বুধবার,২৩শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

মেঘনার দুর্গম চরে দুই শতাধিক বসতবাড়ি বিধ্বস্ত

মুক্তখবর :
মে ৪, ২০১৯
news-image

ঢাকা, শনিবার, ০৪ মে ২০১৯ (নিজস্ব প্রতিনিধি) : প্রবল বেগে ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে চাঁদপুরের পদ্মা মেঘনা বেশ উত্তাল। ফলে তীব্র ঢেউ আছড়ে পড়ছে নদী তীরে। নদীতে না নামতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নৌপুলিশ মাইকিং করছে।এমন পরিস্থিতিতে শনিবারও চাঁদপুরের নদীতে সবধরণের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। বৃষ্টি এবং দমকা বাতাসের কারণে জেলায় ফণী আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এসময় স্বাভাবিকের চেয়ে ৫-৬ ফুট উচ্চতায় জোয়ারের পানি নদীতে আছড়ে পড়ে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জেলার কোথাও কোন ধরণের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। এদিকে, সকাল থেকে কখনো দমকা বাতাস, বৃষ্টি এবং প্রচণ্ড গরম দেখা দেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে একধরণের আতঙ্ক দেখা দেয়।

এদিকে, আজ ভোরে ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে মেঘনার দুর্গম চর রাজরাজেশ্বর, গাজীপুর ও মাঝেরচর এবং মতলব উত্তরের বেরোরচরের প্রায় দুই শতাধিক কাঁচাঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি।

চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহম্মাদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান জানান, সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সবধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ফণীর আঘাতে যেসব পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেখানে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রেড ক্রিসেন্ট, চাঁদপুর ইউনিট থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছেন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ওসমান গনি পাটোয়ারী। ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে বেলা শেষে বেশ উত্তাল হয়ে উঠে চাঁদপুরের পদ্মা মেঘনা।

এর আগে প্রবল বেগে ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড় ফণী থেকে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে চাঁদপুরে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়। এমন পরিস্থিতিতে জেলার মেঘনাপাড়ের জনপদ হাইমচরের দুর্গম মাঝেচরের ৪০ হাজার বাসিন্দাকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। চাঁদপুরের অন্য উপজেলাগুলোর মতো সেখানেও বেশকিছু আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়।