বুধবার,২৮শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

দইয়ের উপকারিতা

মুক্তখবর :
মে ১৪, ২০২০
news-image

তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেহের ভেতরের তাপমাত্রাও বেড়ে যায়। ফলে বদহজম বা অ্যাসিডিটি বাড়ে। একই সঙ্গে পেট খারাপ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এমন পরিস্থিতিতে শরীর ঠান্ডা রাখতে এবং পেটের রোগ দূরে রাখতে দই-ভাত উপকারী। দইয়ের উপকারিতা হলো- এটি নিয়মিত খেলে হাড় শক্তপোক্ত হয়। দেহে এ খনিজটির ঘাটতি দেখা দিলে হাড় দুর্বল হতে শুরু করে। ফলে অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। ক্যালসিয়ামের ঘাটতি যাতে কোনো সময় না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আর সে জন্য বেশি করে খেতে হবে দই-ভাত। কারণ দইয়ে এ খনিজটি প্রচুর মাত্রায় থাকে, যা ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেটাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। দই-ভাত খাওয়ার পর অনেক সময় পর্যন্ত পেট ভরে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই খাওয়ার পরিমাণ কমে যায়। সেই সঙ্গে কমে শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমার আশঙ্কাও। নিয়মিত দই-ভাত খাওয়া শুরু করলে শরীরের ভিটামিন এবং খনিজ শোষণ করার ক্ষমতা বেড়ে যায়। ফলে দেহের ভেতরে পুষ্টিজনিত ঘাটতি হওয়ার আশঙ্কা কমে। একই সঙ্গে নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে যায়। দই এবং ভাত মিশে যাওয়ার পর এমন কিছু উপাদানের জন্ম হয়, তা শরীরে প্রবেশ করা মাত্র একাধিক পেটের রোগ সেরে যেতে শুরু করে। একই সঙ্গে বদহজমের সমস্যা থাকলে তারও উপশম ঘটে। আসলে দইয়ে উপস্থিত উপকারী ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করামাত্র তা ধীরে ধীরে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটাতে থাকে। একই সঙ্গে কনস্টিপেশন এবং তলপেটে অস্বস্তির মতো রোগের প্রকোপ কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ থাকায় দই-ভাত খাওয়ার অভ্যাস করলে ক্রমে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে। বিভিন্ন সংক্রমণের আশঙ্কাও কমে যায়।

লেখক : বিশিষ্ট হারবাল গবেষক ও চিকিৎসক