বৃহস্পতিবার, ২১শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং

সরকারি রাস্তা দখল করে ভবন নির্মাণ করছেন মোহাম্মদপুরের লুৎফুর রহমান

মুক্তখবর :
নভেম্বর ৫, ২০১৯
news-image
শিমুলী আক্তার নীলু : রাজউকের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে রাজউকের নকশার ব্যত্যয় ঘটিয়ে সরকারি রাস্তা দখল করে নিজেদের ইচ্ছেমত ডেভিয়েশন করে  ভবন নির্মাণ করছেন মোহাম্মদপুরের স্বপ্নণীড় হাউজিং এর ভবন মালিক লুৎফুর রহমান। ইমারত নির্মাণের ব্যত্যয় করে ভবন নির্মান করছেন স্বপ্নণীড় হাউজিং এর দাগ নং-৭২০, বাড়ি নং-১৭/১৮, মোহাম্মদপুরের লুৎফুর রহমান।
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ “রাজউক” মতিঝিল জোন-৫ এর আওতাধীন স্বপ্নণীড় হাউজিং এর দাগ নং-৭২০, বাড়ি নং-১৭/১৮, মোহাম্মদপুরের লুৎফুর রহমান। ৭২০নং দাগে প্লটের সাড়ে ২ কাঠা জমির  উপর বহুতল আবাসিক ভবনের অনুমোদন নিয়ে ভবনের কাজ প্রায় শেষের দিকে। রাজউকের নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে নির্মিতব্য ভবনের পশ্চিম পাশে প্রায় ৫/৬ফিট পূর্ব পাশেও প্রায় ৪/৫ফিট ডেভিয়েশন করে এবং ভবনের সামনের রাস্তাটি ডেভের নকশা অনুযায়ী ২০ফিট। কিন্তু রাজউকের নিয়ম অনুযায়ি ডেভের নকশার ব্যতিরেখে ভবন নির্মাণকালে জমির মালিকের যে পরিমান জায়গা ছাড়ার কথা ছিল তিনি তা না ছেড়ে ডেভের রাস্তা থেকেও প্রায় ১০/১২ফিট রাস্তা দখল করে ভবন নির্মাণের কাজ সুকৌশলে দ্রুত গতিতে শেষ করে চলেছেন স্বপ্নণীড় হাউজিং এর মালিক। রাজউকের আইন  অনুযায়ী বৃহত্তর ঢাকা শহরের প্রায় ১৫২৮ বর্গকিলো মিটার এলাকায় ইমারতের নকশা অনুমোদনের জন্য রাজউক ক্ষমতাপ্রাপ্ত। টাউন ইমপ্রুভমেন্ট অ্যাক্ট-১৯৫৩, বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন অ্যাক্ট-১৯৫২ ও ঢাকা মহানগর ইমারত (নির্মাণ, উন্নয়ন, সংরক্ষণ ও অপসারণ) বিধিমালা-২০০৮ অনুসারে ভবন নির্মাণ করছেন না এই ভবন মালিক। ভবনটিতে জনসাধারনের সুবিধার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে না সেফটিনেট ও নেই কোন তথ্য সম্বলিত সাইনর্বোড। সরেজমিনে অনুসন্ধানে বেড়িয়ে এসেছে এসব তথ্য। দেখা যাচ্ছে, অনেকের নকশার অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও রাজউকের নির্দেশনা মানছেনা মোহাম্মদপুর এলাকার এর বিভিন্ন প্লট মালিকরা। প্লট মালিকেরা রাজউকের প্রচলিত নিয়মের তোয়াক্কা না করেই  ভবন নির্মাণ করছে। এতে ইমারত নির্মাণ আইনের স্পষ্ট ব্যত্যয় ঘটছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
 নাম প্রকাশ না করা শর্তে স্থানীয় এলাকার অনেকেই প্রতিবেদককে বলেন, ডেভিয়েশন এবং সেফটিনেট ব্যবহার না করে এভাবে ভবন নির্মাণের কারনে যেকোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ বিষয়ে ভবনের মালিক লুতফুর রহমানের মোবাইল ফোনে বারবার চেষ্টা করলেও তিনি মোবাইল রিসিভ্ড করেননি।