শুক্রবার,৭ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় আবদুল হালিম

মুক্তখবর :
অক্টোবর ৩০, ২০১৯
news-image

স্টাফ রিপোর্টার : জাতীয় শ্রমিক লীগের সম্মেলনের দিনক্ষণ ঘনিয়ে এসেছে। আসছে ৯ নভেম্বর ক্ষমতাসীন দলের ভ্রাতৃপ্রতিম সর্ববৃহৎ এই সংগঠনের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বরাবরের মতো সম্মেলনে উপস্থিত থেকে নতুন নেতা নির্বাচন করবেন। পেশাজীবিদের বৃহত্তম এই সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কে হচ্ছেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও ধানমন্ডি অফিসে এই নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা। ত্যাগি, সৎ, সাহসী, শিক্ষিত এবং অপেক্ষাকৃত তরুন কাউকে দায়িত্ব দেয়া হতে পারে। আলোচনায় আছেন যুব শ্রমিক লীগের আহবায়ক আবদুল হালিম। জানা যায়, শ্রমিক লীগের বর্তমান কমিটির অধিকাংশ নেতারই বয়স ৬০ বছর পেরিয়ে গেছে। অনেকেই আগের মতো শারিরীক সক্ষমতা না থাকায় দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেননা। ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশনের (আইটিইউসি) অধিভুক্ত হওয়ায় ষাটোর্ধ কেউ নতুন কমিটিতে থাকতে পারবেন না। আইটিইউসির বাধ্যবাধকতার কারণে ৭ বছর আগে গঠিত জাতীয় শ্রমিক লীগের অধিকাংশ নেতাই এখন ‘আনফিট’। বিদায়ী কমিটির সিবিএ নেতাদের অনেকের বিরুদ্ধেই আছে নানা অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ। এই অবস্থায় ৫০ বছরের পুরোনো এই সংগঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ ‘সাধারন সম্পাদক’ এর দায়িত্ব কে পাচ্ছেন। এই নিয়ে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে আছেন, জাতীয় শ্রমিক লীগের সহযোগী সংগঠন যুব শ্রমিক লীগের আহবায়ক আবদুল হালিম। তিনি ২০০৬ সাল থেকে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে যুব শ্রমিক লীগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। দেশে বিদেশে যুব শ্রমিক লীগের অর্ধ শতাধিক কমিটি আছে। এছাড়া অগ্রনী ব্যাংক কর্মচারি সংসদের (সিবিএ) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আবদুল হালিম ১৯৮৭ সালে পরশুরাম সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর অগ্রনী ব্যাংকে চাকরির সুবাদে শ্রমিক লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। শেখ হাসিনা কর্তৃক যুব শ্রমিক লীগের আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর গত ১৫ বছর ধরে নেতা কর্মীদের নিয়ে কেন্দ্রিয় সব কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া শ্রমিক সংগঠনের নেতা হিসেবে পোশাক শ্রমিক, পরিবহন শ্রমিক এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সিবিএর আন্দোলন সংগ্রামে সম্পৃক্ত থেকে শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় অগ্রনী ভূমিকা পালন করেন। শ্রমিক লীগের শীর্ষ একজন নেতা জানান, যুব শ্রমিক লীগের আহবায়ক আবদুল হালিম একজন ত্যাগি ও পরিশ্রমী শ্রমিক নেতা। রাজপথের আন্দোলনে আমরা সব সময় তাকে পেয়েছি। শ্রমিক লীগের সাধারন সম্পাদক পদে আমরা হালিমকেই চাই। এদিকে গোয়েন্দা প্রতিবেদনেও আবদুল হালিমের ব্যাপারে পজিটিভ রিপোর্ট দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে যুব শ্রমিক লীগের আহবায়ক আবদুল হালিম বলেন, আমি দীর্ঘ দিন ধরে শ্রমিক লীগের রাজনীতি করছি। জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে যুব শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে নেত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে সংগঠনের নেতা কর্মীদের নিয়ে রাজপথে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আগামী কাউন্সিলে নেত্রী কোনো দায়িত্ব দিলে সুষ্ঠুভাবে কাজ করে যাব।