মঙ্গলবার,৩রা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

যেভাবে দূরে রাখবেন নেতিবাচক ভাবনা

মুক্তখবর :
এপ্রিল ১৬, ২০১৯
news-image

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০১৯ (লাইফস্টাইল ডেস্ক) :  সবসময়ই আমরা কোনো না কোনো চিন্তায় মগ্ন থাকি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমাদের ভাবনাগুলো নেতিবাচক হয়। কেননা মনের অভ্যাসই হচ্ছে নেতিবাচক চিন্তা করা। যতক্ষণ না আপনি মন থেকে সেটা দূর করতে পারবেন ততই নেতিবাচক চিন্তাগুলো ডালপালা মেলতে শুরু করবে। এ কারণে নেতিবাচক চিন্তা মাথায় আসতে শুরু করলে জোর করে হলেও সেটা তাড়ানোর চেষ্টা করতে হবে। আপনি যদি দৃঢ়ভাবে নেতিবাচক ভাবনা দূর করার চেষ্টা করেন তাহলে এটা দ্রুত তাড়ানো সম্ভব।

কখনও কখনও নেতিবাচক চিন্তা দূর করা খু

সবসময়ই আমরা কোনো না কোনো চিন্তায় মগ্ন থাকি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমাদের ভাবনাগুলো নেতিবাচক হয়। কেননা মনের অভ্যাসই হচ্ছে নেতিবাচক চিন্তা করা। যতক্ষণ না আপনি মন থেকে সেটা দূর করতে পারবেন ততই নেতিবাচক চিন্তাগুলো ডালপালা মেলতে শুরু করবে। এ কারণে নেতিবাচক চিন্তা মাথায় আসতে শুরু করলে জোর করে হলেও সেটা তাড়ানোর চেষ্টা করতে হবে। আপনি যদি দৃঢ়ভাবে নেতিবাচক ভাবনা দূর করার চেষ্টা করেন তাহলে এটা দ্রুত তাড়ানো সম্ভব।

কখনও কখনও নেতিবাচক চিন্তা দূর করা খুব সহজ কাজ নয়। একাধিক উপায়ে এটা দূর করার চেষ্টা করতে পারেন। চলুন জেনে নেয়া যাক এমন কিছু উপায়-

১. নিজেকে লক্ষ্য করুন। আপনি কি ভ্রু কুচকে গভীর মনোযোগ দিয়ে ভাবছেন? এটা একটা নেতিবাচক ভঙ্গী। এ ধরনের শারীরিক অঙ্গভঙ্গি আপনার নেতিবাচক প্রতিচ্ছবি প্রকাশ করে। সেই সঙ্গে আত্মবিশ্বাসের ঘাটতিও ফুটে ওঠে। সোজা হয়ে বসুন। আপনার বসার ভঙ্গীতেই আপনার ইতিবাচক মানসিকতা প্রকাশ করবে।

২. মাঝেমধ্যে নেতিবাচক চিন্তা আসে মনের ভেতরে জমা আবেগ থেকে। এ কারণে আবেগ কখনও বুকের ভেতরে পুষে রাখা ঠিক নয়। নেতিবাচক ভাবনা থাকলে তা অন্যের সঙ্গে শেয়ার করুন। তাহলে হয়তো সমাধানের পথ খুঁজেও পেতে পারেন।

৩. মন সবসময়ই চিন্তা করে। এটাকে নিয়ন্ত্রণ করা বেশ কঠিন। বিশেষ করে নেতিবাচক ভাবনা হলে সেটাকে দমিয়ে রাখা আরও কঠিন। মনকে সব ধরনের নেতিবাচক ভাবনা থেকে দূরে রাখার জন্য মেডিটেশন করতে পারেন। এর মাধ্যমে মনকে আপনি খালি করতে পারেন। তারপরেও আবার নতুনভাবে চিন্তা করতে পারেন।

৪. নেতিবাচক চিন্তা জীবনে খারাপ প্রভাব ফেলে। যেমন- কঠিন সময় ও সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি চিন্তা না করে কিছু চ্যালেঞ্জের সামনে পড়েছি এবং তা সমাধানের চেষ্টা করছি, বিষয়গুলো এভাবে ভাবতে পারেন।

