শুক্রবার,১০ই জুলাই, ২০২০ ইং

সোনারগাঁয়ে ৩০ হাজার অসহায় পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিলেন ইউপি চেয়ারম্যান মাসুম

মুক্তখবর :
মে ১৯, ২০২০
news-image

আনোয়ার হোসেন: সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন আহবায়ক ও পিরোজপুর ইউনিয়ণ পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান মাসুম করোনা ভাইরাস শুরু হওয়ার পর থেকে এপর্যন্ত ১৩ দফায় ৩৫৬১জনকে প্রধান মন্ত্রী উপহার সামগ্রী বিতরনের পর ও তার ব্যক্তিগত অর্থায়নে কয়েক দফায় ৩০ হাজার অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিয়ে দৃষ্টান্তু সৃষ্টি করেছেন। একারনে ইঞ্জিনিয়ার মাসুমকে “মানবিক চেয়ারম্যান” হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন পিরোজপুর ইউনিয়নের জনগন। গত মার্চে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস দেখা দিলে, শুরুতেই করোনা প্রতিরোধে ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান মাসুমের নিজ উদ্যোগে মাস্ক, গ্লাভস, হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ বিভিন্ন উপকরণ বানানোর প্রক্রিয়া শুরু করে এবং সেগুলো পিরোজপুর ইউনিয়নের জনগনের মাঝে বিতরণ করেন যা অদ্যবধি অব্যাহত রয়েছে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সর্বপ্রথম ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান মাসুম পিরোজপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে মাস্ক, গ্লাভস হ্যান্ড স্যানেটেশন বিতরণ ও বাজার মনিটরিং করেন। তিনি গণমাধ্যম কর্মিদের মাঝেও পিপিই এবং হ্যান্ড স্যানেটেশন বিতরন করেন। এছাড়া তিনি প্রতিটি বাজারের চায়ের দোকান বন্ধ করা সহ দোকানদারকে দাম সহনশীল রাখার জন্য অনুরোধ করেন, বিশেষ করে পিয়াজ আদা রসুন ও চালের উপর গুরুত্ব দেন। তিনি সঠিক ভাবে ত্রান বিতরনের জন্য এলাকায় একটি ত্রান কমিটি গঠন করেন। যারা শুধু দরিদ্র নয়, নি¤œমধ্যবিত্তদের তালিকা করে রাতের আধারে ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিচ্ছেন।
জানা যায়, মাসুম পিরোজপুর ইউনিয়নে ৩২টি গ্রামে অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা ছাড়াও উপজেলার পৌরসভা সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের অসহায় দরিদ্র পরিবারে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করেছেন। এছাড়া তিনি ইমাম,মুয়াজ্জিন,স্কুলের দপ্তরি, হিজড়া, প্রতিবন্ধিদের মাঝেও খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরন করে সোনারগাঁ উপজেলা সহ জেলার নেতাদেরও নজর কেছে ছেন। আগামী ২/১ দিনের মধ্যে ঈদ সামগ্রী বিতরন শুরু করবেন বলেও জানান তিনি । সম্প্রতি করোনার প্রাদুর্ভাবে টাকার অভাবে নবজাতক বিক্রি করা অসহায় পরিবারের পাশে দাড়িয়ে ভরন পোষনের দায়িত্ব নিয়ে তিনি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান মাসুম বলেন, মানুষের বিপদে মানুষের পাশে দাড়ানো আমাদের পারিবারিক ঐতিহ্য। শুধু করোনার প্রাদুর্ভাবই নয় সবসময় আমি মানুষের কল্যাণে পাশে ছিলাম, আগামীতে ও থাকবো। আমি ঘোষনা দিয়ে ছিলাম আমার ইউনিয়নে কেউ না খেয়ে থাকবেনা। তাই আমি অসহায় পরিবারের কাছে কয়েক দফায় খাদ্য ও উপহার পৌছিয়ে দিয়েছি। সরকারী ত্রানের পাশা পাশি ব্যাক্তিগত অর্থায়নে ৩০ হাজান পরিবারের কাছে কয়েক দফায় খাদ্য উপহার পৌছিয়ে দিয়েছি। যতদিন মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রদুর্ভাব থাকবে ততদিন আমার সাধ্যনুযায়ী অসহায় পরিবারকে খাদ্য সহায়তা করে যাবো। করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হবার আহবান জানান তিনি। তিনি আরো বলেন আপনারা ঘরে থাকেন আপনাদের ঘরে খাদ্য পৌছে দেওয়ার দায়িত্ব আমার।