বুধবার,২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

পরিদর্শকের সহযোগিতায় নকশার বিচ্যুতি করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ

মুক্তখবর :
জানুয়ারি ৫, ২০২০
news-image
শিমুলি আক্তার নিলু : রাজউক উত্তরা জোন ২ এর সাব জোন ২/১ এর আওতাধীন দক্ষিনখান  থানাধীন ফায়দাবাদ মৌজাস্থ, ফায়দাবাদ প্রধান সড়ক, আর্ক হাসপাতাল সংলগ্ন পশ্চিমপাশের গলি দিয়ে উত্তরদিকে রাজউকের ইমারত পরিদর্শক ও প্রধান ইমারত পরিদর্শকের সহযোগিতায় সরকারি রাস্তা দখল ও নিজেদের ইচ্ছেমত ডেভিয়েশন করে ভবন নির্মাণকারী একাধিক ব্যক্তি মালিকানা ও ডেভেলপারর্স কোম্পানীর নিয়ম বর্হিভূতভাবে ভবন নির্মাণের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে সহযোগিতা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সুত্রে জানাযায়, রাজউক উত্তরা জোন ২ এর সাব জোন ২/১ এর আওতাধীন দক্ষিনখান  থানাধীন, ফায়দাবাদ মৌজাস্থ, ফায়দাবাদ প্রধান সড়ক, আর্ক হাসপাতাল সংলগ্ন পশ্চিমপাশের গলি দিয়ে উত্তরদিকে রাজউকের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ইমারত নির্মানের ব্যত্যয় ঘটিয়ে নকশার বিচ্যুতি করে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে এলাকার আশপাশের ভবন মালিকদেরকে বিভিন্ন রকম ভয় ভিতি দেখিয়ে সিএস দাগ নং-৩২৫, আরএস দাগ নং-৯৩২ এবং ২০৭নং প্লটের মালিক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিনগং ও মনোপ্লাই ডেভেলপার্রস কোম্পানী রাজউক থেকে আবাসিক ভাবে অনুমোদিত বেজমেন্ট ব্যতিত ৮তলা ভবনের ৮তলার কাজ সর্ম্পূন্য করেছেন। রাজউকের নির্মাণ অনুমোদন স্বারক নং- ২৫, ৩৯,০০০০,১০৮,৩৩,০৪৮, ১৬,১৩১স্থাঃ। নির্মীতব্য ভবনের সামনের রাস্তাটি ডেভের নকশা অনুযায়ী ৩০ফিট অথচ এই ভবন মালিক সরকারী রাস্তা প্রায় ০৫ফিট দখল করেছেন তাছাড়াও রাজউকের নিয়ম অনুযায়ী ভবন মালিককে ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে আরো ৫ফিট ছাড়ার বিধান থাকা শর্তেও এই ভবন মালিক তা না ছেড়ে প্রায় ১০/১২ফিটের মত জায়গা দখল করে ভবন নির্মাণ করছেন। ৮তলা ভবনের প্রতিটি ফ্লোরে ছাদের  কার্নিশ ভেঙ্গে ছাদ থেকে লোহার রড় নতুন করে ওয়েলডিং মেশিনের মাধ্যমে জোড়া লাগিয়ে ভবনের পশ্চিম পাশে প্রায় ৫/৬ফিট, উত্তরে ৫/৬ফিট, সামনে প্রধান সড়কের পাশে প্রায় ৫/৬ফিট ডেভিয়েশন করে ভবন নির্মাণ কাজ শেষ করেছেন। সরেজমিন অনুসন্ধানে আরো জানাযায় এভবনটি উত্তরা জোন ২ এর আওতাধীন কিন্তু নকশার অনুমোদন করেন  মহাখালী জোন ৪/৩ এর সাবেক অথরাইজড অফিসার ও বর্তমান উত্তরা জোন-২ এর অথরাইজড অফিসার প্রকৌশলি শেগুপ্তা শারমিন আশরাফ নিজের ক্ষমতায় জোন ২ এর এরিয়ার ভবনের নকশার অনুমোদন