৫. যখনই খারাপ চিন্তা আসবে তখনই সৃজনশীল কোন কাজে মনোযোগ দিন। নিজের মনের কথা ডায়রিতে কিংবা কাগজে লিখতে পারেন, ছবি আঁকতে পারেন কিংবা রঙ করতে পরেন। এ ধরনের কাজ আপনাকে নেতিবাচক ভাবনা থেকে সরিয়ে রাখবে।

৬. নেতিবাচক পরিবেশ থেকে বের হওয়ার জন্য একা একা কিছুক্ষণ হাঁটতে পারেন। তাহলে মন থেকে এসব ভাবনা বের হতে পারে।

৭. আপনার জীবনে যা কিছু ইতিবাচক আছে তা একবার ভাবতে চেষ্টা করুন। যত ছোটই হোক আপনার জীবনে নিশ্চয়ই ভাল কিছু প্রাপ্তি আছে। সেগুলোর জন্য স্রষ্টার কাছে কৃতজ্ঞ হন। দেখবেন, আপনার নেতিবাচক ভাবনাগুলো ধীরে ধীরে মন থেকে সরে যাবে।

সূত্র : পিক দ্য ব্রেইনব সহজ কাজ নয়। একাধিক উপায়ে এটা দূর করার চেষ্টা করতে পারেন। চলুন জেনে নেয়া যাক এমন কিছু উপায়।

১. নিজেকে লক্ষ্য করুন। আপনি কি ভ্রু কুচকে গভীর মনোযোগ দিয়ে ভাবছেন? এটা একটা নেতিবাচক ভঙ্গী। এ ধরনের শারীরিক অঙ্গভঙ্গি আপনার নেতিবাচক প্রতিচ্ছবি প্রকাশ করে। সেই সঙ্গে আত্মবিশ্বাসের ঘাটতিও ফুটে ওঠে। সোজা হয়ে বসুন। আপনার বসার ভঙ্গীতেই আপনার ইতিবাচক মানসিকতা প্রকাশ করবে।

২. মাঝেমধ্যে নেতিবাচক চিন্তা আসে মনের ভেতরে জমা আবেগ থেকে। এ কারণে আবেগ কখনও বুকের ভেতরে পুষে রাখা ঠিক নয়। নেতিবাচক ভাবনা থাকলে তা অন্যের সঙ্গে শেয়ার করুন। তাহলে হয়তো সমাধানের পথ খুঁজেও পেতে পারেন।

৩. মন সবসময়ই চিন্তা করে। এটাকে নিয়ন্ত্রণ করা বেশ কঠিন। বিশেষ করে নেতিবাচক ভাবনা হলে সেটাকে দমিয়ে রাখা আরও কঠিন। মনকে সব ধরনের নেতিবাচক ভাবনা থেকে দূরে রাখার জন্য মেডিটেশন করতে পারেন। এর মাধ্যমে মনকে আপনি খালি করতে পারেন। তারপরেও আবার নতুনভাবে চিন্তা করতে পারেন।

৪. নেতিবাচক চিন্তা জীবনে খারাপ প্রভাব ফেলে। যেমন- কঠিন সময় ও সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি চিন্তা না করে কিছু চ্যালেঞ্জের সামনে পড়েছি এবং তা সমাধানের চেষ্টা করছি, বিষয়গুলো এভাবে ভাবতে পারেন।

৫. যখনই খারাপ চিন্তা আসবে তখনই সৃজনশীল কোন কাজে মনোযোগ দিন। নিজের মনের কথা ডায়রিতে কিংবা কাগজে লিখতে পারেন, ছবি আঁকতে পারেন কিংবা রঙ করতে পরেন। এ ধরনের কাজ আপনাকে নেতিবাচক ভাবনা থেকে সরিয়ে রাখবে।

৬. নেতিবাচক পরিবেশ থেকে বের হওয়ার জন্য একা একা কিছুক্ষণ হাঁটতে পারেন। তাহলে মন থেকে এসব ভাবনা বের হতে পারে।

৭. আপনার জীবনে যা কিছু ইতিবাচক আছে তা একবার ভাবতে চেষ্টা করুন। যত ছোটই হোক আপনার জীবনে নিশ্চয়ই ভাল কিছু প্রাপ্তি আছে। সেগুলোর জন্য স্রষ্টার কাছে কৃতজ্ঞ হন। দেখবেন, আপনার নেতিবাচক ভাবনাগুলো ধীরে ধীরে মন থেকে সরে যাবে।

সূত্র : পিক দ্য ব্রেইন