বুধবার,২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

রেলসেবায় ঘাটতির কথা স্বীকার করলেন মন্ত্রী

মুক্তখবর :
ডিসেম্বর ৫, ২০১৯
news-image

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ (স্টাফ রিপোর্টার) : রেলের সেবায় ঘাটতি রয়েছে বলে স্বীকার করেছেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। তিনি বলেন, এটা সত্য, আমরা যাত্রীদের পরিপূর্ণ সেবা দিতে পারছি না। শিডিউল বিপর্যয় ও টিকিট কালোবাজারি পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হয়নি। ট্রেন দুর্ঘটনারও সম্মুখীন হচ্ছে। এসব কারণে পরিপূর্ণ সেবা কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় রেলওয়ে সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে কমলাপুর রেলস্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। রেলমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের চাহিদা অনুযায়ী রেলের সেবা যেন উত্তরোত্তর বাড়াতে পারি, সেজন্য রেলসেবা সপ্তাহ ঘোষণা করা হয়েছে। এই সেবা সপ্তাহের অন্যতম উদ্দেশ্য, যাত্রীদের সচেতন করা। উন্নত বিশ্বের রেলসেবার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশের রেলসেবার মানকে যখন আমাদের দেশের রেলসেবার মানের সঙ্গে তুলনা করি, তখন বুঝতে পারি আমরা কতটা দুর্বল অবস্থায় আছি। এ অবস্থা কাটিয়ে রেলকে একটি ভারসাম্যপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। রেল বিভাগের দুর্বলতার কথা স্বীকার করে নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, অধিকাংশ রুটেই সিঙ্গেল লাইনে ট্রেন চলাচল করছে। শুধু চট্রগ্রাম রুটের অধিকাংশই ডাবল লাইন হয়ে গেছে। ডাবল লাইনের আওতায় আসলে শিডিউল বিপর্যয়সহ সব ধরনের সমস্যা ঠিক হয়ে যাবে। মন্ত্রী বলেন, এই সমস্যা সমাধানে আমরা বেশ কিছু প্রকল্প নিয়েছি। তাছাড়া উত্তরবঙ্গে যেখানে ২৩টি ট্রেন যাওয়ার কথা সিঙ্গেল লাইনে, সেখানে ৪২টি যাচ্ছে। ফলে ট্রাফিক সিগন্যালে পড়তে হচ্ছে। যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু রেলসেতু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যমুনা নদীর ওপর আলাদা ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে বঙ্গবন্ধু রেলসেতু করা হবে। মার্চ মাসে এই কাজের উদ্বোধন হতে পারে। নতুন লোকোমোটিভের চালান কবে আসবে এ প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী বলেন, কোরিয়া থেকে ২০২০ সালের জুলাই মাস নাগাদ ১০টি লোকোমোটিভ আসবে ।এছাড়া ইউএসএ (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে আসবে ৪০টি। লোকোমোটিভের অর্ডার দিলে সেটা ডেলিভারি দিতে তিন থেকে চার বছর সময় লাগে। এজন্য এগুলো আসতে দেরি হচ্ছে। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোফাজ্জল হোসেন, রেলের মহাপরিচালক মো. শামসুজ্জামান প্রমুখ।