সোমবার,১০ই আগস্ট, ২০২০ ইং

দাঁতের ক্ষয় প্রতিরোধ করুন

মুক্তখবর :
জুলাই ১৩, ২০২০
news-image

দাঁতের ক্ষয়রোগ সব বয়সীর একটি সাধারণ সমস্যা। এ সমস্যা হঠাৎ করে হয় না। প্রথমে দাঁতের উপরিভাগে এনামেল নষ্ট হতে থাকে। ক্রমে ছড়িয়ে পড়ে দাঁতের অন্যান্য অংশের ক্ষতি করে। এনামেল পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেলে দাঁত ক্ষয় হতে শুরু করে এবং মাড়ি ও দাঁতের গোড়া নষ্ট হয়। দাঁতের যতœ না নিলে ও নিয়মিত ব্রাশ না করলে এ সমস্যা দেখা দেয়। ফলে দাঁতব্যথা, ইনফেকশন, এমনকি দাঁত পড়ে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিয়ে থাকে। আমাদের দাঁত ও মাড়িতে এক ধরনের স্বচ্ছ ও আঠালো পদার্থ জমতে দেখা যায়। এর নাম প্লাক। এতে অসংখ্য ব্যাকটেরিয়া থাকে, যা আমদের গ্রহণ করা খাদ্যবস্তুতে থাকা চিনির ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে। ব্যাকটেরিয়া থেকে এক ধরনের অ্যাসিড তৈরি হয়, যা খাবার খাওয়ার ২০ মিনিট বা এর অধিক সময় ধরে দাঁতের ক্ষতি করতে থাকে। এ অ্যাসিডের প্রভাবে এনামেল নষ্ট হয় ও দাঁত ক্ষয়ে যায়।

এ ছাড়া নিয়মিত ফ্লসিং ও ব্রাশ না করলে, চিনিযুক্ত ও কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার বেশি খেলে, ফ্লোরাইডের অভাব দেখা দিলে এ সমস্যা হয়ে থাকে। মুখের লালা শুকানোর কারণেও দাঁতে ক্ষয়রোগ ধরতে পারে। লালা দাঁতে আটকা থাকা খাদ্যকণা ও ক্ষতিকর চিনি প্রতিরোধ করে এবং দাঁত ক্ষয় থেকে রক্ষা করে। ডায়াবেটিস, সিগারেটের ধোঁয়া ও তামাক ব্যবহারের কারণেও দাঁতে ক্ষয়রোগ ধরে। বয়স্কদের তুলনায় শিশুদের ক্ষেত্রে, বিশেষ করে যাদের দাঁত পুরোপুরিভাবে ওঠেনি, তাদের এ সমস্যা বেশি হয়। এ অবস্থায় দাঁতে মিনারেলের পরিমাণ কম থাকায় দ্রুত দাঁত নষ্ট হতে থাকে।

দাঁতের ক্ষয়রোগ প্রতিরোধে চিনি ও মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া কমিয়ে দিতে হবে। খেলে মুখের ভেতরে ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

লেখক : দন্তরোগের চিকিৎসক

চেম্বার : ওরাল কেয়ার, ১৯, গ্রিন রোড, একে কমপ্লেক্স