সোমবার,১৮ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হতে চান সামছুল হক সানী

মুক্তখবর :
জুলাই ৩১, ২০১৯
news-image

কলিহাসান, দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি: শৈশব আর কিশোর কেটেছে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকারে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণকারী দল আওয়ামীলীগের একনিষ্ট কর্মী ছিলেন বলে নানা নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। মহান পেশা শিক্ষকতা থাকলেও রাজনৈতিক রৈবীতা থেকে রেহাই পাননি এক মুহুর্ত, ১২টি মিথ্যে মামলায় ঝুঁলিয়ে ৯বছর সাসপেন্ড রাখা হয়েছিল,পরবর্তীতে ২০০৮ সালে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি পান আর সেই নির্যাতিত শিক্ষক হলেন উপজেলার চন্ডিঘর ইউনিয়নের মউ গ্রামের আজিজুল ইসলাম মাষ্টার। মউ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক ছিলেন।

ওই আদর্শ পিতার কনিষ্ট আওয়ামী পরিবারের সন্তান মোঃ সামসুল হক সানী স্কুল জীবন থেকেই ছাত্রলীগ রাজনীতির সাথে অতপ্রোতভাবে জড়িত। সে আনন্দমোহন বিশ^বিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে ¯œাতক প্রথম স্থান অর্জন করেন এই মেধাবী ছাত্রনেতা। তিনি মাষ্টার্সে অধ্যয়নরত আছেন। তিনি উপজেলা ছাত্রলীগের কাউন্সিলে ২০১২ সালে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। অত্যন্ত সচ্চতা,দক্ষতা ও জবাদিহীতার মধ্য দিয়ে উপজেলা ছাত্রলীগকে একটি আদর্শিক সংগঠন হিসেবে দাঁড় করানোর জন্যে প্রানপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। একটি পরীক্ষিত আওয়ামী পরিবারের সন্তান হিসেবে এলাকায় তার যথেষ্ট পরিচিত ও গণজোয়ার রয়েছে।

তিনি ইতিপূর্বে উপজেলা ছাত্রলীগের সকল ধরণের কর্মকান্ড নিজে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন যা কিনা উপজেলা ছাত্ররাজনীতির নতুন বিবেক হিসেবে আখ্যায়িত করছেন সংগঠনের সহপাঠীরা। তার এ পথচলা আগামীর আগত কমিটির সভাপতির আসনে আরোহণ করা ও উপজেলা ছাত্রলীগের অসংখ্য অনুসারীর প্রাপ্তি সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন নেতাকর্মীদের দৃষ্টি আকষর্ণ করে লবিং শুরু করে দিয়েছেন এই ত্যাগী কর্মী সামছুল হক সানী।

সামছুল হক সানীর বড় ভাই এমদাদুল হক আলম সরকার চন্ডিঘর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের প্রতিষ্টাতা সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন দীর্ঘদিন। তিনি বিএনপি-জামাত সরকারের রোষানলে পড়ে মিথ্যে মামলায় কারাবরণ করেণ। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ দুর্গাপুর উপজেলা শাখার সম্মানিত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেশক’জন ছাত্রলীগ কর্মী প্রতিনিধিকে জানান, মোঃ সামছুল হক সানী ছাত্রলীগ রাজনীতির একজন পরিচ্ছন্ন কর্মী। উপজেলার ছাত্রলীগ রাজনীতিতে তাঁর প্রয়োজন রয়েছে অনেক। আসন্ন উপজেলা কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দেখতে চান অনেকেই।

এক প্রশ্নের জবাবে সামছুল হক সানী বলেন,আমি পরীক্ষিত আওয়ামী পরিবারের সন্তান হিসেবে ছাত্রলীগ সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছি। উপজেলার প্রত্যেকটি ছাত্রলীগের কর্মকান্ডে আমি নিবেদিত কর্মী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি। সংগঠনের উন্নতি কল্পে আমি আমার সবটুকু দিয়ে কাজ করতে চাই। আমি উপজেলা,জেলা ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ রাখছি। আশা করি উদ্ধর্তন নেতৃবৃন্দ আমার কর্মের মূল্যায়ন করবেন বলে আমি যথেষ্ট আশাবাদী।