বুধবার,২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

৩৭ পেঁয়াজ আমদানিকারককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে শুল্ক গোয়েন্দা

মুক্তখবর :
নভেম্বর ২৬, ২০১৯
news-image

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর ২০১৯ (স্টাফ রিপোর্টার) : পেঁয়াজের অতিরিক্ত দাম বাড়ার কারণ অনুসন্ধানে আরও ৩৭ আমদানিকারককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে কাকরাইলের প্রধান কার্যালয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর বাংলানিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, একজন অতিরিক্ত মহাপরিচালকের নেতৃত্বে একটি টিম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে। যেসব প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, সেগুলো হলো- মেসার্স রচনা ট্রেড্রিং কোম্পানি, মেসার্স ব্রাদার্স ট্রেড, জনী এন্টারপ্রাইজ, এস এম করপোরেশন, মেসার্স রহমান ইমপেক্স, মেসার্স গোল্ডেন এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স সালাহ ট্রেডার্স, খান ট্রেডার্স, আলি রাইচ মিল, বি কে ট্রেডার্স, টাটা ট্রেডার্স, রিজু-রিতু এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স রায়হান ট্রেডার্স, হুদা ট্রেডার্স, মেসার্স রহমান ট্রেডার্স, সোহা এন্টারপ্রাইজ, ফারহা ইন্টারন্যাশনাল।

এছাড়াও রয়েছে- হামিদ এন্টারপ্রাইজ, সুপ্তি এন্টারপ্রাইজ, মরিয়ম এন্টারপ্রাইজ, আর ডি এন্টারপ্রাইজ, শাহ ভেন্ডার, মেসার্স সাইফুল এন্টারপ্রাইজ, নূর এন্টারপ্রাইজ, ডি এ এন্টারপ্রাইজ, মুক্তা এন্টারপ্রাইজ, শামীর এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স খান ট্রেডার্স, ধ্রুব ফারিয়া ট্রেডার্স, এম আর ট্রেডার্স, মাহি অ্যান্ড ব্রাদার্স, মেসার্স আলম অ্যান্ড সন্স, এস এস ট্রেডিং, এল মদিনা স্টোর, নিউ বড়বাজার শপিং মল, মা এন্টারপ্রাইজ ও জাবেদ ব্রাদার্স। সোমবারও (২৫ নভেম্বর) ১০ পেঁয়াজ আমদানিকারককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সংস্থাটি। এর আগে, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারী অসাধু ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করতে ৩৩২ পেঁয়াজ আমদানিকারকদের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে শুল্ক গোয়েন্দা।