মঙ্গলবার,১৪ই জুলাই, ২০২০ ইং

জি কে শামীমের চার দেহরক্ষীর জামিন নাকচ

মুক্তখবর :
মার্চ ১০, ২০২০
news-image

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২০ (স্টাফ রিপোর্টার) : জি কে শামীমের চার দেহরক্ষীর জামিন নাকচ করে দিয়েছে হাইকোর্টে। একই সঙ্গে আগামী চার মাসের মধ্যে মামলার তদন্ত শেষ করার জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তাকে (আইওকে) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলটি খারিজ করে এ আদেশ দেন। গত ৪ ও ৬ই ফেব্রুয়ারি গোপনে হাইকোর্ট থেকে দুই মামলায় জামিন নেয় জিকে শামীম। এতে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরপর রোববার হাইকোর্ট দুই মামলার জামিন বাতিল করেন । আজ জি কে শামীমের চার দেহরক্ষীর জামিন নাকচ করে দিলো হাইকোর্ট। আদালতে দুদকের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহজাবিন রাব্বানী দীপা। আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. শামীম সরদার। জামিন নাকচ হওয়া আসামিরা হলেন- মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, মো. শহীদুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন, মো. শামশাদ হোসেন।
এর আগে গত ৩রা মার্চ জি কে শামীমের চার দেহরক্ষী কিভাবে, কোন যোগ্যতায় অস্ত্রের লাইসেন্স পেলেন তা জানতে চেয়েছিলেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাদের আয়কর রিটার্ন ও অস্ত্র মামলা কেন হয়েছে, সেই সব বিষয়ে হলফনামা মূলে হাইকোর্টে দাখিল করার জন্য তাদের আইনজীবীকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। এর পর সোমবার হলফনামা আকারে কাগজপত্র দাখিল করেন আদালতে। গত ৩রা ফেব্রুয়ারি তাদের জামিন কেন প্রদান করা হবে না, সেই মর্মে ১০ দিনের রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। নথি থেকে জানা যায়, গত ২৪শে ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের অবকাশকালীন বেঞ্চ তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করলে তারা হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন। এজাহারে (জি কে শামীমকে অবৈধ চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, অবৈধ মাদক এবং জুয়া ব্যবসার ক্যাসিনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে গ্রেপ্তার করা হয়। আর এই আসামিরা হলেন তার দুষ্কর্মের সহযোগী। তাদেরকে গ্রেপ্তার করে গত বছরের ২১শে সেপ্টেম্বর গুলশান থানায় মামলা করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা পাচারের লক্ষ্যে বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি মুদ্রা দখলে রাখাসহ জি কে শামীমের সকল অপকর্মের সহযোগী।