শুক্রবার,৭ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

নকশার তোয়াক্কা না করেই বহুতল ভবননির্মাণ করছেন মাতুয়াইলের মালেকগং

মুক্তখবর :
অক্টোবর ২৪, ২০১৯
news-image
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯ (শিমুলী ইসলাম নীলু) : রাজউকের নিয়মনীতি ও নকশা অনুমোদনের তোয়াক্কা না করে সরকারের আইন না মেনে ১টি বেজমেন্টসহ ৮তলা ভবন নির্মাণ করছেন রাজধানীর ডেমরা থানাধীন মাতুয়াইল মৌজাস্থ হাজি বাদশা মিয়া রোডস্থ আব্দুল মালেকগং। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ মতিঝিল জোন-৬ এর আওতাধীন ডেমরা থানাস্থ মাতুয়াইল মৌজাস্থ, রোড় নং-১ হাজী বাদশামিয়া রোড় (মিন্টু চত্তর)এর প্রধান সড়কের পশ্চিম পাশে সিএস, আরএসদাগ নং-৭৪৩৬ প্লটের উপর ১টি বেজমেন্ট সহ ৮তলা মোট ৯ তলা করে একটি বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ চলমান রেখেছেন ভবন আব্দুল মালেকগং। যার রাজউক নির্মাণ অনুমোদন স্বারক নং-২৫.৩৯.০০০০.১২৪.৩৩.৩৩৮.১৮.৪১৭স্থাঃ। রাজউকের নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে নির্মিতব্য ভবনের পূর্ব পাশের সরকারী রাস্তা দখল ও রাজউকের নিয়ম অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্থ হিসেবে যে ৬/৭ ফিট জায়গা ছাড়ার কথাছিল তা না ছেড়ে প্রায় ১০/১১ফিট রাস্তা দখল করে রেখেছেন এই ভবন মালিকগন। তাছাড়াও ভবনের পূর্ব পাশেও প্রায় ৪/৫ র্ফিট ডেভিয়েশন করে ভবন নির্মানের কাজ সুকৌশলে দ্রুত গতিতে চালিয়ে যাচ্ছেন উক্ত বহুতল ভবনের মালিকরা। সরেজমিন অনুসন্ধানে বেড়িয়ে এসেছে এসব তথ্য। রাজউকের আইন অনুযায়ী ঢাকা শহরের প্রায় ১৫২৮ বর্গকিলোমিটারের মধ্যে ইমারত নির্মাণের জন্য নকশা অনুমোদন প্রয়োজন। নকশার অনুমোদন থাকা সত্বেও রাজউকের নির্দেশনা মানছেনা ডেমরা থানাস্থ মাতুয়াইল মৌজাস্থ, হাজী বাদশা মিয়া রোড় এলাকার বিভিন্ন প্লট মালিকরা। প্লট মালিকেরা রাজউকের প্রচলিত নিয়মের তোয়াক্কা না করেই ভবন নির্মাণ করছে। তারা টাউন ইমপ্রুভমেন্ট অ্যাক্ট-১৯৫৩, বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন অ্যাক্ট-১৯৫২ ও ঢাকা মহানগর ইমারত (নির্মাণ, উন্নয়ন, সংরক্ষণ ও অপসারণ) বিধিমালা-২০০৮ অনুসারে ভবন নির্মাণ করছেন না। সংশ্লিষ্টদের মতে, এতে ইমারত নির্মাণ আইনের স্পষ্ট ব্যত্যয় ঘটছে। ইমারত নির্মান এর ব্যত্যয় ঘটিয়ে ভবনের পাশে ইচ্ছে মত ডেভিয়েশন করে, নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। মানছেন না কোন নিয়ম কানুন। ভবনটিতে নেই কোন সেফটি নেট। নাম প্রকাশ না করা শর্ত্বে স্থানীয় এলাকাবাসীরা জানান, এভাবে ডেভিয়েশন করে ও রাজউকের অনুমোদন এর করে  ভবন নির্মানের কারনে যেকোন সময় রানা প্লাজার মত ও বনানীর ১৭ নং রোড়ের এফ আর টাওয়ারের মত বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ বিষয়ে ভবনের মালিক আব্দুল মালেকগং এর মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে বার বার চেষ্টা করার পরও তিনি ফোন রিসিভড় করেননি।