সোমবার,৮ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

নিষেধাজ্ঞা শেষে ইলিশ ধরার প্রস্ততি নিচ্ছেন জেলেরা

মুক্তখবর :
এপ্রিল ২৮, ২০১৯
news-image

ঢাকা, রোববার, ২৮ এপ্রিল ২০১৯ (নিজস্ব প্রতিনিধি) : চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় জাটকা সংরক্ষণে দীর্ঘ ২ মাস মাছ ধরা বন্ধ থাকায় আইন মেনে নদীতে নামেননি জেলেরা। তবে পহেলা মে থেকে উঠে যাচ্ছে সরকারি নিষেধাজ্ঞা। তাই জাল ও নৌকা নিয়ে মাছ ধরতে পুরোদমে প্রস্তুতি নিচ্ছেন জেলেরা। মৎসবিজ্ঞানীদের আশা, জাটকা সংরক্ষণ সফল হওয়ায় এবার ইলিশের উৎপাদন বাড়বে।মার্চ-এপ্রিল ২ মাস নদীতে নামেননি জেলেরা। কারণ, জাটকা সংরক্ষণে সবধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিল। ফলে ইলিশ বিচরণের ৬টি অভয়াশ্রমের মতো চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনার জলেও জাল পড়েনি। কিন্তু সরকারি নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা এখন প্রায় শেষ হয়ে যাচ্ছে। তাই নদীপাড়ে মাছ ধরার নৌকা আর জাল মেরামতে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলেরা। এমন দৃশ্য জেলার উত্তরের ষাটনল থেকে দক্ষিণের চরভৈরবী পর্যন্ত। এবার নদীতে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ পাওয়ার প্রত্যাশা এসব জেলের। তারা বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়ে আসছে। আমরা এখন নদীতে নামবো। বড় বড় ইলিশ ধরবো। এই জন্যে কাজকর্ম করছি। জাটকা মাছ ধরি নাই। ইনশাল্লাহ সেগুলো বড় হবে। দেশের উন্নয়ন হবে।’ অন্য বছরের চেয়ে এবার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী বেশ তৎপর ছিল। ফলে জাটকা সংরক্ষণ অনেকটা সফল হয়েছে বলে দাবি, নৌ-পুলিশের কর্মকর্তা হাসনাত জামানের। অন্যদিকে, গত কয়েকদিনে নদীতে গবেষণার ফলাফলে ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধির তথ্য দিয়েছেন, দেশের শীর্ষ মৎস্যবিজ্ঞানী ড. আনিছুর রহমান। হাসনাত জামান বলেন, ‘অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল।’ ড. আনিছুর রহমান বলেন, ‘ছয়টা অভয়াশ্রমে ছয় মাস মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিল। এর প্রেক্ষিতে আশা করা যায় ইলিশের উৎপাদন সাড়ে ৫ লাখ মেট্রিক টন ছাড়িয়ে যাবে।’ চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে, সরকারি তালিকায় এমন জেলের সংখ্যা প্রায় ৬০ হাজার।