জোন৪/৩থেকে নকশার অনুমোদন দিয়েছিলেন । গত জানুয়ারী ২০১৯ইং থেকে অক্টোবর ২০১৯ইং পর্যন্ত ৩য় পর্ব সংবাদ প্রকাশের পর রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মোঃ পারভেজ বেশ কয়েকবার ভবনে পরিদর্শনে এসেছেন এবং দুইবার কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। কাজ বন্ধ করার ২/৩দিন পর ভবন নির্মাণকারী মনোপ্লাই ডেভেলর্পাস কোম্পানীর ম্যনেজার মাসুদ রানা রাজউকে গিয়ে ইমারত পরিদর্শক পারভেজ এর সাথে দেখা করেন এবং বনিবনার মাধ্যমে খুব দ্রুতগতিতে অবশিষ্ট কাজ সমাপ্ত করেন। স্থানীয় এলাকাবাসী ও আশপাশের প্লট মালিকরা প্রতিবেদককে জানান, এই এলাকার সকল ভবন মালিকরা আগে ফাইলিং করে ভবন নির্মাণ করেন কিন্তু এ ভবন মালিক ফাইলিং ব্যতিত কিভাবে ভবন নির্মাণ করলেন তা নিয়ে এলাকার জনগনের মনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এলকার জনগন বলেন নির্মাণকৃত ছাদ কেটে রড় বের করে সে রড়ের সাথে নতুন রড় জোড়া লাগিয়ে ভবনের চতুর পাশে যে পরিমান ডেভিয়েশন করে কাজ করছিলেন তা দেখে রাজউক উত্তরা অফিস থেকে গত ৩মাস পূর্বে ইমারত পরিদর্শক পারভেজ এসে কাজ কাজ বন্ধ করে দেওয়ার পর কিভাবে এই ভবন নির্মাণের কাজ সর্ম্পন্ন করলেন তা নিয়ে সবার মনে সঞ্চয়। এই অভিযোগের পর কোম্পানীর ম্যনেজার মাসুদ রানার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে বেরিয়ে আসে তার সত্যতা। মাসনুদ রানা প্রতিবেদকের প্রশ্নের জবাবে বলেন পারভেজ সাহেব আমাদের কাজ বন্ধ করে দিয়েছিলেন এটা যেমন সত্য ঠিক তেমনি এটাও সত্য কারন আমি পারভেজ সাহেবের সাথে দেখা করেছি সমযোতা করেছি সেই কারনে তিনি আমাকে একটা সময় দিয়েছেন কাজ শেষ করার জন্য। আমরা তার কথামত সেই সময়ের মধ্যে আমাদের ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ করেছি এবং বর্তমানে ভবনে ভাড়ার জন্য টু-লেট লাগিয়ে দিয়েছি। কয়েকজন ভাড়াটিয়া ভবনে উঠেগেলে রাজউক আর কিছুই করতে পারবে না। তার এই বক্ত্যবে এলাকাবাসী রাজউকের প্রতি ক্ষোপ জানিয়ে বলেন তারা রাজউকে চাকুরি করেন বলেই কি সব অনিয়মকে সমর্থন করে নিয়ম তৈরী করবেন। তারা আরো বলেন তিনি রাজউকের একজন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কিভাবে এই অনিয়মকে সমর্থন করেছেন। উল্লেখ থাকে যে রাজউকের ইমারত পরিদর্শক পারভেজ বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর অভিযোগের পর ফায়দাবাদ, জয়নাল মার্কেট, পুরাকৈর, দক্ষিনখান মৌজার সহ বিভিন্ন এলাকা গুরো আরো অনেকগুলো এই রকম অভিযোগ পাওয়া গেছে।এই রকম ভবে প্রায় শতাধিক ভবন মালিক বা ডেভেলর্পাস কোম্পানীদের সাথে সমযোতার অভিযোগের ভিত্তিতে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে।