বুধবার,২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

উল্লাপাড়ার আকমল হোসেন দিনমজুরথেকে শত কোটি টাকার মালিক

মুক্তখবর :
এপ্রিল ৩০, ২০১৯
news-image
ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩০ এপ্রিল ২০১৯ (সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতা) : মাগুড়াডাঙ্গা গ্রামের আকমল হোসেন অতি অল্প সময়ে শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন।
নি¤েœ তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরা হলো:-
উল্লাপাড়া সদর ইউনিয়ন এর মাগুড়াডাঙ্গা গ্রামের মোঃ শাহজাহান আলীর ছেলে আকমল হোসেন। ৮০ এর দশকে মানুষের বাড়ীতে দিনমজুর এর কাজ করত। এর পর তার নানা অনিয়ম, বিভিন্ন মানুষের জায়গা জমি দখল, গরীব মানুষের সম্পদ লুট, খৈল ভুসির ব্যবসা, পরে সরিষা তেলের ব্যবসা। সরিষার তেলের মিল। এরপর সরিষার তেলে ভেজাল করে শত কোটি টাকার মালিক। এ বিপুল পরিমাণ অবৈধ টাকার মালিক হলেও তিনি সরকারকে কোন প্রকার ভ্যাট, ট্যাক্স প্রদান করেন নাই যা তদন্ত করলে এ ভেজাল তেল ব্যবসায়ীর অবৈধ সম্পদের থলের বিড়াল বেড়িয়ে পড়বে।
নি¤েœ তার অবৈধ সম্পদের বিবরণ দেওয়া হলো :-
অবৈধ সম্পদ এক : সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার ১১ নং উল্লাপাড়া সদর ইউনিয়নের অন্তর্গত মাগুড়াডাঙ্গা গ্রামে, আকমল হোসেনের মাগুড়াডাঙ্গা মৌজায় কৃষি ফসলি জমির পরিমাণ ৬০ বিঘা জমি ক্রয় করেছে। যার বাজার মূল্য প্রায় ১০ কোটি টাকা। ১৯৮৮ সালে এই আকমলের ১ শতাংশ জমিও ছিল না। উপজেলার পূর্ণিমাগাঁতী ইউনিয়নের অন্তর্গত বড় ভেটুয়াকান্দি গ্রাম ও ছোট ভেটুয়াকান্দি গ্রামের মৌজায় তার কৃষি জমি  ৩০ বিঘা জমি ক্রয় করেছে যার বাজার মূল্য ৫ কোটি টাকা।  উল্লাপাড়া সদর ইউনিয়নের চালা গ্রামের মৌজায় ১০ বিঘা জমি ক্রয় করেছে যার বাজার মূল্য ৩ কোটি টাকা।  উল্লাপাড়া পৌর সভার বাখুয়া মৌজায় ১০ বিঘা জমি ক্রয় করেছে যার বাজার মূল্য ১০ কোটি টাকা।
অবৈধ সম্পদ দুই : উল্লাপাড়া পৌর সভায় তথা শহরের ব্যস্ততম এলাকা শ্যামলী পাড়ায় ব্রিজের সাথে উল্লাপাড়া মুক্তমঞ্চ সংলগ্ন ৫ তলা আলিশান বাড়ি,  নিচে মার্কেট এ ভবনের মূল্য ৫ কোটি টাকা। উল্লাপাড়া মডেল থানার পিছনে পাট বন্দরে গুদাম ঘর ২০ শতক জায়গার ওপর এর বাজার মুল্য ৩ কোটি টাকা। পৌর এলাকা বাখুয়া ওয়াবদায় দুই বিঘা জমির ওপর তেলের মিল যার বর্তমান বাজার মূল্য দুই কোটি টাকা।
অবৈধ সম্পদ তিন :  স্ত্রীকোলা গ্রামের উত্তর সীমান্তে চকিদহ ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় ২ বিঘা জমির ওপর ২য় তলা আলিশান তেলের মিল যার বাজার মূল্য ৫ কোটি টাকা। এছাড়া স্ত্রীকোলা পূর্ণিমাগাঁতী রোডে পাকা তেলের মিল যার বাজার মূল্য কোটি টাকা।
অবৈধ সম্পদ চার :  মাগুড়াডাঙ্গা গ্রামে হাজার পরিবারের বসবাস, গ্রামের প্রায় সকল বাড়িতে টিনের কিছু আধাপাকা বাড়িঘর। আর এই আকমল হোসেন ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে মার্বেল পাথর দিয়ে তার  নিজ গ্রামে চার তলা রাজপ্রাসাদ বাড়ি নির্মাণ করেছে।
অবৈধ সম্পদ পাঁচ :  এই আকমলের অবৈধ সম্পদ এতই বেশি যে, সে দুইটি মাইক্রো গাড়ী ব্যবহার করে যার নং ঢাকা মেট্রো-চ ১৩৩৪২৯ তার চারটি টাটা ট্রাক রয়েছে যার নং ঢাকা মেট্রো-ট ১৮৯২ ৯৩, ঢাকা মেট্রো-ট ১৮২৪৬৫, ঢাকা মেট্রো-ট ১১৯০৫৯, ঢাকা মেট্রো ট-১৮১৯৯১। এছাড়াও তার রয়েছে নামে বেনামে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ যার কোন আয়কর দেওয়া হয় না। সামান্য দিনমজুর বর্তমানে সে শত কোটি টাকার মালিক কিভাবে হলেন। ———(চলমান)