনের মধ্যে জেল থেকে বেরিয়ে আসেন তিনি।তার সাথে বিমান বন্ধরের অনেক অসাধূ কর্মকর্তদেও সাথে সক্ষতাও রয়েছে।তার এই চোরাইকৃত সোনা কারবারের প্রধান সহযোগি হলেন তারই পাশের বাড়ির রাসেল নামের এক যুবক।রাসেল সোনা কারবারের পাশাপাশি এলাকায় মাদকের বিশাল এক সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। বতমানে রাসেলের নামে কেউ কোন কথা বলার সাহস রাখেনা কারন রাসেলের সাথে দু একটা পুলিশের সাথে ভলো সম্পর্ক রয়েছে ও এলাকার কোন এক সাংবাদিক পরিচয়দানকারী মাদক স¤্রাজ্ঞীর সাথেও ভালো সম্পর্ক। এ ভবন ও রাজউকের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর নানান রকমের অভিযোগ রয়েছে এ ভবনের কাজ আরম্ব করার সময় রাজউকের কর্মকর্তারা কোথায় ছিল ? দেশের একাধীক পত্রিকায় এ ভবনের বিরুদ্ধে অনেক সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। সেই সংবাদের জের ধরে রাজউক কর্তৃপক্ষ শুধু কারন দর্শনো নোটিশ করেন। প্রায় ৪/৫ মাস অতিবাহিত হওয়ার পর আর কেন নোটিশ করেননি তা নিয়েও রয়েছে নানান মতামত। কেউই বলেন রাজউক তার কালো টাকার কাছে মাথা নত করেছে,আবার কেউ বলেন রাজউকতো সরকারি অফিস হয়তো কোন কর্মকর্তা আমজাদের সাথে অসৎ ভাবে মিলিত হয়েছেন না হয় কেন আর নোটিশ করলেনা বা পুলিশ নিয়ে এসে কাজচলা কালিন সময়ে সবাইকে থানা হজতে পেরন করলেন না কেন? আরেকজন বলেন আমজাদের এই চোরা কারবার করার কারনে তার সাথে সরকারের বড় কোন কর্মকর্তা ও তার আপ্তিয় একজন সচিব রয়েছে হয়তো তারা জানতো তাই তারা চুপ হয়ে আছেন বলেই আমজাদ উক্ত ভবনের কাজ প্রায় শেষ করে চলেছেন।