সোমবার,১৯শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

ঈদে ভাড়ায় নৈরাজ্য চলছে, অভিযোগ যাত্রী কল্যাণ সমিতির

মুক্তখবর :
জুন ১, ২০১৯
news-image

ঢাকা, শনিবার, ০১ জুন ২০১৯ (স্টাফ রিপোর্টার): ঈদযাত্রায় সড়ক, নৌ ও আকাশপথে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য চলছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। ট্রেনের সিডিউল লণ্ডভণ্ড হওয়ায় রেলপথের যাত্রীসাধারণ অবর্ণনীয় দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ যাত্রী অধিকার সংরক্ষণকারী এই সংগঠনটির। গত কয়েকদিনের ঈদযাত্রা পর্যবেক্ষণ শেষে আজ শনিবার সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই অভিযোগ করে সংগঠনটি। গত বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই রাজধানী ছাড়তে শুরু করে অনেক মানুষ। শুক্রবার বন্ধের দিন থাকায় সেদিন অনেক মানুষ রাজধানী ছেড়ে গ্রামের বাড়ির দিকে রওনা দেন। কিছু কিছু যাত্রীরা ট্রেন বিলম্বের অভিযোগ করেছেন। এজন্য রেলপথ মন্ত্রী দু:খও প্রকাশ করেছেন যাত্রীদের কাছে। তবে সড়ক ও নৌপথে যাত্রীরা আনন্দ নিয়ে বাড়ি যাচ্ছেন বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা। বিষয়টি স্বীকারও করেছেন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব। তিনি বলেন, বিগত ঈদের চেয়ে এবার রাস্তাঘাটের পরিস্থিতি ভালো থাকায় বাসের ট্রিপ সংখ্যা বেড়েছে, নৌপথে বেশকটি নৌরুটের ড্রেজিং সম্পন্ন হওয়ায় নৌরুটেও এর সুফল মিলেছে। এ ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার পরও ভাড়া নৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানি মেনে নেওয়া যায় না উল্লেখ করে মোজাম্মেল হক চৌধুরী অভিযোগ করেন, ‘সড়ক পথে হতেগুণা কয়েকটি রুট ছাড়া প্রায় সবকটি রুটে ঈদযাত্রার যাত্রীসাধারণ অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্যের শিকার হচ্ছে। নৌ-পথে লঞ্চের কর্মচারীরা ডেকে তাদের চাদর বিছিয়ে রেখে ডেকশ্রেণির যাত্রীদের কাছ থেকে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিচ্ছে। আবার টিকিটেও বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে। লঞ্চঘাট ও খেয়াঘাটগুলোতে নিয়োজিত ইজারাদাররা ঘাট ইজারার নামে, খেয়া পারাপারের নামে অতিরিক্ত টোল আদায়ের মহোৎসবে মেতে উঠেছে। সরকারের পক্ষ থেকে নানা ধরনের উদ্যোগ থাকার সত্ত্বেও যাত্রীরা এহেন নৈরাজ্যের শিকার হচ্ছেন।’ সংগঠনটি আরো দাবি করেছে, ‘রেলপথে বেশিরভাগ ট্রেনের শিডিউল লণ্ডভণ্ড থাকায় রেলপথের যাত্রীসাধারণ পরিবার-পরিজন নিয়ে স্টেশনে এসে অবর্ণরীয় দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। আকাশপথে কোনো কোনো পথে ঈদযাত্রার টিকিট তিন থেকে চার গুণ বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে। সড়ক, নৌ ও রেলপথে বিভিন্ন সংস্থার তৎপরতা থাকলেও আকাশপথে ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বা অন্য কোনো সংস্থার তৎপরতা দেখা যায়নি।’