মঙ্গলবার,২৭শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

মঠবাড়িয়ায় একমাসে ১১৫ জন ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত

মুক্তখবর :
সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৯
news-image

শাকিল আহমেদ, মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় গত একমাসে ডেঙ্গু রোগে ১১৫ জন আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত একমাসে পৌরশহরসহ ১১ ইউনিয়ন এবং পাশ্ববর্তী ভান্ডারিয়া, পাথরঘাটা ও বামনা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে শিশুসহ ১১৫ জন নারী-পুরুষ ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে বর্তমানে ডেঙ্গু পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে বলে দাবী করেন চিকিৎসকরা।  এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ডেঙ্গু রোগ নির্ণয়ের জন্য সরকারী বরাদ্দ থেকে দুই লক্ষ টাকার কীট এবং নিজস্ব অর্থায়নে ফগার মেশিন ক্রয়সহ হাসপাতালের আশপাশ এলাকায় পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার অভিযান অব্যহত রেখেছে।  মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে যারা চিকিৎসা নিয়েছেন তারা হলেন তুষখালী গ্রামে মোঃ রুহুল মিয়া, নবী হোসেন, নিশিতা, মেহেদী হাসান, শাহাদাৎ, আঃ রহমান, রেনু বেগম, মাকসুদা, হোতখালী গ্রামের মাইশা, বিরু, আয়েশা বেগম, জানখালী গ্রামের আমেনা বেগম, সাপলেজার আঃ আজিজ, মনোয়ারা বেগম, মাননূরা বেগম, নলী গ্রামের মিম, ঝাটিবুনিয়া গ্রামের রুমি আক্তার, টিয়ারখালীর নাঈম, রেনু বেগম, ছোট শিংগার মোসাঃ মীরা, ছোট মাছুয়া গ্রামের খাদিজা আক্তর, জহুরা বেগম, বকুল বেগম, রেখা বেগম, মাহমুদা, আঙ্গুলকাটার খাইরুল ইসলাম, হাসিনা, পাতাকাটা গ্রামের মহারাজ মিয়া, ভেচকী গ্রামের কবির মিয়া, শিউলি বেগম, টিকিকাটা গ্রামের পরভীন, সূর্যমনি গ্রামের শরিকা, মিরুখালী গ্রামের মুসা, লাভলী বেগম, ছাব্বির, রেকসোনা, চালিতাবুনিয়া গ্রামের চয়ন, বড় মাছুয়ার নাছির ফকির, কবির মিয়া, রকিব, তাসলিমা, জাহিদা আক্তার, জামিলা আক্তার, আমির হামজা, অনিন্দ্র রায়, মুসা, খেজুরবাড়িয়া গ্রামের তরিকুল ইসলাম, গুলিসাখালীর সাথী রানী, ইভা, খোকন, হলতা গ্রামের ফিরোজ মিয়া, ভগিরথপুরের সামছুন্নাহার, মানিকখালী গ্রামের সেলিম, বুড়িরচরের শারমিন আক্তার, রোকেয়া, মাসুমা, আরমান, শাহ আলম, মিরাজ, সুমী, সোলায়মান, আলগী গ্রামের মোঃ মুসা, নলী গ্রামের শাহিন, গিলাবাদ গ্রামের মোঃ নাঈম, শাখারীকাঠীর জালাল সরদার, সোনাখালী গ্রামের শাহিনুর বেগম, পপি, শিমা, ফুলঝুড়ি গ্রামের রাজিবুল ইসলাম, ছোট শৌলা গ্রামের জিসান গাজী, তাফালবাড়িয়া গ্রামের পারুল বেগম, রাজপাড়া গ্রামে অরিকন, আমড়াগাছিয়া গ্রামের তারেক, দক্ষিণ মিঠাখালী গ্রামের জিয়াউল হক, আরাফাত, হাসিনা, দক্ষিণ বন্দরের আয়েশা আক্তার, সবুজনগর এলাকার নূর নবী, আন্ধারমানিক গ্রামের মোসাঃ দেলোয়ারা, গুদিঘাটার আল আমিন, পাশ্ববর্তী ভান্ডারিয়া উপজেলার হরিণপালা গ্রামের কুলসুম বেগম, কামরুল ইসলাম, কালাম, জান্নাতি, পাথরঘাটা উপজেলার তহমিনা বেগম, ফাতিমা বেগম, নাচনাপাড়ার আলেয়া বেগম, কহিনুর বেগম, আজম, সায়েলা আক্তার, আঃ রব, হাদিস, সুরাইয়া, সুমাইয়, দিনা, তামান্না, নাছিমা, কাকচিড়া গ্রামের ইয়াসমিন, কাঠালতলী গ্রামের কারিমা, লেমুয়া গ্রামের দুলাল, হেলাল, আবেদ মুন্সী, মিরাজ, শতকর গ্রামের মোসাঃ রিমা, বামনা উপজেলার ডৌয়াতলা গ্রামের গোলাম রব্বানী, লক্ষ্মিপুরার হালিমা ও বড় তালেশ্বরের আলেয়া।  মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মনির হোসেন জানান, ডেঙ্গু রোগ নির্ণয়ের জন্য সরকারী বরাদ্দ থেকে দুই লক্ষ টাকার কীট ক্রয় করা হয়। তাছাড়া ডেঙ্গু মশা নিধনের জন্য নিজস্ব অর্থায়নে ফগার মেশিন ক্রয় করি। মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আলী হাসান জানান, বর্তমানে ডেঙ্গু পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং ডেঙ্গুর প্রকোপ আস্তে আস্তে কমতে শুরু করেছে।