মঙ্গলবার,২রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

অভিযোগের শেষ নেই প্রতারক জসিমের

মুক্তখবর :
ডিসেম্বর ১৪, ২০১৯
news-image

জসিম মেহেদী : প্রতারকদের খপ্পরে পরে সর্বশান্ত হচ্ছে মানুষ। এরকমই এক প্রতারক জসিম উদ্দিন। তার প্রতারনার ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব হয়েছে অনেকে। তিনি শুধুমাত্র প্রতারণার করেই থেমে নেই। তিনি মিথ্যা মামলা দিয়েও হয়রানি করেন। তার র্টাগেটে যে পরে তাকেই নিঃস্ব করে দেয়। মানুষের টাকা আত্মসাত করা তার এক ধরনের নেশা ও পেশা। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার চৌমুহনী গ্রামের মো: ইসমাইল এর ছেলে জসিম উদ্দিন। তার গ্রামেও রয়েছে অনেক অভিযোগ। ইতিমধ্যে জসিম উদ্দিন মিথ্যা মামলা ও প্রতারনার মাধ্যমে অসংখ্য মানুষকে পথে বসিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এরকমই একজন জাকিয়া সুলতানা লোপা। তাকেও প্রতারনার ফাঁদে ফেলে নিঃস্ব করে দিয়েছে। তবুও জসিম উদ্দিনের হাত থেকে বাঁচতে পারছে না। তাকে বিভিন্ন ভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। লোপার পাশে যে দাঁড়ায় তাকেও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেন। জসিম উদ্দিনের কারনে লেখাপড়া করতে পারছেন না লোপা। তার ভয়ে আত্মিয় স্বজনদের বাসা ছেড়ে হোস্টেলে থেকেও রেহাই পাচ্ছেন না। সেখানে গিয়েও উৎপাত করছে। এছাড়া থানা-পুলিশের কিছু সদস্যদের সহযোগিতায় মামলার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করছে। জানা গেছে, জাকিয়া সুলতানা লোপা প্রগতি গ্রুপ নামক প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুবাদে জসিমের সাথে পরিচয়। এরপর থেকে প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমের সম্পর্ক করার চেষ্টা করে। এক পর্যায় জসিমের প্রতারণা বুঝতে পেরে তার কাছ থেকে যখন কেটে পরার চেষ্টা করেন তখন ক্ষিপ্ত হয়ে জোর করে অপহরন করার চেষ্টা চালায়। তখন এলাকাবাসীর সহযোগিতায় তাকে ধরে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশের কাছে দিয়ে দিলে সে আরো ক্ষিপ্ত হয়। এরপর সে জেল খেটে বের হওয়ার পর একের পর এক মিথ্যা মামলা ও হয়রানী করছে। এছাড়া সে বিভিন্ন ব্যক্তিদের কাছ থেকে নানা কৌশলে টাকা ধার নিয়ে আত্মসাৎ করে। পাওনাদার টাকা চাইলে তাকেও বিভিন্নভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেন এবং ভয় ভীতি দেখায়। এরকমই আরেকজন সফিকুল ইসলাম মজুমদার। তার কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো হয়রানি করছে। জানামতে,শিবলী আহমেদ, মাহারুফ,পিন্টু, সোহেল এরকম অনেক লোকের কাছ থেকে তিনি মোটা অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। জসিমের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন্ থানায় একাধিক মামলা ও জিডি আছে। ক্যান্টনমেন্ট থানার মামলা নম্বর ১ তারিখ ৪/১/১৯,সিআর মামলা নং ৫২৯/১৯, উত্তরা পশ্চিম থানার জিডি নং ৪৬৬, যাত্রাবাড়ী থানা জিডি নং ৩৩৬। এছাড়া তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা রয়েছে। ভূক্তভোগিরা জানিয়েছেন, মাদক ব্যবসায়ী সালাউদ্দিন নামের এক লোক জসিম উদ্দিনকে সহযোগিতা করছে। ফলে জসিমের অপকর্ম,প্রতারণা এবং হয়রানি বন্ধ হচ্ছে না। দিন দিন প্রতারক জসিম বেপরোয়া হয়ে উঠছে এবং মানুষের ক্ষতি সাধন করছে। তার কাছ থেকে বাঁচতে ভুক্তভোগিরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করছেন।