শুক্রবার,৭ই আগস্ট, ২০২০ ইং

‘সরকার কোনো অন্যায়কারীকে ছাড় দেয়নি, ভবিষ্যতেও দেবে না’

মুক্তখবর :
জুলাই ১২, ২০২০
news-image

ঢাকা, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২০ (স্টাফ রিপোর্টার) : বিএনপি বিষোদগার ছাড়া এ সংকটে জাতিকে কিছুই দিতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আবারও স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, শেখ হাসিনা সরকার কোনো অন্যায়কারীকে ছাড় দেয়নি, ভবিষ্যতেও দেবে না।রোববার (১২ জুলাই) তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি। জনগণের জীবন-জীবিকার ওপর সরকারের কোনো দায়িত্ব নেই বিএনপি মহাসচিবের এমন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে ওবায়দুল কাদের বলেন, জীবন ও জীবিকার চাকা সচল রাখতে শেখ হাসিনা সরকার যখন নানামুখী সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তখন বিএনপি সমালোচনা করেছিল কেন?

তিনি বলেন, লকডাউনের জন্য চাপ তৈরি করে মির্জা ফখরুল সাহেব এখন জনগণের জীবিকার কথা বলছেন। বিএনপির সুবিধাবাদী রাজনৈতিক চরিত্র এবং ডাবল স্ট্যান্ডার্ড ইতোমধ্যেই জনগণের কাছে পরিষ্কার হয়ে গেছে বলেও মত প্রকাশ করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

সরকারের অবহেলা আর অজ্ঞতার জন্য নাকি পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে-বিএনপি নেতাদের এমন জ্ঞানহীন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, করোনা মহামারিতে বিশ্বের কোন দেশ বিদ্যমান সুবিধা দিয়ে সফলতা পেয়েছে? কোন দেশ হিমশিম খায়নি। সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে জনগণকে সাথে নিয়ে সংকট মোকাবিলা করে চলেছেন।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিএনপির বক্তব্যর সূত্র ধরে বলেন রাস্তায় রাস্তায় মানুষ মরে পড়ে থাকেনি, আর সেটি হয়নি বলেই বিএনপির গাত্রদাহ। সাম্প্রতিক করোনা পরীক্ষায় দুটি প্রতিষ্ঠানের প্রতারণা মানুষকে বিস্মিত করেছে জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী দ্রুততার সাথে তদন্ত পূর্বক অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আসন্ন কোরবানির ঈদে পশুরহাট এবং মানুষের ঈদযাত্রা করোনা সংক্রমণের মাত্রাকে উদ্বেগজনক পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে, বিশেষজ্ঞদের এমন আশঙ্কায় করোনা বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি কয়েকটি জেলায় পশুরহাট না বসানোর পরামর্শ দিয়েছে। বিদ্যমান এ পরিস্থিতিতে এ পরামর্শ খুবই ব্যবহারিক এবং বাস্তবায়ন সম্ভব হলে ভাল ফলাফল বয়ে আনবে নিঃসন্দেহে।

তিনি বলেন, যত্রতত্র পশুরহাট বসানো যাবে না। সড়ক মহাসড়কের ওপর কিংবা পাশে অনুমতি দেয়া যাবে না। কেনাবেচায় কঠোর ভাবে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে হবে।